১
স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
খাস ও পতিত জমি আবাদের ব্যবস্থা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খাস ও পতিত জমি আবাদের পদক্ষেপ স্বনির্ভরতা অর্জনের ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় পৌঁছেন তখন তিনি সেখানকার যে সকল জমিতে পানি পৌঁচাত না এবং পতিত পড়ে থাকত সেগুলো নিজ ইচ্ছামত মুসলমানদের মাঝে বন্টর করেন দেন। [. গাজী শামছুর রহমান, রাসুল (সঃ) ও খুলাফায়ে রাশেদীনের যমানায় কৃষক, অগ্রপথিক, ইফাবা, ঢাকা, জানুয়ারী-মার্চ, খৃ. ১৯৯৮, পৃ.- ৪৩]ভূমিতেই মহান আল্লাহ মানুষের প্রাচুর্যের ব্যবস্থা রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هُوَ ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ ذَلُولٗا فَٱمۡشُواْ فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُواْ مِن رِّزۡقِهِۦۖ وَإِلَيۡهِ ٱلنُّشُورُ﴾ [ الملك :15]
সে মহান সত্ত্বা আল্লাহ জমিনকে তোমাদের জন্য নরম সমতল অনুগত বানিয়ে দিয়েছেন। অতএব তোমরা সে জমিনের সর্বদিক ও পরতে পরতে পৌঁছাতে চেষ্টা কর, আর সেখানে থেকে পাওয়া আল্লাহর রিযিক তোমরা ভক্ষণ কর। আর শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই তোমাদের উত্থান ঘটবে| [. আল-কুরআন ৬৭: ১৫][সূরা মুলক:১৫]
এ জন্যই মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পতিত ভূমি আবাদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং এ ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন,
« من كا نت له أرض فليزر عها فان لم يزرعها فليمنحها أخاه»
যার জমি রয়েছে সে তা হয় নিজে চাষ করবে, অন্যথায় তার কোন ভাইয়ের দ্বারা চাষ করাবে অথবা তাকে চাষ করতে দেবে। [. সহীহ লি মুসলিম, কিতাবুল বুয়ু, হাদীস নং ১৮৬৫]
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পতিত জমি কেবলমাত্র চাষ করতেই বলেননি বরং উৎসাহ দেয়ার জন্য পতিত জমিতে চাষকারীর মালিকানারও স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেনঃ
« من أحيى أرضا متية فهى له »
যে লোক পোড়া ও অনাবদী জমি আবাদ ও চাষযোগ্য করে নেবে সে তার মালিক হবে। [. সুনানুত তিরমিযী, কতিাবুল আহকাম, হাদীস নং ১৩০০]
পতিত জমি আবাদে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতটাই গুরুত্ব দিয়েছেন যে, তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি বলেন, ‘‘জমি আবাদ না করলে তিন বছর পর তার কোন অধিকার থাকবে না। [. ড. মায়েজুর রহমান, খাদ্য সমস্যাও ইসলাম, ইফাবা, ঢাকা, খৃ. ১৯৮৭, পৃ.- ৩২]তিনি আরও বলেন, আর যে শুধু তার সীমানা নির্ধারণ করে রেখেছে অথচ তার চাষ করেনি, তিন বছর পর তাতে তার কোন অধিকার নেই। [. আবু ইউছুফ, কিতাবুল খারাজ, দারুল কুরআন ওয়া উলুমুল ইসলামিয়া, পাকিস্তান, খৃ. ১৯৮৬, পৃ.- ৬৫]
﴿هُوَ ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ ذَلُولٗا فَٱمۡشُواْ فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُواْ مِن رِّزۡقِهِۦۖ وَإِلَيۡهِ ٱلنُّشُورُ﴾ [ الملك :15]
সে মহান সত্ত্বা আল্লাহ জমিনকে তোমাদের জন্য নরম সমতল অনুগত বানিয়ে দিয়েছেন। অতএব তোমরা সে জমিনের সর্বদিক ও পরতে পরতে পৌঁছাতে চেষ্টা কর, আর সেখানে থেকে পাওয়া আল্লাহর রিযিক তোমরা ভক্ষণ কর। আর শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই তোমাদের উত্থান ঘটবে| [. আল-কুরআন ৬৭: ১৫][সূরা মুলক:১৫]
এ জন্যই মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পতিত ভূমি আবাদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং এ ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন,
« من كا نت له أرض فليزر عها فان لم يزرعها فليمنحها أخاه»
যার জমি রয়েছে সে তা হয় নিজে চাষ করবে, অন্যথায় তার কোন ভাইয়ের দ্বারা চাষ করাবে অথবা তাকে চাষ করতে দেবে। [. সহীহ লি মুসলিম, কিতাবুল বুয়ু, হাদীস নং ১৮৬৫]
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পতিত জমি কেবলমাত্র চাষ করতেই বলেননি বরং উৎসাহ দেয়ার জন্য পতিত জমিতে চাষকারীর মালিকানারও স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেনঃ
« من أحيى أرضا متية فهى له »
যে লোক পোড়া ও অনাবদী জমি আবাদ ও চাষযোগ্য করে নেবে সে তার মালিক হবে। [. সুনানুত তিরমিযী, কতিাবুল আহকাম, হাদীস নং ১৩০০]
পতিত জমি আবাদে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতটাই গুরুত্ব দিয়েছেন যে, তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি বলেন, ‘‘জমি আবাদ না করলে তিন বছর পর তার কোন অধিকার থাকবে না। [. ড. মায়েজুর রহমান, খাদ্য সমস্যাও ইসলাম, ইফাবা, ঢাকা, খৃ. ১৯৮৭, পৃ.- ৩২]তিনি আরও বলেন, আর যে শুধু তার সীমানা নির্ধারণ করে রেখেছে অথচ তার চাষ করেনি, তিন বছর পর তাতে তার কোন অধিকার নেই। [. আবু ইউছুফ, কিতাবুল খারাজ, দারুল কুরআন ওয়া উলুমুল ইসলামিয়া, পাকিস্তান, খৃ. ১৯৮৬, পৃ.- ৬৫]