১
অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা
লেখকঃ মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
আত্মসংযম
অপরাধ প্রবণতা সংঘটিত করার ক্ষেত্রে মানুষের আত্মসংযমের ভূমিকাও কম নয়। অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি বিরাট অন্তরায় সৃষ্টি করে। সিয়াম মানুষের আত্মসংযমের মতো বলিষ্ঠ অনুশীলনের ব্যবস্থা করে সমাজকে অপরাধমুক্ত করার প্রয়াস গ্রহণ করেছে। রমযান মাসের সাওম মানুষকে সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। রমযান মাসের সাওম সাওম পালনকারীদের হাত পা মুখ ও অন্তকরণকে সংযত করে। সাওম পালনকারী ব্যক্তিদের চক্ষু, কান, জিহ্বা, হাত সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে যাবতীয় গুনাহের কাজ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে। যেমন, চোখকে অবৈধ দৃষ্টিপাত থেকে ফিরিয়ে রাখা। এ জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫টি বিষয়ে সাওম পালনকারীদের আত্মসংযমী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মিথ্যা না বলা, কুটনামী না করা, পশ্চাতে পরনিন্দা না করা, মিথ্য শপথ করা ও কামভাব সহকারে দৃষ্টিপাত করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “সাওম ঢালস্বরূপ। সুতরাং সাওম অবস্থায় যেন অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকে এবং অজ্ঞ মুর্খের মতো কোনো কাজ না করে। কেউ যদি তার সাথে ঝগড়া-ফ্যাসাদ করতে চায় অথবা গালি দেয় তবে সে যেন দুইবার বলে, আমি সাওম পালনকারী।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৬১।]
এ আলোচনা থেকে এটাও প্রতীয়মান হয় যে, রমযান মাসে সাওম পালনকারী ব্যক্তির ন্যায় বছরের অন্যান্য মাসে নিজেকে আত্মসংযমী করলে অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
এ আলোচনা থেকে এটাও প্রতীয়মান হয় যে, রমযান মাসে সাওম পালনকারী ব্যক্তির ন্যায় বছরের অন্যান্য মাসে নিজেকে আত্মসংযমী করলে অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।