১
সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
আপনার কাজের মান বাড়ান :
আপনি যে কাজই করেন না কেন তা আরো ভালো করার অবকাশ রাখে। তাই সর্বদা আপনি যত ভালো পাফরমেন্স করবেন।, যত উত্তম ও মানসম্পন্ন কাজ দেখাবেন, আপনার মূল্য ও সম্মান তত বৃদ্ধি পাবে। মানসম্পন্ন কাজের ফল পেতে সময়ও লাগে কম। শুধু ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক দিন মাত্র ত্রিশ মিনিট কাজ করে একজন সাধারণ মানুষ যে টাইপিং শিখছে, আপনি টাইপিংয়ের গতি দ্বিগুণ বাড়াতে পারেন। মনে রাখবেন, ধারাবাহিকতা ও অবিচলতা সব সময় সাফল্য বয়ে আনে। কোনো কাজে যদি জমে থাকতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি সফলকাম হবেন। মূল্যায়ন পর্যালোচনার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আমরা যে বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের যুগে বাস করছি সেখানে প্রতিদিন প্রতিক্ষণ পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। মানুষ পরিচিত হচ্ছে নিত্যনতুন প্রযুক্তির সাথে। আপনি যে অঙ্গনে কাজ করছেন- দ্রুত পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগছে সেখানেও। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি উদাসীনতা দেখান তাহলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন। তাই উচিত হলো বছরে অন্তত একবার হলেও নিজেকে মূল্যায়ন করুন, নিজেই নিজেকে মাপুন। এবং নিজের কাজের হিসাব নিন, নিজের দুর্বলতা ও সফলতার খতিয়ান নিন। ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা উমর ইবন খাত্তাব রাদিআল্লাহ আনহু তাঁর খিলাফতের প্রথম খুতবায় বলেন,
حاسِبُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُحَاسَبُوا وَزِنُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْل أَنْ تُوزَنُوا ، وَتَزَيَّنُوا لِلْعَرْضِ الأَكْبَرِ ، يَوْمَ تُعْرَضُونَ لاَ تَخْفَى مِنْكُمْ خَافِيَةٌ .
‘তোমাদের কাছে হিসাব চাওয়ার পূর্বে নিজেরাই নিজেদের হিসাব করে নাও, তোমাদের আমল ওজন করার পূর্বে নিজেরাই নিজেদের আমলসমূহ ওজন করে নাও, কিয়ামত দিবসে পেশ হওয়ার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তত কর, সুসজ্জিত হও, যেদিন তোমার কাছে কোনো কিছু অস্পষ্ট থাকবে না।’ [ইবন আবী শাইবা, মুসান্নাফ : ৩৫৬০০]
কমপক্ষে একবার বিগত বছরের পারফরমেন্স মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করুন। ভেবে দেখুন, যা করেছেন বা করছেন তা এখানে অব্যাহত রাখবেন কি-না, এতে কোনো পরিবর্তন আনা দরকার কি-না। এভাবে গত বছরের কাজের সাফল্য-ব্যার্থতা পর্যালোচনা করে সামনের পথ নির্ধারণ করুন আর ভেবে চিন্তে কাজ করুন। কারণ, শাদ্দাদ বিন আউস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الْكَيِّسُ : مَنْ دَانَ نَفْسَهُ وَعَمِلَ لِمَا بَعْدَ الْمَوْتِ، وَالْعَاجِزُ : مَنِ اتْبَعَ نَفْسَهُ هَوَاهَا، وَتَمَنَّى عَلَى اللهِ» .
‘যে ব্যক্তি নফসকে কন্ট্রোল করে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য আমল করে সে-ই প্রকৃত বুদ্ধিমান। আর যে ব্যক্তি নিজের নফসের অনুসরণ করে ও আল্লাহর উপর আকাঙ্খা পোষণ করে সে-ই অক্ষম।’ [তিরমিযী : ২৬৪৬; মুসনাদ আহমদ : ১৭১২৩]
حاسِبُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُحَاسَبُوا وَزِنُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْل أَنْ تُوزَنُوا ، وَتَزَيَّنُوا لِلْعَرْضِ الأَكْبَرِ ، يَوْمَ تُعْرَضُونَ لاَ تَخْفَى مِنْكُمْ خَافِيَةٌ .
‘তোমাদের কাছে হিসাব চাওয়ার পূর্বে নিজেরাই নিজেদের হিসাব করে নাও, তোমাদের আমল ওজন করার পূর্বে নিজেরাই নিজেদের আমলসমূহ ওজন করে নাও, কিয়ামত দিবসে পেশ হওয়ার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তত কর, সুসজ্জিত হও, যেদিন তোমার কাছে কোনো কিছু অস্পষ্ট থাকবে না।’ [ইবন আবী শাইবা, মুসান্নাফ : ৩৫৬০০]
কমপক্ষে একবার বিগত বছরের পারফরমেন্স মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করুন। ভেবে দেখুন, যা করেছেন বা করছেন তা এখানে অব্যাহত রাখবেন কি-না, এতে কোনো পরিবর্তন আনা দরকার কি-না। এভাবে গত বছরের কাজের সাফল্য-ব্যার্থতা পর্যালোচনা করে সামনের পথ নির্ধারণ করুন আর ভেবে চিন্তে কাজ করুন। কারণ, শাদ্দাদ বিন আউস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الْكَيِّسُ : مَنْ دَانَ نَفْسَهُ وَعَمِلَ لِمَا بَعْدَ الْمَوْتِ، وَالْعَاجِزُ : مَنِ اتْبَعَ نَفْسَهُ هَوَاهَا، وَتَمَنَّى عَلَى اللهِ» .
‘যে ব্যক্তি নফসকে কন্ট্রোল করে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য আমল করে সে-ই প্রকৃত বুদ্ধিমান। আর যে ব্যক্তি নিজের নফসের অনুসরণ করে ও আল্লাহর উপর আকাঙ্খা পোষণ করে সে-ই অক্ষম।’ [তিরমিযী : ২৬৪৬; মুসনাদ আহমদ : ১৭১২৩]