১
পর্দা কেন
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইসমাঈল আল-মুকাদ্দিম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
الحمد لله رب العالمين , الرحمن الرحيم , مالكِ يوم الدين , والعاقبة للمتقين , ولا عدوان إلا على الظالمين .
اللَّهم صلِّ وسلِّم وبارِك على عبدك ورسولك محمد , وعلى آله وصحبه أجمعين .
সমস্ত প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি অতিশয় দয়ালু ও পরম করুণাময় এবং যিনি বিচার দিনের মালিক। আর উত্তম পরিণতি কেবলই মুত্তাকীদের জন্য। একমাত্র যালিম ছাড়া আর কারো জন্য কোনো প্রকার শত্রুতা নেই। হে আল্লাহ! তুমি সালাত ও সালাম নাযিল কর এবং বরকত দান কর তোমার বান্দা ও তোমার রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এবং তার পরিবার-পরিজন ও তার সমস্ত সাহাবীদের ওপর। ‘আমীন’।
ইসলামী শরী‘আতের মাধ্যমে নারীরা অনেক বড় নি‘আমত, দয়া, সহানুভূতি ও উপকার লাভ করেছে। যেমন, ইসলাম নারীদের ইজ্জত-সম্মান ও পাক-পবিত্রতা রক্ষা করেছে এবং তাদের সম্ভ্রম রক্ষার গ্যারান্টি দিয়েছে। ইসলাম নারীদের উচ্চ মর্যাদার আসন দিয়েছে, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু নারীদের জন্য ইসলাম লেবাস-পোশাক, সৌন্দর্য প্রদর্শন ও চলা ফেরা ইত্যাদির ক্ষেত্রে যেসব বিধি-নিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, তা শুধু সামাজিক অনিষ্টতা ও ফিতনা-ফাসাদ থেকে বাঁচার যাবতীয় উপায় উপকরণের পথকে বন্ধ করার নিমিত্তেই করেছে। নারীদের প্রতি অবিচার কিংবা কোনো প্রকার বৈষম্য সৃষ্টির জন্য করে নি। ইসলাম তাদের জন্য বিধি-নিষেধ আরোপ করে তাদের স্বাধীনতা হরণ করা কিংবা তাদের গৃহবন্দী করার জন্য করে নি; বরং তারা যাতে তাদের জীবনে চলার পথে চরম অবনতি ও অপমানের খপ্পরে না পড়ে এবং তারা যাতে মানুষের দৃষ্টির লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত না হয়, তা থেকে বাঁচানোর জন্য ইসলাম বিধি-নিষেধ ও পর্দা করার বিধান নাযিল করেন।
আমরা আমাদের এ সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে পর্দার ফযিলত সম্পর্কে আলোচনা করব, যাতে পর্দার প্রতি নারীদের আগ্রহ তৈরি হয়। এ ছাড়াও পর্দার সৌন্দর্য, উত্তম পরিণতি ও ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করব, যাতে পর্দার প্রতি আগ্রহ থাকে। তারপর আলোচনা করব সৌন্দর্য প্রদর্শন ও পর্দা না করার ভয়াবহ পরিণতি, দুনিয়া ও আখিরাতে সৌন্দর্য প্রদর্শন বা পর্দাহীনতার কুফল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের ইচ্ছার নিত্য সঙ্গী, তিনিই আমাদের সবকিছু এবং উত্তম অভিভাবক।
اللَّهم صلِّ وسلِّم وبارِك على عبدك ورسولك محمد , وعلى آله وصحبه أجمعين .
সমস্ত প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি অতিশয় দয়ালু ও পরম করুণাময় এবং যিনি বিচার দিনের মালিক। আর উত্তম পরিণতি কেবলই মুত্তাকীদের জন্য। একমাত্র যালিম ছাড়া আর কারো জন্য কোনো প্রকার শত্রুতা নেই। হে আল্লাহ! তুমি সালাত ও সালাম নাযিল কর এবং বরকত দান কর তোমার বান্দা ও তোমার রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এবং তার পরিবার-পরিজন ও তার সমস্ত সাহাবীদের ওপর। ‘আমীন’।
ইসলামী শরী‘আতের মাধ্যমে নারীরা অনেক বড় নি‘আমত, দয়া, সহানুভূতি ও উপকার লাভ করেছে। যেমন, ইসলাম নারীদের ইজ্জত-সম্মান ও পাক-পবিত্রতা রক্ষা করেছে এবং তাদের সম্ভ্রম রক্ষার গ্যারান্টি দিয়েছে। ইসলাম নারীদের উচ্চ মর্যাদার আসন দিয়েছে, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু নারীদের জন্য ইসলাম লেবাস-পোশাক, সৌন্দর্য প্রদর্শন ও চলা ফেরা ইত্যাদির ক্ষেত্রে যেসব বিধি-নিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, তা শুধু সামাজিক অনিষ্টতা ও ফিতনা-ফাসাদ থেকে বাঁচার যাবতীয় উপায় উপকরণের পথকে বন্ধ করার নিমিত্তেই করেছে। নারীদের প্রতি অবিচার কিংবা কোনো প্রকার বৈষম্য সৃষ্টির জন্য করে নি। ইসলাম তাদের জন্য বিধি-নিষেধ আরোপ করে তাদের স্বাধীনতা হরণ করা কিংবা তাদের গৃহবন্দী করার জন্য করে নি; বরং তারা যাতে তাদের জীবনে চলার পথে চরম অবনতি ও অপমানের খপ্পরে না পড়ে এবং তারা যাতে মানুষের দৃষ্টির লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত না হয়, তা থেকে বাঁচানোর জন্য ইসলাম বিধি-নিষেধ ও পর্দা করার বিধান নাযিল করেন।
আমরা আমাদের এ সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে পর্দার ফযিলত সম্পর্কে আলোচনা করব, যাতে পর্দার প্রতি নারীদের আগ্রহ তৈরি হয়। এ ছাড়াও পর্দার সৌন্দর্য, উত্তম পরিণতি ও ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করব, যাতে পর্দার প্রতি আগ্রহ থাকে। তারপর আলোচনা করব সৌন্দর্য প্রদর্শন ও পর্দা না করার ভয়াবহ পরিণতি, দুনিয়া ও আখিরাতে সৌন্দর্য প্রদর্শন বা পর্দাহীনতার কুফল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের ইচ্ছার নিত্য সঙ্গী, তিনিই আমাদের সবকিছু এবং উত্তম অভিভাবক।