১
দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
দান করার পূর্বে যাচাই করা
দানের দ্বারা দাতা এবং গ্রহীতা উভয়ে যেন উপকৃত হতে পারে সে জন্য প্রকৃত হকদারের নিকট দান সদকা পৌছানো জরুরি। প্রকৃত অভাবী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত না করা গেলে, দান প্রকারান্তরে দাতার ইচ্ছা বহির্ভূত হয়ে যায়। তাই আল্লাহ তাআলা দানের পূর্বে প্রকৃত অভাবীকে অনুসন্ধানের গুরুত্ব দিয়ে বলেন-
(আরবি)
(সদকা) সেসব দরিদ্রের জন্য যারা আল্লাহর রাস্তায় আটকে গিয়েছে, তারা জমিনে চলতে পারে না। না চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তুমি তাকেরকে চিনতে পারবে তাদের চিহ্ন দ্বারা। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না। আর তোমরা যে সম্পদ ব্যয় কর, অবশ্যই আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী। (সূরা বাকারা : ২৭৩)
মহান আল্লাহ অন্যত্র ইরশাদ করেন,
(আরবি)
নিশ্চয় সদকা হচ্ছে ফকির ও মিসকিনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য, দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। আর আল্লাহ মহা জ্ঞানী। ( সূরা তাওবা : ৬০)
বাধ্যতামূলক দান আদায় না করলে গুনাহ হবে। কারণ ঐ সব দান আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন কারণে ফরজ করেছেন। যার বর্ণনা কোরআন এবং হাদীসে সবিস্তারে এসেছে। এই পুস্তিকায়ও আংশিক বর্ণিত হয়েছে। এ সকল দান আদায় করার পর আল্লাহ তাআলা কোনো সাওয়াব যদি বরাদ্দ না দিতেন তাতে বে-ইনসাফি হতো না । কিন্তু আল্লাহ তাআলা আপন করুণায় এসব ফরজ দানেও বান্দাকে সাওয়াব দিয়ে থাকেন।
(আরবি)
(সদকা) সেসব দরিদ্রের জন্য যারা আল্লাহর রাস্তায় আটকে গিয়েছে, তারা জমিনে চলতে পারে না। না চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তুমি তাকেরকে চিনতে পারবে তাদের চিহ্ন দ্বারা। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না। আর তোমরা যে সম্পদ ব্যয় কর, অবশ্যই আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী। (সূরা বাকারা : ২৭৩)
মহান আল্লাহ অন্যত্র ইরশাদ করেন,
(আরবি)
নিশ্চয় সদকা হচ্ছে ফকির ও মিসকিনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য, দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। আর আল্লাহ মহা জ্ঞানী। ( সূরা তাওবা : ৬০)
বাধ্যতামূলক দান আদায় না করলে গুনাহ হবে। কারণ ঐ সব দান আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন কারণে ফরজ করেছেন। যার বর্ণনা কোরআন এবং হাদীসে সবিস্তারে এসেছে। এই পুস্তিকায়ও আংশিক বর্ণিত হয়েছে। এ সকল দান আদায় করার পর আল্লাহ তাআলা কোনো সাওয়াব যদি বরাদ্দ না দিতেন তাতে বে-ইনসাফি হতো না । কিন্তু আল্লাহ তাআলা আপন করুণায় এসব ফরজ দানেও বান্দাকে সাওয়াব দিয়ে থাকেন।