১
একজন সফল গার্ডিয়ানের গুণাবলি
লেখকঃ মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
তিন. দয়া ও কোমলতা প্রদর্শন এবং হিংস্রতা থেকে দূরে থাকা
আয়েশা (রাযি:) থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ দয়ালু, তিনি কোমলতাকে পছন্দ করেন। তিনি কোমলতার বিপরীতে দেন যা তিনি সহিংসতার বিপরীতে দেন না, কোমলতা ব্যতীত অন্য কিছুর বিপরীতে দেন না। [মুসলিম]
আয়েশা (রাযি:) থেকে আরেকটি হাদিসে এসেছে, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ কোমলতাপূর্ণ, তিনি সকল বিষয়ে কোমলতাকে পছন্দ করেন’। [ বুখারি ও মুসলিম]
জারির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযি:) থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যাকে কোমলতা থেকে বঞ্চিত করা হল তাকে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত করা হল’। [মুসলিম]
ইমাম আহমদ আয়েশা (রাযি:) হতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাকে খেতাব করে বলেছেন, হে আয়েশা! তুমি কোমলতা অবলম্বন করো; কেননা আল্লাহ তাআলা যখন কোনো পরিবারের কল্যাণ চান তখন তাদেরকে কোমলতার পথ দেখান, - অন্য এক বর্ণনা মতে- আল্লাহ যখন কোনো পরিবারের কল্যাণ চান, তিনি তাদের মধ্যে কোমলতার প্রবেশ ঘটান’। [আহমদ]
শিশুদের প্রতি কোমলতা প্রদর্শনের একটি অতি উজ্জ্বল উদাহরণ হল, নামাজরত অবস্থায় হাসান ও হুসাইন (রাযি:) এর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র পিঠে আরোহণ করার ঘটনা। আবু হুরায়রা (রাযি:) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এশার নামাজ আদয়রত ছিলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ পড়ছিলেন। তিনি যখন সেজদায় যেতেন হাসান ও হুসাইন (রাযি:) তাঁর পিঠে লাফ দিয়ে উঠত। তিনি যখন সেজদা থেকে মাথা উঠাতেন তাদেরকে ধরে হালকাভাবে রাখতেন। তিনি যখন আবার সেজদায় যেতেই তারা পুনরায় ফিরে আসত। অতঃপর তিনি যখন নামাজ শেষ করলেন একজনকে এখানে ও অন্যজনকে ওখানে রাখলেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম এবং বললাম, য়্যা রাসূলাল্লাহ! আমি কে এদেরকে তাদের মায়ের কাছে নিয়ে যাবো? তিনি বললেন, না। অতঃপর আকাশে বিদ্যুৎ চমকাল। তিনি তাদেরকে বললেন, ‘ তোমরা তোমাদের মায়ের কাছে যাও’। তারা সে বিদ্যুতের আলোতে চলতে চলতে বাড়িতে গিয়ে প্রবেশ করল। [হাকেম:৩/১৬৭]
আয়েশা (রাযি:) থেকে আরেকটি হাদিসে এসেছে, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ কোমলতাপূর্ণ, তিনি সকল বিষয়ে কোমলতাকে পছন্দ করেন’। [ বুখারি ও মুসলিম]
জারির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযি:) থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যাকে কোমলতা থেকে বঞ্চিত করা হল তাকে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত করা হল’। [মুসলিম]
ইমাম আহমদ আয়েশা (রাযি:) হতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাকে খেতাব করে বলেছেন, হে আয়েশা! তুমি কোমলতা অবলম্বন করো; কেননা আল্লাহ তাআলা যখন কোনো পরিবারের কল্যাণ চান তখন তাদেরকে কোমলতার পথ দেখান, - অন্য এক বর্ণনা মতে- আল্লাহ যখন কোনো পরিবারের কল্যাণ চান, তিনি তাদের মধ্যে কোমলতার প্রবেশ ঘটান’। [আহমদ]
শিশুদের প্রতি কোমলতা প্রদর্শনের একটি অতি উজ্জ্বল উদাহরণ হল, নামাজরত অবস্থায় হাসান ও হুসাইন (রাযি:) এর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র পিঠে আরোহণ করার ঘটনা। আবু হুরায়রা (রাযি:) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এশার নামাজ আদয়রত ছিলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ পড়ছিলেন। তিনি যখন সেজদায় যেতেন হাসান ও হুসাইন (রাযি:) তাঁর পিঠে লাফ দিয়ে উঠত। তিনি যখন সেজদা থেকে মাথা উঠাতেন তাদেরকে ধরে হালকাভাবে রাখতেন। তিনি যখন আবার সেজদায় যেতেই তারা পুনরায় ফিরে আসত। অতঃপর তিনি যখন নামাজ শেষ করলেন একজনকে এখানে ও অন্যজনকে ওখানে রাখলেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম এবং বললাম, য়্যা রাসূলাল্লাহ! আমি কে এদেরকে তাদের মায়ের কাছে নিয়ে যাবো? তিনি বললেন, না। অতঃপর আকাশে বিদ্যুৎ চমকাল। তিনি তাদেরকে বললেন, ‘ তোমরা তোমাদের মায়ের কাছে যাও’। তারা সে বিদ্যুতের আলোতে চলতে চলতে বাড়িতে গিয়ে প্রবেশ করল। [হাকেম:৩/১৬৭]