১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
২. আখিরাতের নাম বিক্রি করে দুনিয়া অর্জন করা
বর্তমান সমাজে এমন কিছু লোক আছে যারা দীন দ্বারা দুনিয়া কামাই করে। দীনকে দুনিয়ার সামান্য লাভের বিনিময় বিক্রি করে দেয়। দীনের নামে ইসলামের নামে বিভিন্ন ধরনের কু-কর্ম বিদ‘আত শির্ক করে দুনিয়া উপার্জন করছে। তারা দুনিয়ার সামান্য লাভের জন্য দীনকে নষ্ট করছে।
মুতাররফ রহ. বলেন: “দুনিয়ার প্রতি সর্বনিকৃষ্ট চাহিদা হলো, আখিরাতের নাম বিক্রি করে দুনিয়া অর্জন করা [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩০।]। ফুজাইল ইবন আয়াজ রহ. বলেন, “দীনের মাধ্যমে দুনিয়া উপার্জনের তুলনায় ডোল তবলা বাজিয়ে দুনিয়া উপার্জন করা আমার নিকট বেশি প্রিয়” [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩১।]। জুনাইদ রহ. বলেন, “আমি ছুররি রহ. কে যারা দীনের দ্বারা যে দুনিয়া কামাই করে তাদের দুর্নাম করতে শুনেছি। তিনি বলতেন, “অপবিত্র কাজ হলো, একজন বান্দা তার দীন দ্বারা তার জীবিকা উপার্জন করা”।
মালেক ইবন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, “মালিকের উস্তাদ রবিয়া আর-রাঈ বলতেন, হে মালেক! হতভাগা কমবখত কে? উত্তরে তিনি বলেন, আমি বললাম, যে দীন দ্বারা জীবিকা উপার্জন করে। তারপর সে আবার জিজ্ঞাসা করল, কে তার চেয়ে আরও নিকৃষ্ট কমবখত? সে উত্তরে বলল, যে অন্যের দুনিয়াকে সুন্দর করে নিজের দীনকে বাদ দিয়ে। সে বললেন, আমার উত্তর শুনে আমার উস্তাদ খুব খুশি হলেন এবং আমাকে সাবাস দিলেন” [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩২।]।
আব্দুল্লাহ ইবন মুবারককে জিজ্ঞাসা করা হলো, প্রকৃত মানুষ কে? উত্তরে সে বলল, আলিমগণ। তারপর জিজ্ঞাসা করা হলো, বাদশাহ কারা? উত্তরে সে বলল, আবেদগণ। তারপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কমবখত কারা? উত্তরে সে বলল, যারা দীনের দ্বারা দুনিয়া কামাই করে [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩৩।]।
মুতাররফ রহ. বলেন: “দুনিয়ার প্রতি সর্বনিকৃষ্ট চাহিদা হলো, আখিরাতের নাম বিক্রি করে দুনিয়া অর্জন করা [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩০।]। ফুজাইল ইবন আয়াজ রহ. বলেন, “দীনের মাধ্যমে দুনিয়া উপার্জনের তুলনায় ডোল তবলা বাজিয়ে দুনিয়া উপার্জন করা আমার নিকট বেশি প্রিয়” [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩১।]। জুনাইদ রহ. বলেন, “আমি ছুররি রহ. কে যারা দীনের দ্বারা যে দুনিয়া কামাই করে তাদের দুর্নাম করতে শুনেছি। তিনি বলতেন, “অপবিত্র কাজ হলো, একজন বান্দা তার দীন দ্বারা তার জীবিকা উপার্জন করা”।
মালেক ইবন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, “মালিকের উস্তাদ রবিয়া আর-রাঈ বলতেন, হে মালেক! হতভাগা কমবখত কে? উত্তরে তিনি বলেন, আমি বললাম, যে দীন দ্বারা জীবিকা উপার্জন করে। তারপর সে আবার জিজ্ঞাসা করল, কে তার চেয়ে আরও নিকৃষ্ট কমবখত? সে উত্তরে বলল, যে অন্যের দুনিয়াকে সুন্দর করে নিজের দীনকে বাদ দিয়ে। সে বললেন, আমার উত্তর শুনে আমার উস্তাদ খুব খুশি হলেন এবং আমাকে সাবাস দিলেন” [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩২।]।
আব্দুল্লাহ ইবন মুবারককে জিজ্ঞাসা করা হলো, প্রকৃত মানুষ কে? উত্তরে সে বলল, আলিমগণ। তারপর জিজ্ঞাসা করা হলো, বাদশাহ কারা? উত্তরে সে বলল, আবেদগণ। তারপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কমবখত কারা? উত্তরে সে বলল, যারা দীনের দ্বারা দুনিয়া কামাই করে [বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৬৯৩৩।]।