১
অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা
লেখকঃ মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
কর্মতৎপরতা
এভাবে একজন লোক যদি সারা মাস ধরে ক্রোধ-আক্রোশ এড়িয়ে চলার অভ্যাস করে, অন্যদের ওপর বাড়াবাড়ি করা থেকেও বিরত থাকে, তাহলে পরবর্তী এগারো মাসকাল এ অভ্যাসের শক্তি দিয়ে সকল প্রকার অবাঞ্ছিত পরিস্থিতিতে এসব এড়িয়ে চলতে সক্ষম হবে -এটাইতো আশা করা যায়। মানুষের ওপর সর্বাধিক প্রভাব ও কর্তৃত্ব খাটায় মানুষের ইচ্ছা শক্তি। সে ইচ্ছাশক্তিই যদি একমাসকাল ধরে উক্তরূপ নিয়ন্ত্রণ মেনে চলতে অভ্যস্ত হয়, তাহলে সে তার ঈমানী শক্তিকে প্রবল ও অনমনীয় ইচ্ছাশক্তির ওপর বিজয়ী করে এবং তাকে শরী‘আতের বিধানের আওতায় নিয়ন্ত্রিত রাখতে সক্ষম হবে। এ উদ্দেশ্যেই সাওমের এ সুমহান ব্যবস্থা ইসলামী শরী‘আতে গ্রহণ করা হয়েছে।
উপরোক্ত দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে যে বিষয়টি স্পষ্ট ও সর্বজন স্বীকৃত যা কুরআন-সুন্নাহ দ্বারাও সাব্যস্ত রয়েছে তা হচ্ছে, ব্যক্তির ইবাদাত-বন্দেগী দ্বারা আল্লাহর কোনো প্রকার লাভ-লোকসান নেই। বিশেষ করে সিয়াম পালনের মাধ্যমে ব্যক্তি যে উপোস করার মাধ্যমে পানাহারজনিত কষ্ট স্বীকার করেন বা সাচ্ছন্দে মেনে নেন এতেও আল্লাহর কোনো লাভ নেই বরং বান্দাকে আল্লাহর নির্দেশ মান্য করতে যোগ্য কর তুলতে, আল্লাহর ইবাদাতকারীরূপে তৈরি করতে, অপরাধমুক্ত সুশিল সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে সিয়ামের এ ব্যবস্থা একান্তই জরুরী চির কার্যকর এবং পরীক্ষিত বিষয়। আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী এবং তাঁর হুকুম-আহকাম বা বিধি-বিধান প্রণয়নের অন্যতম প্রধান প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যে যে সমাজকে অপরাধ মুক্ত করণের মাধ্যমে এখানে সার্বক্ষনিক সুখ-শান্তি ও নিয়ম সৃঙ্খলা বিধান করা এ বিষয়টি অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তি মাত্রই অনুধাবন করতে পারে। তাই আমাদের জন্য এটা একান্তভাবে করণীয় যে, রমযানের সাওম ছাড়াও বছরের অন্যান্য দিনগুলোতেও সুন্নত, নফল, মুস্তাহাব ইত্যাদি সাওম রাখা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা। তাহলে সাওমর জান্নাতী পরশের ছোঁয়ায় আমাদের সমাজ অবশ্যই অপরাধমুক্ত সমাজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
পরিশেষে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, সাওমের মাধ্যমে মানুষের পাশবিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর আত্মিক শক্তি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ প্রবণতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। সাওম পালনের মাধ্যমে ব্যক্তি যখন আত্মসংযম ও নিয়ন্ত্রণের গুণাবলী অর্জনে সক্ষম হয় তখন সে সর্বপ্রকার অন্যায়-অপরাধ থেকে দূরে থাকে। আর এ অর্থেই হাদীসে সিয়াম ‘ঢাল’ রূপে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সাওম ব্যক্তিকে যাবতীয় পাপ থেকে বাঁচায় যেমনি ঢাল ব্যক্তিকে যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর আঘাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
উপরোক্ত দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে যে বিষয়টি স্পষ্ট ও সর্বজন স্বীকৃত যা কুরআন-সুন্নাহ দ্বারাও সাব্যস্ত রয়েছে তা হচ্ছে, ব্যক্তির ইবাদাত-বন্দেগী দ্বারা আল্লাহর কোনো প্রকার লাভ-লোকসান নেই। বিশেষ করে সিয়াম পালনের মাধ্যমে ব্যক্তি যে উপোস করার মাধ্যমে পানাহারজনিত কষ্ট স্বীকার করেন বা সাচ্ছন্দে মেনে নেন এতেও আল্লাহর কোনো লাভ নেই বরং বান্দাকে আল্লাহর নির্দেশ মান্য করতে যোগ্য কর তুলতে, আল্লাহর ইবাদাতকারীরূপে তৈরি করতে, অপরাধমুক্ত সুশিল সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে সিয়ামের এ ব্যবস্থা একান্তই জরুরী চির কার্যকর এবং পরীক্ষিত বিষয়। আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী এবং তাঁর হুকুম-আহকাম বা বিধি-বিধান প্রণয়নের অন্যতম প্রধান প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যে যে সমাজকে অপরাধ মুক্ত করণের মাধ্যমে এখানে সার্বক্ষনিক সুখ-শান্তি ও নিয়ম সৃঙ্খলা বিধান করা এ বিষয়টি অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তি মাত্রই অনুধাবন করতে পারে। তাই আমাদের জন্য এটা একান্তভাবে করণীয় যে, রমযানের সাওম ছাড়াও বছরের অন্যান্য দিনগুলোতেও সুন্নত, নফল, মুস্তাহাব ইত্যাদি সাওম রাখা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা। তাহলে সাওমর জান্নাতী পরশের ছোঁয়ায় আমাদের সমাজ অবশ্যই অপরাধমুক্ত সমাজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
পরিশেষে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, সাওমের মাধ্যমে মানুষের পাশবিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর আত্মিক শক্তি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ প্রবণতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। সাওম পালনের মাধ্যমে ব্যক্তি যখন আত্মসংযম ও নিয়ন্ত্রণের গুণাবলী অর্জনে সক্ষম হয় তখন সে সর্বপ্রকার অন্যায়-অপরাধ থেকে দূরে থাকে। আর এ অর্থেই হাদীসে সিয়াম ‘ঢাল’ রূপে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সাওম ব্যক্তিকে যাবতীয় পাপ থেকে বাঁচায় যেমনি ঢাল ব্যক্তিকে যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর আঘাত থেকে রক্ষা করে থাকে।