১
স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
নিয়ন্ত্রিত ভোগ-লিপ্সা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান কমানোর লক্ষে সম্পদ অর্জনে মানুষের অতিরিক্ত লিপ্সাকে নিয়ন্ত্রন করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি ইহকালের পরিবর্তে পরকালকেই মানুষের একমাত্র লক্ষ্য বলে বর্ণনা করে পার্থিব জীবনকে আখিরাতের শষ্যক্ষেত্র হিসবে উপস্থাপন করেছেন।
পরকালীন সাফল্যের এ চেতনাবোধ মানুষকে সংযমী হবার প্রেরণা যোগায়। ফলে সবধরনের অনৈতিকতা ও লালসার যন্ত্রণা হতে মানুষ মুক্তি পায়। এ চেতনা তাকে আত্মনিয়ন্ত্রিত হতে গভীরভাবে সাহায্য করে। তখন সে অন্যের বৈভব-আত্মসাৎকারী না হয়ে বরং কল্যাণকামীরূপে আত্মপ্রকাশ করে। জাগতিক স্বার্থচিন্তা ও পরস্বহরণ মানসিকতা আর থাকে না। পবিত্র কুরআনে এ উদ্দীপক চেতনাবোধের দিকে ইঙ্গিত করে এরশাদ হয়েছে-
﴿وَٱبۡتَغِ فِيمَآ ءَاتَىٰكَ ٱللَّهُ ٱلدَّارَ ٱلۡأٓخِرَةَۖ﴾ [ص:77]
অর্থাৎ তোমাকে আল্লাহ যা দিয়েছেন তা দিয়ে আখেরাতের বাসস্থান অনুসন্ধান কর। [. আল-কুরআন ২৮: ৭৭।] এ চিন্তাধারা সমাজে বিকশিত হলে সম্পাদার্জনের প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যায়। বেড়ে যায় সাহায্য ও সহযোগিতার পরিমাণ, কমে যায়, পরনির্ভরশীলতা ও দারিদ্রতা।
পরকালীন সাফল্যের এ চেতনাবোধ মানুষকে সংযমী হবার প্রেরণা যোগায়। ফলে সবধরনের অনৈতিকতা ও লালসার যন্ত্রণা হতে মানুষ মুক্তি পায়। এ চেতনা তাকে আত্মনিয়ন্ত্রিত হতে গভীরভাবে সাহায্য করে। তখন সে অন্যের বৈভব-আত্মসাৎকারী না হয়ে বরং কল্যাণকামীরূপে আত্মপ্রকাশ করে। জাগতিক স্বার্থচিন্তা ও পরস্বহরণ মানসিকতা আর থাকে না। পবিত্র কুরআনে এ উদ্দীপক চেতনাবোধের দিকে ইঙ্গিত করে এরশাদ হয়েছে-
﴿وَٱبۡتَغِ فِيمَآ ءَاتَىٰكَ ٱللَّهُ ٱلدَّارَ ٱلۡأٓخِرَةَۖ﴾ [ص:77]
অর্থাৎ তোমাকে আল্লাহ যা দিয়েছেন তা দিয়ে আখেরাতের বাসস্থান অনুসন্ধান কর। [. আল-কুরআন ২৮: ৭৭।] এ চিন্তাধারা সমাজে বিকশিত হলে সম্পাদার্জনের প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যায়। বেড়ে যায় সাহায্য ও সহযোগিতার পরিমাণ, কমে যায়, পরনির্ভরশীলতা ও দারিদ্রতা।