১
প্রশংসনীয় গবেষণা
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ফতোয়া প্রদানে সলফে সালেহীনদের সাবধনতা
এ কারণেই সলফে সালেহীন ফতোয়া প্রদান করতে ভয় করতেন। এজন্যে যে, বিশেষ মাসআলার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় শ্রম ও ইজতেহাদ নাও হতে পারে। উল্লেখিত বিষয়গুলি নি:সন্দেহে গুনাহের কাজ। কিন্তু গুনাহের শাস্তি কাউকে ঐ সময় দেয়া হয়, যখন সে তওবা করে না। তবে ইসতেগফার, ইহসান, বালা-মুসিবত, শাফায়াত ও রহমতের দ্বারা গুনাহ মুছে যায়।
এখন ঐ ব্যক্তির কথা বাকী থাকে যে, প্রবৃত্তির দাস ও রিপুর আজ্ঞাবহ এবং বাতিলকে সাহায্য করে। এমতাবস্থায় সে জানে যে, উহা বাতিল অথবা যে ব্যক্তি দৃঢ়তার সাথে কোন বিষয়ের পক্ষপাতিত্ব করে অথবা রদ করে, অথচ তার কাছে হ্যা বোধক বা না বোধক কোন দলিল মওজুদ নেই। এই ব্যক্তিদ্বয় অবশ্যই জাহান্নামী হবে।
القضاة ثلاثة : قاضيان في النار، وقاض في الجنة فأما الذي في الجنة فرجل علم الحق فقضي به، وأما اللذان في النار : فرجل قضى للناس على جهل، ورجل علم الحق وقضى بخلافه . رواه ابو داودو ابن ماجة
তিন ধরণের বিচারক আছে। দুই প্রকারের বিচারক জাহান্নামে এবং এক প্রকারের বিচারক জান্নাতে যাবেন।যিনি জেনে শুনে বিচার করেন, তিনি জান্নাতে যাবেন। আর দুই প্রকার বিচারক যারা জাহান্নামে যাবে: তাদের মধ্যে একজন হলো যে না জেনে বিচার করে, অন্যজন হক ও ন্যায় জানা সত্ত্বেও তদনুযায়ী বিচার করে না।
কাজীদের ন্যায় মুফতিগণও হয়ে থাকেন। তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রযোজ্য না হওয়ার কতিপয় কারণ আছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি।
যদি ধরে নেয়া যায় যে, উম্মতের কাছে প্রশংসিত ও প্রসিদ্ধ কোন আলেমের কোন যায় এরূপ অবস্থার সৃষ্টি হয়, যদিও এটা অসম্ভব বা অবান্তর, তবে মনে করতে হবে উল্লেখিত কারণগুলির কোন একটি তাদের মধ্যে অবশ্যই ছিল। যদিওবা এরূপ হয়ে থাকে, তবুও সাধারণভাবে তাদের ইমামতির মধ্যে কিছুতেই দোষ দেয়া যায় না।
এখন ঐ ব্যক্তির কথা বাকী থাকে যে, প্রবৃত্তির দাস ও রিপুর আজ্ঞাবহ এবং বাতিলকে সাহায্য করে। এমতাবস্থায় সে জানে যে, উহা বাতিল অথবা যে ব্যক্তি দৃঢ়তার সাথে কোন বিষয়ের পক্ষপাতিত্ব করে অথবা রদ করে, অথচ তার কাছে হ্যা বোধক বা না বোধক কোন দলিল মওজুদ নেই। এই ব্যক্তিদ্বয় অবশ্যই জাহান্নামী হবে।
القضاة ثلاثة : قاضيان في النار، وقاض في الجنة فأما الذي في الجنة فرجل علم الحق فقضي به، وأما اللذان في النار : فرجل قضى للناس على جهل، ورجل علم الحق وقضى بخلافه . رواه ابو داودو ابن ماجة
তিন ধরণের বিচারক আছে। দুই প্রকারের বিচারক জাহান্নামে এবং এক প্রকারের বিচারক জান্নাতে যাবেন।যিনি জেনে শুনে বিচার করেন, তিনি জান্নাতে যাবেন। আর দুই প্রকার বিচারক যারা জাহান্নামে যাবে: তাদের মধ্যে একজন হলো যে না জেনে বিচার করে, অন্যজন হক ও ন্যায় জানা সত্ত্বেও তদনুযায়ী বিচার করে না।
কাজীদের ন্যায় মুফতিগণও হয়ে থাকেন। তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রযোজ্য না হওয়ার কতিপয় কারণ আছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি।
যদি ধরে নেয়া যায় যে, উম্মতের কাছে প্রশংসিত ও প্রসিদ্ধ কোন আলেমের কোন যায় এরূপ অবস্থার সৃষ্টি হয়, যদিও এটা অসম্ভব বা অবান্তর, তবে মনে করতে হবে উল্লেখিত কারণগুলির কোন একটি তাদের মধ্যে অবশ্যই ছিল। যদিওবা এরূপ হয়ে থাকে, তবুও সাধারণভাবে তাদের ইমামতির মধ্যে কিছুতেই দোষ দেয়া যায় না।