hadith book logo

রোজাদার বোনদের প্রতি

লেখকঃ আব্দুল মালেক আল কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৪

একাদশ পরিচ্ছেদ:

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ মাসে সকল কল্যাণের দ্বার উম্মুক্ত করে দিয়েছেন। আর মানুষের মাধ্যমে অন্যকে রিযিক দান করেন। তাই এ মাসে আপনি বেশী পরিমাণে দান সদকা করবেন। আল্লাহ তাআলা মুমিনদের গুণাবলি বর্ণনাকালে দান সদকাকারীদেরও প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেন:

كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ﴿17﴾ وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿18﴾ وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ ﴿19﴾

রাতের সামান্য অংশ এরা ঘুমিয়ে কাটাতো। আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা প্রার্থনায় রত থাকতো। আর তাদের ধনসম্পদে রয়েছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের অধিকার। (সূরা আয যারিয়াত, আয়াত ১৭-১৯)

এ আয়তসমূহের আলোকে আল্লাহ তাআলার নিকট প্রশংসিত কাজগুলো আপনি সহজে সম্পাদন করতে পারেন এ পবিত্র মাসে। রাতে কম ঘুমানো, শেষ প্রহরে নামাজ পড়া ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আর বেশী করে দরিদ্র, অসহায়, অভাবী লোকদের দান খয়রাত করতে পারেন।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দান সদকাহ করতে উৎসাহিত করেছেন বার বার। তিনি বলেছেন :

{ اتقوا النار ولو بشق تمرة } [ رواه مسلم ]

একটি খেজুর ভেঙ্গে তা দান করে হলেও তুমি জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে পারো। (বর্ণনায় : মুসলিম)

হাদীসে এসেছে :

عن أبي هريرة - رضي الله عنه - أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال : { سبعة يظلهم الله في ظله يوم لا ظل إلا ظله } وذكر منهم : { رجلاً تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم شماله ما تنفق يمينه } [ متفق عليه ].

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: সাত ব্যক্তি আল্লাহর ছায়ায় আশ্রয় পাবে যেদিন তার ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবে না। এ সাত ব্যক্তির একজন হলেন, যে দান সদকা করেছে এমন গোপনে যে তার ডান হাত কী দান করল তা তার বাম হাত জানে না। (বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেয়েদের উদ্দেশ্য বলেছেন :

{ يا معشر النساء تصدقن، وأكثرن الاستغفار، فإني رأتكن أكثر أهل النار } [ رواه مسلم ].

হে মহিলাগণ! তোমরা দান সদকা করো। বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কারণ আমি তোমাদের অধিকহারে জাহান্নামে দেখেছি। (বর্ণনায়: মুসলিম)