১
স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
জুলুম-শোষণ নিষিদ্ধ ঘোষণা
স্বনির্ভরতা অর্জনের পথে শোষণ ও জুলুম বড় অন্তরায়। ইসলাম অর্থনৈতিকভাবে শোষণের হাত থেকে মানবতাকে রক্ষার জন্য সুদ ছাড়াও শোষণের অন্যান্য পথ ও প্রস্থা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যেমন আল্লাহ তা‘আলা জুয়া, লটারী নিষিদ্ধ করে এরশাদ করেন,
﴿إِنَّمَا ٱلۡخَمۡرُ وَٱلۡمَيۡسِرُ وَٱلۡأَنصَابُ وَٱلۡأَزۡلَٰمُ رِجۡسٞ مِّنۡ عَمَلِ ٱلشَّيۡطَٰنِ فَٱجۡتَنِبُوهُ﴾ [ المائدة :90]
মদ, জুয়া, মূর্তিপুজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্ত্ত, শয়তানের কার্য। সুতারং তোমরা উহা বর্জন কর [. আল-কুরআন ৫: ৯০]। ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওজনে কম দেয়া এক প্রকার জুলুম। এ প্রসঙ্গে আল-কুরআনে এরশাদ হচ্ছে,
﴿أَوۡفُواْ ٱلۡكَيۡلَ وَلَا تَكُونُواْ مِنَ ٱلۡمُخۡسِرِينَ﴾ [ الشعراء :181]
মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভূক্ত হয়োনা [. আল-কুরআন ২৬: ১৮১]।
শোষণ ও জুলুমের একটি বড় হাতিয়ার মজুদদারী, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজুদদারকে অভিসপ্ত ঘোষণা করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«قوله عليه السلام الجالب مرزوق والمحتكر ملعون»
আমদানি কারক রিযিকপ্রাপ্ত, মজুদদার অভসপ্ত [. বুরহান উদ্দিন, আল-হিদায়া, জাকারিয়া কুতুবখনা, যশহর, পৃ. ৪৫৪।]।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,
«من احتكر طعاما أربعين ليلة فقد برى من الله وبرئ الله منه»
যে ব্যক্তিচল্লিশদিন খাদ্য দ্রব্য মজুদ করে রাখবে সে আল্লাহ তায়ালা থেকে সম্পর্ক মুক্ত [. প্রাগুক্ত, পৃ. ৪৫৪।]।
এছাড়াও ইসলাম ঘুষ, রিসওয়াহ, অশ্লীল দ্রব্যের ব্যবসা ও মানুষ শোষণ ও জুলুমের শিকার হয় এমন সর্বপ্রকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলেন যে, এসব উপায়ে আর্থিক লেনদেনের ফলে সামাজের একদল লোক অন্যায়ভাবে জাতীয় অর্থের বিরাট অংশ লুটে নিচ্ছে আর ব্যাপক জনগোষ্ঠী নির্মমভাবে শোষিত হচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সবের মাধ্যমে সৃষ্ট শোষণ ও জুলুমের সকল পন্থা বন্ধ করেছেন।
﴿إِنَّمَا ٱلۡخَمۡرُ وَٱلۡمَيۡسِرُ وَٱلۡأَنصَابُ وَٱلۡأَزۡلَٰمُ رِجۡسٞ مِّنۡ عَمَلِ ٱلشَّيۡطَٰنِ فَٱجۡتَنِبُوهُ﴾ [ المائدة :90]
মদ, জুয়া, মূর্তিপুজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্ত্ত, শয়তানের কার্য। সুতারং তোমরা উহা বর্জন কর [. আল-কুরআন ৫: ৯০]। ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওজনে কম দেয়া এক প্রকার জুলুম। এ প্রসঙ্গে আল-কুরআনে এরশাদ হচ্ছে,
﴿أَوۡفُواْ ٱلۡكَيۡلَ وَلَا تَكُونُواْ مِنَ ٱلۡمُخۡسِرِينَ﴾ [ الشعراء :181]
মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভূক্ত হয়োনা [. আল-কুরআন ২৬: ১৮১]।
শোষণ ও জুলুমের একটি বড় হাতিয়ার মজুদদারী, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজুদদারকে অভিসপ্ত ঘোষণা করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«قوله عليه السلام الجالب مرزوق والمحتكر ملعون»
আমদানি কারক রিযিকপ্রাপ্ত, মজুদদার অভসপ্ত [. বুরহান উদ্দিন, আল-হিদায়া, জাকারিয়া কুতুবখনা, যশহর, পৃ. ৪৫৪।]।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,
«من احتكر طعاما أربعين ليلة فقد برى من الله وبرئ الله منه»
যে ব্যক্তিচল্লিশদিন খাদ্য দ্রব্য মজুদ করে রাখবে সে আল্লাহ তায়ালা থেকে সম্পর্ক মুক্ত [. প্রাগুক্ত, পৃ. ৪৫৪।]।
এছাড়াও ইসলাম ঘুষ, রিসওয়াহ, অশ্লীল দ্রব্যের ব্যবসা ও মানুষ শোষণ ও জুলুমের শিকার হয় এমন সর্বপ্রকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলেন যে, এসব উপায়ে আর্থিক লেনদেনের ফলে সামাজের একদল লোক অন্যায়ভাবে জাতীয় অর্থের বিরাট অংশ লুটে নিচ্ছে আর ব্যাপক জনগোষ্ঠী নির্মমভাবে শোষিত হচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সবের মাধ্যমে সৃষ্ট শোষণ ও জুলুমের সকল পন্থা বন্ধ করেছেন।