১
গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
মুক্তির অব্যর্থ অস্ত্র
ইকরামার স্ত্রী তলব করলেন তার খাস দাসীকে! তারপর সব কিছু বুঝিয়ে তাকে পাঠিয়ে দিলেন সেই অস্ত্র দিয়ে শাসনকর্তার মহলে।
বুদ্ধিমতী দাসী একান্ত সাক্ষাতের অনুমতি নিয়ে আমীরের সামনে। হাজির হলো এবং তার চোখে চোখ রেখে বললো, ‘আমীর! আমার মালিকান বলেছেন, সেই মুখোশধারী ঘোড়সওয়ারকে স্মরণ করুন!’
আমীর খোযায়মা দাসীর কথায় চমকে উঠলেন! তৎক্ষণাৎ আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং অস্থির কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে তিনি? কোথায় তিনি??’
দাসী বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে বললো, ‘আপনার কারাগারে আপনারই আদেশে বন্দি- ইকরামা ফাইয়ায!’
ইকরামা!! গোটা জগৎসংসার যেনো খোযায়মা’র সামনে দুলে উঠলো। তাঁর মনে পড়ে গেলো কোষাগারে রক্ষিত চার হাজার দিনার সংক্রান্ত ‘অসীয়ত নামার কথা, যার উত্তর তিনি পান নি ইকরামার কাছে। এখন সব কিছু যেনো তার সামনে জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেলো। সেই মুহূর্তেই তিনি ছুটলেন কারাগারের পথে। উপস্থিত সবাই হতভম্ব অবস্থায় অনুসরণ করলো আমীরকে। ইকরামার সামনে গিয়ে খোযায়মা যখন দাঁড়ালেন, তখন লজ্জায় অনুশোচনায় মাথা তোলা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিলো না।
অবনত মস্তকে তিনি শুধু বলতে পারলেন, ‘আমার ভুল ক্ষমা করো বন্ধু!’
ইকরামা কোনো উত্তর করলেন না। তাঁর মুখমণ্ডলে মুক্তির আনন্দোদ্ভাসও দেখা দিলো না। তার শুধু আফসোস হলো বুদ্ধিমতী স্ত্রী এ কী করলেন!
বুদ্ধিমতী দাসী একান্ত সাক্ষাতের অনুমতি নিয়ে আমীরের সামনে। হাজির হলো এবং তার চোখে চোখ রেখে বললো, ‘আমীর! আমার মালিকান বলেছেন, সেই মুখোশধারী ঘোড়সওয়ারকে স্মরণ করুন!’
আমীর খোযায়মা দাসীর কথায় চমকে উঠলেন! তৎক্ষণাৎ আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং অস্থির কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে তিনি? কোথায় তিনি??’
দাসী বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে বললো, ‘আপনার কারাগারে আপনারই আদেশে বন্দি- ইকরামা ফাইয়ায!’
ইকরামা!! গোটা জগৎসংসার যেনো খোযায়মা’র সামনে দুলে উঠলো। তাঁর মনে পড়ে গেলো কোষাগারে রক্ষিত চার হাজার দিনার সংক্রান্ত ‘অসীয়ত নামার কথা, যার উত্তর তিনি পান নি ইকরামার কাছে। এখন সব কিছু যেনো তার সামনে জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেলো। সেই মুহূর্তেই তিনি ছুটলেন কারাগারের পথে। উপস্থিত সবাই হতভম্ব অবস্থায় অনুসরণ করলো আমীরকে। ইকরামার সামনে গিয়ে খোযায়মা যখন দাঁড়ালেন, তখন লজ্জায় অনুশোচনায় মাথা তোলা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিলো না।
অবনত মস্তকে তিনি শুধু বলতে পারলেন, ‘আমার ভুল ক্ষমা করো বন্ধু!’
ইকরামা কোনো উত্তর করলেন না। তাঁর মুখমণ্ডলে মুক্তির আনন্দোদ্ভাসও দেখা দিলো না। তার শুধু আফসোস হলো বুদ্ধিমতী স্ত্রী এ কী করলেন!