১
দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
জাকাত অস্বীকারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ
أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنْ الْعَرَبِ فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَيْفَ نقَاتِلُ النَّاسَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَمَنْ قَالَهَا فَقَدْ عَصَمَ مِنِّي مَالَهُ وَنَفْسَهُ إِلَّا بِحَقِّهِ وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ فَقَالَ وَاللَّهِ لَأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ وَاللَّهِ لَوْ مَنَعُونِي عَنَاقًا كَانُوا يُؤَدُّونَهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهَا قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَوَاللَّهِ مَا هُوَ إِلَّا أَنْ قَدْ شَرَحَ اللَّهُ صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ صحيح البخاري
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন। (আমাদের মাঝে তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত খলিফা) ছিলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। এবং আরবদের অনেকেই কাফের হয়ে গেল। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমারা কিভাবে মানুষের সাথে যুদ্ধ করব? অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি মানুষের সাথে যুদ্ধের আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। যখনই কেউ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, সে আমার থেকে তার জান মাল রক্ষা করল। তবে ইসলামের অপরাপর বিধানের কারণে এবং তার হিসাব আল্লাহর উপর। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহর কসম ! যে জাকাত এবং নামাজের মাঝে পার্থক্য করবে নিশ্চয়ই আমি তার সাথে যুদ্ধ করব। কেননা জাকাত হচ্ছে সম্পদের হক। আল্লাহর শপথ তারা যদি ছাগলের একটি বাচ্চা আমাকে দিতে অস্বীকার করে যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদান করতো। তবও আমি তা না দেয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, অত:পর আমি বুঝতে পারলাম আল্লাহ তাআলা (প্রকৃত সত্য উপলদ্ধি করার জন্য) আবু বকরের বক্ষ উন্মোচিত করে (তাওফিক) দিয়েছেন। এবং বুঝলাম আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সিদ্ধান্তই সঠিক।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন। (আমাদের মাঝে তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত খলিফা) ছিলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। এবং আরবদের অনেকেই কাফের হয়ে গেল। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমারা কিভাবে মানুষের সাথে যুদ্ধ করব? অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি মানুষের সাথে যুদ্ধের আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। যখনই কেউ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, সে আমার থেকে তার জান মাল রক্ষা করল। তবে ইসলামের অপরাপর বিধানের কারণে এবং তার হিসাব আল্লাহর উপর। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহর কসম ! যে জাকাত এবং নামাজের মাঝে পার্থক্য করবে নিশ্চয়ই আমি তার সাথে যুদ্ধ করব। কেননা জাকাত হচ্ছে সম্পদের হক। আল্লাহর শপথ তারা যদি ছাগলের একটি বাচ্চা আমাকে দিতে অস্বীকার করে যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদান করতো। তবও আমি তা না দেয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, অত:পর আমি বুঝতে পারলাম আল্লাহ তাআলা (প্রকৃত সত্য উপলদ্ধি করার জন্য) আবু বকরের বক্ষ উন্মোচিত করে (তাওফিক) দিয়েছেন। এবং বুঝলাম আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সিদ্ধান্তই সঠিক।