hadith book logo

রোজাদার বোনদের প্রতি

লেখকঃ আব্দুল মালেক আল কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩

দশম পরিচ্ছেদ:

রমজান মাসে উমরা পালনের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদীসে এসেছে :

عن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي - صلى الله عليه وسلم - لما رجع من حجة الوداع قال لامرأة من الأنصار اسمها أم سنان : { ما منعك أن تحجي معنا ؟ } قالت : أبو فـــلان [ زوجها ] له ناضحان حج على أحدهما والآخر نسقي عليه فقال لهما النبي - صلى الله عليه وسلم -: { فإذا جاء رمضان فاعتمري فإن عمرة فيه تعدل حجة } أول قال { حجة معي } [ رواه البخاري ].

ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বিদায় হজ থেকে ফিরলেন তখন এক আনসারী মহিলা যার নাম ছিল উম্মে সিনান, তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের সাথে হজ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? সে উত্তর দিল, অমুকের বাপ (অর্থাৎ তার স্বামী)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের (স্বামী স্ত্রী) উভয়কে বললেন, যখন রমজান আসবে তখন তুমি উমরা করবে, কারণ সে সময় উমরা হল হজের সমতুল্য। অথবা তিনি বলেছেন, রমজান মাসে উমরা করা আমার সাথে হজ করার সমতুল্য। (বর্ণনায় : বুখারী)

এমনিতেই উমরার রয়েছে বিশেষ সওয়াব আর রমজানে উমরা করার মধ্যে রয়েছে বেশী সওয়াব। সম্মানিত মাসে, সম্মানিত শহরে, সিয়াম রেখে সম্মানিত অবস্থায় উমরা করার মর্যাদাই আলাদা।

যখন আল্লাহ আপনাকে রমজানে উমরা করার তাওফীক দিলেন, তখন শালীনভাবে, শরয়ী নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে উমরা করার জন্য বের হবেন। আপনার মনে রাখতে হবে যখন এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব কয়েকগুণ বেশী দেয়া হয়, তখন সে মাসে কোন পাপ সংঘটিত হলে তার শাস্তিও বেশী হতে পারে।