১
স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা
লেখকঃ ড. হুসাইন আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা
স্বনির্ভরতা অর্জনের প্রধান অন্তরায় বেকারত্ব। কোন সমাজে বেকারত্ব থাকাবস্থায় স্বনির্ভরতা সম্ভব নয়। এ কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল মানুষের কর্মসংস্থানের অধিকারের কেবল স্বীকৃতি দেননি বরং তা নিশ্চিত ও করেছেন। বস্ত্তত অধিকারের ক্ষেত্রে সকল মানুষ সমান অংশীদার এবং এটি একটি মানবাধিকারও বটে। কোন মানুষকেই তার এ জন্মগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। এ ক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে একজন অন্যজনের উপর প্রাধান্যও পেতে পারে না।
মদিনা রাষ্ট্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ অধিকার লাভের সুযোগ সকলের জন্য সমভাবে উম্মুক্ত করেছিলেন। এর ফলে সকল মানুষই নিজের দক্ষতায় অর্থ উপার্জন করে বিত্তবান হতে পারত। অবশ্য নিজের অক্ষমতার কারণেও অনেকে/সচ্চলতা হারাত, কিন্তু তাই বলে কোন লোককেই তার মৌলিক অধিকার হতে বঞ্চিত হতে হত না। স্বীয় দক্ষতার পরীক্ষায় কেউ ব্যর্থ হলে সে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থাদি পাকাপোক্ত দেখতে পেত। ফলে কাউকেউ অপরের দ্বারস্ত হতে হত না। বস্ত্তত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবর্তিত অর্থব্যবস্থা সামাজিক সুবিচারের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
মদিনা রাষ্ট্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ অধিকার লাভের সুযোগ সকলের জন্য সমভাবে উম্মুক্ত করেছিলেন। এর ফলে সকল মানুষই নিজের দক্ষতায় অর্থ উপার্জন করে বিত্তবান হতে পারত। অবশ্য নিজের অক্ষমতার কারণেও অনেকে/সচ্চলতা হারাত, কিন্তু তাই বলে কোন লোককেই তার মৌলিক অধিকার হতে বঞ্চিত হতে হত না। স্বীয় দক্ষতার পরীক্ষায় কেউ ব্যর্থ হলে সে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থাদি পাকাপোক্ত দেখতে পেত। ফলে কাউকেউ অপরের দ্বারস্ত হতে হত না। বস্ত্তত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবর্তিত অর্থব্যবস্থা সামাজিক সুবিচারের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।