১
প্রত্যেক শীয়ার প্রতি আমার নসিহত
লেখকঃ শায়খ আবু বকর জাবের আল-জাযায়েরি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
পঞ্চম বাস্তবতা
শীয়াদের বিশ্বাস: “মুসা কাজেম নিজেকে শীয়াদের মুক্তির জন্য বলি দিয়েছেন”!!!
“আল-কাফি” (খ.১), কিতাবুল হুজ্জাহ: (পৃ.২৬০) এর লেখক কুলাইনি এ বাস্তবতা বর্ণনা করেছেন এভাবে:
إن أبا الحسن الكاظم ( وهو الإمام السابع من أئمة الشيعة الاثنى عشرية ) قال : الله عز وجل، غضب على الشيعة فخيرني نفسي أو هم، فوقيتهم نفسي .
“আবু হাসান কাজেম (শীয়াদের বারো ইমামের সাত নাম্বার ইমাম), বলেন: আল্লাহ তা'আলা শীয়াদের ওপর গোস্বা করেছেন, অতঃপর আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন আমাকে গ্রহণ করব অথবা তাদেরকে গ্রহণ করব, ফলে আমি নিজেকে বিসর্জন দিয়ে তাদের রক্ষা করেছি”।
হে শীয়া, এখন চিন্তা কর এ ঘটনার পরিণাম কি, কারণ এর ওপর ইমান রাখা ও তার অর্থ বিশ্বাস করা তোমার ওপর ফরয যে, মুসা কাজেম রহ. নিজের অনুসারীদের মুক্তির জন্য নিজেকে বলি দানে রাজি হয়েছেন যেন আল্লাহ শীয়াদের ক্ষমা করেন ও বিনা হিসেবে তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেন।
হে শীয়া, -আল্লাহ তোমাকে ও আমাকে সঠিক আকিদা পোষণ করা ও তার সন্তুষ্টি মোতাবেক কথা-কর্ম সম্পাদন করার তাওফিক দিন- তুমি এ মিথ্যায় চিন্তা কর, আমি তা মিথ্যা ব্যতীত কিছু ভাবছি না, এতে সত্যের লেশমাত্র নেই, বরং তা বাস্তবতা ও সত্য থেকে বহু দূরে। তুমি চিন্তা কর, তোমার বুঝে আসবে। কারণ এ আকিদার ফলে তোমাকে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, যার একটির সাথে তোমার সম্পর্ক হোক তুমি তা পছন্দ কর না, যদি তুমি রব হিসেবে আল্লাহকে, দীন হিসেবে ইসলামকে ও নবী হিসেবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গ্রহণ কর। এবার তা শোন:
১. এ আকিদার কারণে আল্লাহর ওপর মিথ্যারোপ করা জরুরী হয় যে, তিনি মুসা কাজেমের নিকট ওহী প্রেরণ করেছেন। এ মর্মে যে তিনি শীয়াদের ওপর চটেছেন, অতঃপর তিনি তাকে অথবা তার অনুসারীদের গ্রহণ করার ইখতিয়ার দিয়েছেন, ফলে তিনি তাদের মুক্তির জন্য নিজেকে বিসর্জন দিয়েছেন। সন্দেহ নেই এটা আল্লাহর ওপর নিরেট মিথ্যা রচনা, আল্লাহ তা'আলা বলেন:
﴿وَمَنۡ أَظۡلَمُ مِمَّنِ ٱفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا ٢١﴾ [ الانعام : ٢١ ]
“আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে যে আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটনা করে”। সূরা আল-আনআম: (২১)
২. এ আকিদার কারণে মূসা কাজেম রহ. এর ওপর মিথ্যা রচনা করা হয়, কারণ তিনি নবী বা রাসূল নন, অথচ তার কথা তাই প্রমাণ করে। যেমন সে বলেছে: “আল্লাহ মুসা কাজেমকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি শীয়াদের ওপর নারাজ! অতঃপর তিনি তাকে নিজের নফস ও শীয়াদের মাঝে ইখতিয়ার দিয়েছেন, আর মুসা কাজেম তাদের মুক্তির জন্য নিজেকে বিসর্জন দানে রাজি হয়েছেন। এ কথার অর্থ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, মুসা কাজেম নবী ছিলেন!!! অথচ সকল মুসলিম এ ব্যাপারে একমত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর যে কেউ কারো সম্পর্কে নবুওয়তের বিশ্বাস করবে সে কাফের। কারণ এটা সরাসরি আল্লাহর বাণীর সাথে সংঘর্ষিক, তিনি বলেন:
﴿مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَآ أَحَدٖ مِّن رِّجَالِكُمۡ وَلَٰكِن رَّسُولَ ٱللَّهِ وَخَاتَمَ ٱلنَّبِيِّۧنَۗ ٤٠﴾ [ الاحزاب : ٤٠ ]
“মুহাম্মদ তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নয়, তবে আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী”। সূরা আহযাব: (৪০)
৪. শীয়াদের এ আকিদা খ্রীস্টানদের আকিদার ন্যায়, যেমন খ্রীস্টানরা বিশ্বাস করে ঈসা আলাইহিস সালাম মানব জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি মানব জাতিকে আল্লাহর গোস্বা ও শাস্তি থেকে সুরক্ষা দেয়া এবং তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে নিজেকে ক্রুশে চড়াতে রাজি হয়েছেন, অনুরূপ শীয়ারা বিশ্বাস করে যে, মূসা কাজেমকে তার রব দু’টির একটি বেছে নেয়ার ইখতিয়ার দিয়েছেন: তার অনুসারীদের ধ্বংস অথবা তার নিজের বিসর্জন, ফলে তিনি নিজেকে বিসর্জন দিয়ে শীয়াদেরকে আল্লাহর গোস্বা ও শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন। অতএব শীয়া ও খ্রীস্টানদের আকিদা এক, খ্রীস্টানরা কুরআনের ভাষায় কাফের, শীয়ারা কি ইমান দাবি করে কুফরি গ্রহণে সম্মত?! জনৈক কবি বলেছেন:
قد هيؤوك لأمر لو فطنت له ********** فاربأ بنفسك أن ترعى مع الهمل
[তোমাকে প্রস্তুত করেছে এক বস্তুর জন্য যদি তা বুঝ,
নিজেকে হিফাজত কর, যেন অশ্রুর সাথে ভেসে না যাও।]
হে শীয়া তুমি নিজেকে হিফাজত কর, এসব বাতিল ও অসারতা থেকে মুক্ত হও, তোমার সামনে রয়েছে আল্লাহ ও মুমিনদের পথ।
“আল-কাফি” (খ.১), কিতাবুল হুজ্জাহ: (পৃ.২৬০) এর লেখক কুলাইনি এ বাস্তবতা বর্ণনা করেছেন এভাবে:
إن أبا الحسن الكاظم ( وهو الإمام السابع من أئمة الشيعة الاثنى عشرية ) قال : الله عز وجل، غضب على الشيعة فخيرني نفسي أو هم، فوقيتهم نفسي .
“আবু হাসান কাজেম (শীয়াদের বারো ইমামের সাত নাম্বার ইমাম), বলেন: আল্লাহ তা'আলা শীয়াদের ওপর গোস্বা করেছেন, অতঃপর আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন আমাকে গ্রহণ করব অথবা তাদেরকে গ্রহণ করব, ফলে আমি নিজেকে বিসর্জন দিয়ে তাদের রক্ষা করেছি”।
হে শীয়া, এখন চিন্তা কর এ ঘটনার পরিণাম কি, কারণ এর ওপর ইমান রাখা ও তার অর্থ বিশ্বাস করা তোমার ওপর ফরয যে, মুসা কাজেম রহ. নিজের অনুসারীদের মুক্তির জন্য নিজেকে বলি দানে রাজি হয়েছেন যেন আল্লাহ শীয়াদের ক্ষমা করেন ও বিনা হিসেবে তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেন।
হে শীয়া, -আল্লাহ তোমাকে ও আমাকে সঠিক আকিদা পোষণ করা ও তার সন্তুষ্টি মোতাবেক কথা-কর্ম সম্পাদন করার তাওফিক দিন- তুমি এ মিথ্যায় চিন্তা কর, আমি তা মিথ্যা ব্যতীত কিছু ভাবছি না, এতে সত্যের লেশমাত্র নেই, বরং তা বাস্তবতা ও সত্য থেকে বহু দূরে। তুমি চিন্তা কর, তোমার বুঝে আসবে। কারণ এ আকিদার ফলে তোমাকে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, যার একটির সাথে তোমার সম্পর্ক হোক তুমি তা পছন্দ কর না, যদি তুমি রব হিসেবে আল্লাহকে, দীন হিসেবে ইসলামকে ও নবী হিসেবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গ্রহণ কর। এবার তা শোন:
১. এ আকিদার কারণে আল্লাহর ওপর মিথ্যারোপ করা জরুরী হয় যে, তিনি মুসা কাজেমের নিকট ওহী প্রেরণ করেছেন। এ মর্মে যে তিনি শীয়াদের ওপর চটেছেন, অতঃপর তিনি তাকে অথবা তার অনুসারীদের গ্রহণ করার ইখতিয়ার দিয়েছেন, ফলে তিনি তাদের মুক্তির জন্য নিজেকে বিসর্জন দিয়েছেন। সন্দেহ নেই এটা আল্লাহর ওপর নিরেট মিথ্যা রচনা, আল্লাহ তা'আলা বলেন:
﴿وَمَنۡ أَظۡلَمُ مِمَّنِ ٱفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا ٢١﴾ [ الانعام : ٢١ ]
“আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে যে আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটনা করে”। সূরা আল-আনআম: (২১)
২. এ আকিদার কারণে মূসা কাজেম রহ. এর ওপর মিথ্যা রচনা করা হয়, কারণ তিনি নবী বা রাসূল নন, অথচ তার কথা তাই প্রমাণ করে। যেমন সে বলেছে: “আল্লাহ মুসা কাজেমকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি শীয়াদের ওপর নারাজ! অতঃপর তিনি তাকে নিজের নফস ও শীয়াদের মাঝে ইখতিয়ার দিয়েছেন, আর মুসা কাজেম তাদের মুক্তির জন্য নিজেকে বিসর্জন দানে রাজি হয়েছেন। এ কথার অর্থ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, মুসা কাজেম নবী ছিলেন!!! অথচ সকল মুসলিম এ ব্যাপারে একমত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর যে কেউ কারো সম্পর্কে নবুওয়তের বিশ্বাস করবে সে কাফের। কারণ এটা সরাসরি আল্লাহর বাণীর সাথে সংঘর্ষিক, তিনি বলেন:
﴿مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَآ أَحَدٖ مِّن رِّجَالِكُمۡ وَلَٰكِن رَّسُولَ ٱللَّهِ وَخَاتَمَ ٱلنَّبِيِّۧنَۗ ٤٠﴾ [ الاحزاب : ٤٠ ]
“মুহাম্মদ তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নয়, তবে আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী”। সূরা আহযাব: (৪০)
৪. শীয়াদের এ আকিদা খ্রীস্টানদের আকিদার ন্যায়, যেমন খ্রীস্টানরা বিশ্বাস করে ঈসা আলাইহিস সালাম মানব জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি মানব জাতিকে আল্লাহর গোস্বা ও শাস্তি থেকে সুরক্ষা দেয়া এবং তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে নিজেকে ক্রুশে চড়াতে রাজি হয়েছেন, অনুরূপ শীয়ারা বিশ্বাস করে যে, মূসা কাজেমকে তার রব দু’টির একটি বেছে নেয়ার ইখতিয়ার দিয়েছেন: তার অনুসারীদের ধ্বংস অথবা তার নিজের বিসর্জন, ফলে তিনি নিজেকে বিসর্জন দিয়ে শীয়াদেরকে আল্লাহর গোস্বা ও শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন। অতএব শীয়া ও খ্রীস্টানদের আকিদা এক, খ্রীস্টানরা কুরআনের ভাষায় কাফের, শীয়ারা কি ইমান দাবি করে কুফরি গ্রহণে সম্মত?! জনৈক কবি বলেছেন:
قد هيؤوك لأمر لو فطنت له ********** فاربأ بنفسك أن ترعى مع الهمل
[তোমাকে প্রস্তুত করেছে এক বস্তুর জন্য যদি তা বুঝ,
নিজেকে হিফাজত কর, যেন অশ্রুর সাথে ভেসে না যাও।]
হে শীয়া তুমি নিজেকে হিফাজত কর, এসব বাতিল ও অসারতা থেকে মুক্ত হও, তোমার সামনে রয়েছে আল্লাহ ও মুমিনদের পথ।