১
যিকিরের তাৎপর্য ও ফযীলত
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
যিকর জীবিকা সংকটের সমাধান:
ঐ শুনুন আল্লাহ তায়ালা অন্য এক স্থানে কি বলছেন: যখন সলাত সমাপ্ত হয়ে যায়, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়, জীবিকা তালাশ কর আর বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ কর তাহলে তোমরা অবশ্যই সফল হবে।
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ (সূরা জুমুয়াহঃ ১০)
প্রিয় পাঠক ! বেশি-বেশি আল্লাহর যিকর করলে শত্রুরা পরাজিত হবে এবং খাদ্য বাসস্থান বস্ত্র শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ সব সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যাবে। আল্লাহু আকবার! তবুও কি আল্লাহর যিকর থেকে আমরা গাফেল থাকব?
সুধী! সমগ্র কুরআনই যিকরের তাৎপর্য ও বিশেষত্বের স্বাক্ষ্য বহন করছে। গোলাম যখনই তার মনিবকে স্মরণ করবে, তখনই তার কলব তাজা হবে, ঈমান সতেজ হবে, সাথে সাথেই সে চৌকান্না হবে। তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যার যা ডিউটি তা ঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না খেয়াল করবে। কারণ, আল্লাহকে স্মরণ করার অর্থই হল সে বিশ্বাস করবে যে, মহান আল্লাহর জ্ঞান, দৃষ্টি ও ক্ষমতা সীমানার মধ্যে সে আবদ্ধ। তিনি তার চুপ কথা, কান কথা, মন কথা, এমনকি হৃদপিণ্ডে যে সব কথামালা কিংবা জল্পনা বা আলপনা আনা গুণা করে তা-ও আল্লাহ তায়ালা জানেন। তাই সে আল্লাহকে মনের আড়াল হতে দেবে না। তার জিহ্বাও চুপকরে বসে থাকবে না বরং সুযোগ পেলেই তার রবের খানিকটা প্রশংসা করে নেবে। কিংবা অন্যের সামনে তার প্রভুর দয়ার কথা কথা তুলে ধরবে। তার আঁখি যুগল কেবলই মহান স্রষ্টার অনুপম সৃষ্টি বৈচিত্র্যের দিকে অপলক চেয়ে থাকবে; খুঁজে ফিরবে শুধু প্রিয়তমের শৈল্পিক নৈপুণ্যটার প্রিয় নিদর্শন। কান থাকবে তার চরম ও পরম আরাধ্য এবং লা-শরীক উপাস্য আল্লাহর প্রশংসা, গুণগান, সুনাম আর মিষ্টি আলোচনা শ্রবণের জন্য সদা উৎকর্ণ ও উৎসুক। আর তার এই অবস্থাই তাকে তার স্রষ্টা ও মনিবের পূর্ণ ফরমাবর্দারী এবং হালাল-হারামের সকল সীমা-রেখা শ্রদ্ধা ও ভক্তির সাথে মেনে চলতে অনুপ্রাণিত করবে। মনিবের কাছে পাবে তার পদন্নোতি। এমন কি কখনো তার নিজের প্রবৃত্তি যদি তাকে পরাজিত করে, শয়তানী শক্তি যদি তাকে এক পলকের জন্যও করে দেয় উদাসীন, তাহলে সে সঙ্গে সঙ্গেই তার সমগ্র কুও(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাটিয়ে ছুটে আসবে তার প্রিয় মালিকের সান্নিধ্যে এবং আনত-অবনত মস্তকে বারবার ক্ষমা চেয়ে নিতে সে মোটেও কাল ক্ষেপণ করবে না। (তাড়া তাড়ি তওবা ও ইাস্তগফার করে নিবে।)
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ (সূরা জুমুয়াহঃ ১০)
প্রিয় পাঠক ! বেশি-বেশি আল্লাহর যিকর করলে শত্রুরা পরাজিত হবে এবং খাদ্য বাসস্থান বস্ত্র শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ সব সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যাবে। আল্লাহু আকবার! তবুও কি আল্লাহর যিকর থেকে আমরা গাফেল থাকব?
সুধী! সমগ্র কুরআনই যিকরের তাৎপর্য ও বিশেষত্বের স্বাক্ষ্য বহন করছে। গোলাম যখনই তার মনিবকে স্মরণ করবে, তখনই তার কলব তাজা হবে, ঈমান সতেজ হবে, সাথে সাথেই সে চৌকান্না হবে। তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যার যা ডিউটি তা ঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না খেয়াল করবে। কারণ, আল্লাহকে স্মরণ করার অর্থই হল সে বিশ্বাস করবে যে, মহান আল্লাহর জ্ঞান, দৃষ্টি ও ক্ষমতা সীমানার মধ্যে সে আবদ্ধ। তিনি তার চুপ কথা, কান কথা, মন কথা, এমনকি হৃদপিণ্ডে যে সব কথামালা কিংবা জল্পনা বা আলপনা আনা গুণা করে তা-ও আল্লাহ তায়ালা জানেন। তাই সে আল্লাহকে মনের আড়াল হতে দেবে না। তার জিহ্বাও চুপকরে বসে থাকবে না বরং সুযোগ পেলেই তার রবের খানিকটা প্রশংসা করে নেবে। কিংবা অন্যের সামনে তার প্রভুর দয়ার কথা কথা তুলে ধরবে। তার আঁখি যুগল কেবলই মহান স্রষ্টার অনুপম সৃষ্টি বৈচিত্র্যের দিকে অপলক চেয়ে থাকবে; খুঁজে ফিরবে শুধু প্রিয়তমের শৈল্পিক নৈপুণ্যটার প্রিয় নিদর্শন। কান থাকবে তার চরম ও পরম আরাধ্য এবং লা-শরীক উপাস্য আল্লাহর প্রশংসা, গুণগান, সুনাম আর মিষ্টি আলোচনা শ্রবণের জন্য সদা উৎকর্ণ ও উৎসুক। আর তার এই অবস্থাই তাকে তার স্রষ্টা ও মনিবের পূর্ণ ফরমাবর্দারী এবং হালাল-হারামের সকল সীমা-রেখা শ্রদ্ধা ও ভক্তির সাথে মেনে চলতে অনুপ্রাণিত করবে। মনিবের কাছে পাবে তার পদন্নোতি। এমন কি কখনো তার নিজের প্রবৃত্তি যদি তাকে পরাজিত করে, শয়তানী শক্তি যদি তাকে এক পলকের জন্যও করে দেয় উদাসীন, তাহলে সে সঙ্গে সঙ্গেই তার সমগ্র কুও(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাটিয়ে ছুটে আসবে তার প্রিয় মালিকের সান্নিধ্যে এবং আনত-অবনত মস্তকে বারবার ক্ষমা চেয়ে নিতে সে মোটেও কাল ক্ষেপণ করবে না। (তাড়া তাড়ি তওবা ও ইাস্তগফার করে নিবে।)