১
গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
দুঃখের পাশেই থাকে সুখ
হ্যাঁ, দুঃখ-রজনী যতো দীর্ঘই হোক, আড়ালেই তার লুকিয়ে থাকে আলোকিত উষা! সেই দুঃখ-রজনীর গায়ে যখন আলোকিত ঊষা তাপ ছড়ায়, তখন অন্ধকার গলে গলে নেই হয়ে যায়!
বিস্ময়-বিহ্বল খোযায়মা কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। থলেটা উঠিয়ে নিতে নিতে মুখে একটা স্বর্গীয় হাসি ফুটিয়ে আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন- ‘শোকর তোমার হে মাওলা!’
ভিতরে এসে খোযায়মা হর্ষধ্বনি করে উঠলেন, ‘দেখো, দেখো! আল্লাহ কতো তাড়াতাড়ি সাহায্য পাঠিয়ে দিয়েছেন! বাতি জ্বালো! অন্ধকার দূর করো!’
শত বেদনার ভিতরেও স্ত্রীর মুখে হাসি ফুটে উঠলো। বললো, ‘বাতি জ্বালাবো! কিন্তু তেল যে নেই!”
খোযায়মা লজ্জিত হয়ে বললেন, “ও তাইতো, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।’
কিন্তু ঘুটঘুটে অন্ধকারেও যখন সোনার আশরাফিগুলো ঝলমল করে উঠলো, দু’জনের মুখ থেকেই এক সাথে উচ্চারিত হলো- “আলহামদুলিল্লাহ! শোকর তোমার হে আল্লাহ!’
বন্ধু!
কে এই আঁধার রাতের ঘোড়সওয়ার?
অকৃতজ্ঞ মানুষের মাশুল আদায়কারী?
মাটির মানুষ না আসমানের ফেরেশতা?
আকৃতিতে মাটিরই মানুষ। কিন্তু যদি বলি মহত্ত্বে ফেরেশতা থেকেও অনেক উঁচুতে তাঁর অবস্থান- তাহলে তুমি কি পারবে ‘না’ বলতে? কিন্তু তাঁর পরিচয়? দাঁড়াও, বলছি।
বিস্ময়-বিহ্বল খোযায়মা কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। থলেটা উঠিয়ে নিতে নিতে মুখে একটা স্বর্গীয় হাসি ফুটিয়ে আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন- ‘শোকর তোমার হে মাওলা!’
ভিতরে এসে খোযায়মা হর্ষধ্বনি করে উঠলেন, ‘দেখো, দেখো! আল্লাহ কতো তাড়াতাড়ি সাহায্য পাঠিয়ে দিয়েছেন! বাতি জ্বালো! অন্ধকার দূর করো!’
শত বেদনার ভিতরেও স্ত্রীর মুখে হাসি ফুটে উঠলো। বললো, ‘বাতি জ্বালাবো! কিন্তু তেল যে নেই!”
খোযায়মা লজ্জিত হয়ে বললেন, “ও তাইতো, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।’
কিন্তু ঘুটঘুটে অন্ধকারেও যখন সোনার আশরাফিগুলো ঝলমল করে উঠলো, দু’জনের মুখ থেকেই এক সাথে উচ্চারিত হলো- “আলহামদুলিল্লাহ! শোকর তোমার হে আল্লাহ!’
বন্ধু!
কে এই আঁধার রাতের ঘোড়সওয়ার?
অকৃতজ্ঞ মানুষের মাশুল আদায়কারী?
মাটির মানুষ না আসমানের ফেরেশতা?
আকৃতিতে মাটিরই মানুষ। কিন্তু যদি বলি মহত্ত্বে ফেরেশতা থেকেও অনেক উঁচুতে তাঁর অবস্থান- তাহলে তুমি কি পারবে ‘না’ বলতে? কিন্তু তাঁর পরিচয়? দাঁড়াও, বলছি।