১
আয়াতে তাতহীর ও হাদিসে কিসার অর্থ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
(গ). আহলে বায়েত দ্বারা যদি নবীগণের স্ত্রী উদ্দেশ্য হয়, পুংলিঙ্গের “মীম” দ্বারা কেন সম্বোধন করা হল?
একই আয়াতের প্রথমাংশে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের সম্বোধন করে স্ত্রী লিঙ্গের “নুন” ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন: ﴿ وَقَرۡنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ ٱلۡجَٰهِلِيَّةِ ٱلۡأُولَىٰۖ وَأَقِمۡنَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتِينَ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِعۡنَ ٱللَّهَ وَرَسُولَه ইত্যাদি, অতঃপর আয়াতের দ্বিতীয়াংশে পুংলিঙ্গের মীম ও সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন: إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذۡهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجۡسَ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِ وَيُطَهِّرَكُمۡ تَطۡهِيرٗا ٣٣ ﴾ এর কারণ, আয়াতের প্রথমাংশের আদেশ ও নিষেধে শুধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ উদ্দেশ্যে ছিল, কিন্তু এসব আদেশ ও নিষেধের মূল উদ্দেশ্য তাদেরকে পবিত্র করা, তার পরিবার থেকে দুর্নাম ও কু-শ্রুতি দূর করা, যেখানে পরিবারের প্রধান হিসেবে রাসূল নিজেও শামিল, তাই তাকে প্রাধান্য দিয়ে সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে পুংলিঙ্গের (মীম) ব্যবহার করা হয়েছে।
একই কারণে সূরা হুদে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্ত্রীকে সম্বোধন করে স্ত্রী লিঙ্গের নুন দ্বারা আয়াতের শুরু হলেও শেষে পুংলিঙ্গের মীম ব্যবহার করা হয়েছে। দেখুন: আল্লাহর বাণী:
﴿ قَالُوٓاْ أَتَعۡجَبِينَ مِنۡ أَمۡرِ ٱللَّهِۖ رَحۡمَتُ ٱللَّهِ وَبَرَكَٰتُهُۥ عَلَيۡكُمۡ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِۚ ٧٣ ﴾ [ هود : ٧٣ ]
“তারা বলল, ‘আল্লাহর সিদ্ধান্তে তুমি আশ্চর্য হচ্ছ, হে নবী পরিবার তোমাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও তার বরকত”। সূরা হুদ: (৭৩) আয়াতে যদিও মূল উদ্দেশ্য ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্ত্রী, কিন্তু বরকত ও রহমত যেহেতু উভয়কে শামিল করে, তাই ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে প্রাধান্য দিয়ে পুংলিঙ্গের মীম ব্যবহার করা হয়েছে।
একই কারণে সূরা হুদে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্ত্রীকে সম্বোধন করে স্ত্রী লিঙ্গের নুন দ্বারা আয়াতের শুরু হলেও শেষে পুংলিঙ্গের মীম ব্যবহার করা হয়েছে। দেখুন: আল্লাহর বাণী:
﴿ قَالُوٓاْ أَتَعۡجَبِينَ مِنۡ أَمۡرِ ٱللَّهِۖ رَحۡمَتُ ٱللَّهِ وَبَرَكَٰتُهُۥ عَلَيۡكُمۡ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِۚ ٧٣ ﴾ [ هود : ٧٣ ]
“তারা বলল, ‘আল্লাহর সিদ্ধান্তে তুমি আশ্চর্য হচ্ছ, হে নবী পরিবার তোমাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও তার বরকত”। সূরা হুদ: (৭৩) আয়াতে যদিও মূল উদ্দেশ্য ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্ত্রী, কিন্তু বরকত ও রহমত যেহেতু উভয়কে শামিল করে, তাই ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে প্রাধান্য দিয়ে পুংলিঙ্গের মীম ব্যবহার করা হয়েছে।