১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
এগার. দুনিয়াকে মহব্বত করা থেকে বিরত থাকার ওপর ধৈর্য ধারণ করা
আল্লামা ইবন কাসীর রহ. বলেন,
“আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমে কারুন সম্পর্কে সংবাদ দিয়ে বলেন, একদিন কারুণ অত্যন্ত সেজে-গুজে তার সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট উপস্থিত হলো। তার সাথে ছিল খুব সুন্দর সুন্দর যানবাহন ও মূল্যবান পোশাক। চতুর পাশে চাকর-বাকর ও খাদেমগণ ছিল তার নিরাপত্তা প্রহরী। তাকে দেখে যারা দুনিয়ার প্রতি দুর্বল এবং দুনিয়ার সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের প্রতি লোভী, তারা বলল, হায়! কারুনের মতো যদি তাদেরও এ ধরনের ধন-সম্পদ থাকত! ... যারা প্রকৃত জ্ঞানী তারা যখন তাদের কথা শুনল, তখন তারা বলল,
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আখিরাতে তার মুমিন ও নেককার বান্দাদের যে সাওয়াব ও বিনিময় দিয়ে থাকেন, তা তোমরা এখন যা দেখছ, তা থেকে অধিক উত্তম। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٧﴾ [ السجدة :17]
“অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুমিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করতে তার বিনিময়স্বরূপ”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৭]
«أَعْدَدْتُ لِعِبَاِدي الصَّالحِينَ مَا لاعَيْن رَأَتْ، وَلا أَذُنٌ سَمِعَتْ، وَلا خَطرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ واقرؤوا إن شئتم»
“আমি আমার নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু বস্তু তৈরি করছি, যা কোনো চক্ষু দেখে নি, কোনো কর্ণ কোনো দিন শোনে নি এবং কোনো মানুষের অন্তর তা চিন্তাও করে নি। তোমরা যদি চাও পড়তে পার”।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমে বলেন,
﴿وَقَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ وَيۡلَكُمۡ ثَوَابُ ٱللَّهِ خَيۡرٞ لِّمَنۡ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗاۚ وَلَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلصَّٰبِرُونَ ٨٠﴾ [ القصص :80]
“আর যারা জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছিল, তারা বলল, ‘ধিক তোমাদেরকে! আল্লাহর প্রতিদানই উত্তম যে ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তার জন্য। আর তা শুধু সবরকারীরাই পেতে পারে।” [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৮০]
আল্লামা সুদ্দি রহ. বলেন, জান্নাতে কেবল ধৈর্যশীলদেরই প্রবেশ করানো হবে। এ কথাটি যেন যাদের মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ হতে ইলম দেওয়া হয়েছে তাদের কথারই প্রতিধ্বনি। আল্লামা ইবন জারির রহ. বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদেরই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যারা দুনিয়ার মহব্বত থেকে বিরত থাকছেন এবং তার ওপর ধৈর্য ধারণ করছেন আর দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতের প্রতি অধিক ঝুঁকে পড়ছেন। এ কথাটি যেন তাদের কথারই একটি অংশ।
“আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমে কারুন সম্পর্কে সংবাদ দিয়ে বলেন, একদিন কারুণ অত্যন্ত সেজে-গুজে তার সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট উপস্থিত হলো। তার সাথে ছিল খুব সুন্দর সুন্দর যানবাহন ও মূল্যবান পোশাক। চতুর পাশে চাকর-বাকর ও খাদেমগণ ছিল তার নিরাপত্তা প্রহরী। তাকে দেখে যারা দুনিয়ার প্রতি দুর্বল এবং দুনিয়ার সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের প্রতি লোভী, তারা বলল, হায়! কারুনের মতো যদি তাদেরও এ ধরনের ধন-সম্পদ থাকত! ... যারা প্রকৃত জ্ঞানী তারা যখন তাদের কথা শুনল, তখন তারা বলল,
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আখিরাতে তার মুমিন ও নেককার বান্দাদের যে সাওয়াব ও বিনিময় দিয়ে থাকেন, তা তোমরা এখন যা দেখছ, তা থেকে অধিক উত্তম। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٧﴾ [ السجدة :17]
“অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুমিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করতে তার বিনিময়স্বরূপ”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৭]
«أَعْدَدْتُ لِعِبَاِدي الصَّالحِينَ مَا لاعَيْن رَأَتْ، وَلا أَذُنٌ سَمِعَتْ، وَلا خَطرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ واقرؤوا إن شئتم»
“আমি আমার নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু বস্তু তৈরি করছি, যা কোনো চক্ষু দেখে নি, কোনো কর্ণ কোনো দিন শোনে নি এবং কোনো মানুষের অন্তর তা চিন্তাও করে নি। তোমরা যদি চাও পড়তে পার”।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমে বলেন,
﴿وَقَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ وَيۡلَكُمۡ ثَوَابُ ٱللَّهِ خَيۡرٞ لِّمَنۡ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗاۚ وَلَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلصَّٰبِرُونَ ٨٠﴾ [ القصص :80]
“আর যারা জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছিল, তারা বলল, ‘ধিক তোমাদেরকে! আল্লাহর প্রতিদানই উত্তম যে ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তার জন্য। আর তা শুধু সবরকারীরাই পেতে পারে।” [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৮০]
আল্লামা সুদ্দি রহ. বলেন, জান্নাতে কেবল ধৈর্যশীলদেরই প্রবেশ করানো হবে। এ কথাটি যেন যাদের মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ হতে ইলম দেওয়া হয়েছে তাদের কথারই প্রতিধ্বনি। আল্লামা ইবন জারির রহ. বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদেরই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যারা দুনিয়ার মহব্বত থেকে বিরত থাকছেন এবং তার ওপর ধৈর্য ধারণ করছেন আর দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতের প্রতি অধিক ঝুঁকে পড়ছেন। এ কথাটি যেন তাদের কথারই একটি অংশ।