১
প্রশংসনীয় গবেষণা
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
বনু কুরাইজার গ্রামে আছরের সালাত
বুখারী ও মুসলিম শরীফে রাসূল সাল্লাম হতে বর্ণিত আছে, তিনি খন্দকের যুদ্ধের দিন সাহাবাদের বলেন, বনি কোরায়জার গোত্রে না পৌছানো অবধি কেউ আছরের সালাত আদায় করবেন না। কিন্তু পথে যখন আছরের সালাতের সময় হয়ে গেল, তখন কিছু সংখ্যক সাহাবা বললেন, আমরা বনি কোরায়জা ছাড়া সালাত আদায় করব না। আবার কেউ কেউ বললেন তার ইচ্ছা এটা নয়, বরং পথে সালাত আদায় করে নাও। তাই মতভেদের জন্য দুই দলের কাউকেও দোষ দেয়া যায় না। কেননা, প্রথম দলের সাহাবাগণ রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্যকে সাধারণভাবে গ্রহণ করেছেন। অন্য দলীয় সাহাবাগণ এ অবস্থা সাধারণ হুকুমের আয়ত্বাধীন মনে না করায়, অবশ্যম্ভাবীকরণের দলিল পেশ করেছেন। হাদিসের উদ্দেশ্য হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাদেরকে ঘেরাও করেছেন, তাদের কাছে দ্রত পৌঁছানো।
ফকীহগণের মধ্যে এটা একটি বিরোধপূর্ণ প্রসিদ্ধ মাসআলা যে, কিয়াস দ্বারা অনির্দিষ্টকে নির্দিষ্ট করা যাবে কিনা? এতদসত্বেও যারা পথে সালাত আদায় করছেন তারা ঠিক কাজই করেছেন।
ফকীহগণের মধ্যে এটা একটি বিরোধপূর্ণ প্রসিদ্ধ মাসআলা যে, কিয়াস দ্বারা অনির্দিষ্টকে নির্দিষ্ট করা যাবে কিনা? এতদসত্বেও যারা পথে সালাত আদায় করছেন তারা ঠিক কাজই করেছেন।