১
মুরাকাবা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
এক. এ হাদীসটি আল্লাহ তাআলার মুরাকাবা সম্পর্কে একটি মৌলিক হাদীস।
দুই. আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মানব জাতির শ্রেষ্টতম শিক্ষক। তিনি সর্বদা মানুষকে শিক্ষা দিতে নিবেদিত ছিলেন। এমনকি যানবাহনে বসেও।
তিন. আল্লাহ-কে রক্ষা করার অর্থ হলঃ তার আদেশ-নিষেধ পালন। তার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রেখে সকল কাজ করা। তাকে সর্বদা ভয় করে চলা। সব কাজে তার সন্তুষ্টি অর্জনকে জীবনের লক্ষে পরিণত করা।
চার. এভাবে আল্লাহ-কে রক্ষা করলে তাঁকে সর্বদা সামনে পাওয়া যাবে।
পাঁচ. আল্লাহকে রক্ষা করার আরো কয়েকটি বিষয় নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিলেন। তা হল, যখন কোন কিছু চাবে তখন আল্লাহর কাছে চাবে। যখন কোন বিপদ মুসীবত থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করবে তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে। এটা তাওহীদের শিক্ষা।
ছয়. আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে। অন্যের কাছে নয়। এর অর্থ হল যে সকল মানুষ আপনাকে বিপদে সাহায্য করার সামর্থ রাখে তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া অন্যায় নয়। কিন্তু বিপদে পড়ে কোন মৃত নবী- রাসূল, ফেরেশতা, পীর-আওলিয়া, মাজার, দেব-দেবীর কাছে সাহায্য চাওয়া শিরক।
সাত. তাকদীরের প্রতি কিভাবে বিশ্বাস করতে হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে-নির্দেশনা দিয়েছেন এ হাদীসে। কোন মানুষ কাউকে ক্ষতি করতে পারে না, পারে না কারো উপকার করতে। যদি তাকদীরে তা আল্লাহ না লিখে থাকেন।
আট. তাকদীরে যা লেখা হয়েছে মানুষ তা কিছুই পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে না। তা অবশ্যই অর্জিত হবে। ‘কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে আর খাতা শুকিয়ে গেছে’ কথা দ্বারা এটা বুঝানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ তাকদীর সম্পর্কে যখন জানে না তখন তাকে সর্বদা নিজের জন্য যা কিছু ভাল, উপকারী ও কল্যাণকর, তা অর্জন করতে চেষ্টা চালাবে। আর এর জন্যই সৎকর্ম করতে হবে অসৎকর্ম থেকে ফিরে থাকতে হবে।
দুই. আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মানব জাতির শ্রেষ্টতম শিক্ষক। তিনি সর্বদা মানুষকে শিক্ষা দিতে নিবেদিত ছিলেন। এমনকি যানবাহনে বসেও।
তিন. আল্লাহ-কে রক্ষা করার অর্থ হলঃ তার আদেশ-নিষেধ পালন। তার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রেখে সকল কাজ করা। তাকে সর্বদা ভয় করে চলা। সব কাজে তার সন্তুষ্টি অর্জনকে জীবনের লক্ষে পরিণত করা।
চার. এভাবে আল্লাহ-কে রক্ষা করলে তাঁকে সর্বদা সামনে পাওয়া যাবে।
পাঁচ. আল্লাহকে রক্ষা করার আরো কয়েকটি বিষয় নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিলেন। তা হল, যখন কোন কিছু চাবে তখন আল্লাহর কাছে চাবে। যখন কোন বিপদ মুসীবত থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করবে তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে। এটা তাওহীদের শিক্ষা।
ছয়. আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে। অন্যের কাছে নয়। এর অর্থ হল যে সকল মানুষ আপনাকে বিপদে সাহায্য করার সামর্থ রাখে তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া অন্যায় নয়। কিন্তু বিপদে পড়ে কোন মৃত নবী- রাসূল, ফেরেশতা, পীর-আওলিয়া, মাজার, দেব-দেবীর কাছে সাহায্য চাওয়া শিরক।
সাত. তাকদীরের প্রতি কিভাবে বিশ্বাস করতে হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে-নির্দেশনা দিয়েছেন এ হাদীসে। কোন মানুষ কাউকে ক্ষতি করতে পারে না, পারে না কারো উপকার করতে। যদি তাকদীরে তা আল্লাহ না লিখে থাকেন।
আট. তাকদীরে যা লেখা হয়েছে মানুষ তা কিছুই পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে না। তা অবশ্যই অর্জিত হবে। ‘কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে আর খাতা শুকিয়ে গেছে’ কথা দ্বারা এটা বুঝানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ তাকদীর সম্পর্কে যখন জানে না তখন তাকে সর্বদা নিজের জন্য যা কিছু ভাল, উপকারী ও কল্যাণকর, তা অর্জন করতে চেষ্টা চালাবে। আর এর জন্যই সৎকর্ম করতে হবে অসৎকর্ম থেকে ফিরে থাকতে হবে।