১
কালেমা শাহাদাত
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
৮. আল্লাহ ব্যতীত সকল উপাস্যদের অস্বীকার করা:
বান্দার উচিৎ আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত ধারণাপ্রসূত সকল উপাস্য-মা‘বূদ অস্বীকার করা। সাথে সাথে এ বিশ্বাস সুদৃঢ় করা যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদত করা হচ্ছে সব অসার। যে কেউ এ সমস্ত কাজ করে সে আল্লাহর ওপর অপবাদ আরোপ করে, হোক না সে উপাস্য (মা‘বুদ) নৈকট্যপ্রাপ্ত ফিরিশতা, প্রেরিত রাসূল, নেককার ওলী, পাথর, গাছ, চন্দ্র, দল, গোষ্টি-জ্ঞাতি অথবা কোনো সংবিধান...ইত্যাদি। আল্লাহ বলেন,
﴿فَمَن يَكۡفُرۡ بِٱلطَّٰغُوتِ وَيُؤۡمِنۢ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱسۡتَمۡسَكَ بِٱلۡعُرۡوَةِ ٱلۡوُثۡقَىٰ لَا ٱنفِصَامَ لَهَاۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ﴾ [ البقرة : ٢٥٦ ]
“যে তাগুতকে অস্বীকার করবে এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে সে ধারণ করে এমন সুদৃঢ় হাতল যা ভঙ্গ হবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং সবই জানেন।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
﴿وَلَقَدۡ بَعَثۡنَا فِي كُلِّ أُمَّةٖ رَّسُولًا أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَٱجۡتَنِبُواْ ٱلطَّٰغُوتَ﴾ [ النحل : ٣٦ ]
“আর আমরা প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুতকে বর্জন কর।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৩৬] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ قَالَ : لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَكَفَرَ بِمَا يُعْبَدُ مَنْ دُونِ اللهِ، حَرُمَ مَالُهُ، وَدَمُهُ، وَحِسَابُهُ عَلَى اللهِ» .
“যে কেউ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে এবং আল্লাহ ছাড়া সকল উপাস্যকে অস্বীকার করেছে তার সম্পদ ও জীবন হারাম হয়ে গেছে এবং তার হিসাব আল্লাহর ওপর ন্যস্ত।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৩।]
হে মুসলিম ভাই! তুমি ভালো করে জেনে নাও, জান্নাতের সৌভাগ্য লাভ করা, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া এ কালেমার ওপর অটল, অবিরাম অবিচল থেকে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করা ব্যতীত সম্ভব নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ ١٠٢﴾ [ ال عمران : ١٠٢ ]
“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর যথাযথ তাকওয়া অবলম্বন করা এবং অবশ্যই মুসলিম না হয়ে মারা যেও না।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِي لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الجَنَّةَ» .
“আল্লাহ তা‘আলার সাথে শির্ক না করে যে ব্যক্তি মারা গেল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৩৭, ১২৩৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯২, ৯৩।] অন্যত্র বলেন,
«مَا مِنْ عَبْدٍ قَالَ : لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، ثُمَّ مَاتَ عَلَى ذَلِكَ إِلَّا دَخَلَ الجَنَّةَ» .
“যে কোনো ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে অতঃপর এর ওপর স্থির থেকে মারা গিয়েছে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৮২৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৪।]
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এই কালেমা ভিন্ন অন্য কোনো নীতির ওপর স্থির থেকে আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে এবং শির্ক করা অবস্থায় মারা যাবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ﴾ [ النساء : ٤٨ ]
“নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না যে লোক তার সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করবেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮] অন্যত্র আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّهُۥ مَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدۡ حَرَّمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ ٱلۡجَنَّةَ وَمَأۡوَىٰهُ ٱلنَّارُۖ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ أَنصَارٖ﴾ [ المائدة : ٧٢ ]
“নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার সাথে অংশিদার স্থির করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর অত্যাচারীদের কোনো সাহায্যকারী নেই।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৭২] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ لَقِيَ اللَّهَ لاَ يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا دَخَلَ الجَنَّةَ»
“যে শির্কমুক্ত অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলার সাথে সাক্ষাত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি শির্কে জড়িত হয়ে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৩।]
﴿فَمَن يَكۡفُرۡ بِٱلطَّٰغُوتِ وَيُؤۡمِنۢ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱسۡتَمۡسَكَ بِٱلۡعُرۡوَةِ ٱلۡوُثۡقَىٰ لَا ٱنفِصَامَ لَهَاۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ﴾ [ البقرة : ٢٥٦ ]
“যে তাগুতকে অস্বীকার করবে এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে সে ধারণ করে এমন সুদৃঢ় হাতল যা ভঙ্গ হবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং সবই জানেন।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
﴿وَلَقَدۡ بَعَثۡنَا فِي كُلِّ أُمَّةٖ رَّسُولًا أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَٱجۡتَنِبُواْ ٱلطَّٰغُوتَ﴾ [ النحل : ٣٦ ]
“আর আমরা প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুতকে বর্জন কর।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৩৬] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ قَالَ : لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَكَفَرَ بِمَا يُعْبَدُ مَنْ دُونِ اللهِ، حَرُمَ مَالُهُ، وَدَمُهُ، وَحِسَابُهُ عَلَى اللهِ» .
“যে কেউ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে এবং আল্লাহ ছাড়া সকল উপাস্যকে অস্বীকার করেছে তার সম্পদ ও জীবন হারাম হয়ে গেছে এবং তার হিসাব আল্লাহর ওপর ন্যস্ত।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৩।]
হে মুসলিম ভাই! তুমি ভালো করে জেনে নাও, জান্নাতের সৌভাগ্য লাভ করা, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া এ কালেমার ওপর অটল, অবিরাম অবিচল থেকে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করা ব্যতীত সম্ভব নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ ١٠٢﴾ [ ال عمران : ١٠٢ ]
“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর যথাযথ তাকওয়া অবলম্বন করা এবং অবশ্যই মুসলিম না হয়ে মারা যেও না।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِي لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الجَنَّةَ» .
“আল্লাহ তা‘আলার সাথে শির্ক না করে যে ব্যক্তি মারা গেল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৩৭, ১২৩৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯২, ৯৩।] অন্যত্র বলেন,
«مَا مِنْ عَبْدٍ قَالَ : لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، ثُمَّ مَاتَ عَلَى ذَلِكَ إِلَّا دَخَلَ الجَنَّةَ» .
“যে কোনো ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে অতঃপর এর ওপর স্থির থেকে মারা গিয়েছে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৮২৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৪।]
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এই কালেমা ভিন্ন অন্য কোনো নীতির ওপর স্থির থেকে আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে এবং শির্ক করা অবস্থায় মারা যাবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ﴾ [ النساء : ٤٨ ]
“নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না যে লোক তার সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করবেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮] অন্যত্র আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّهُۥ مَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدۡ حَرَّمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ ٱلۡجَنَّةَ وَمَأۡوَىٰهُ ٱلنَّارُۖ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ أَنصَارٖ﴾ [ المائدة : ٧٢ ]
“নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার সাথে অংশিদার স্থির করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর অত্যাচারীদের কোনো সাহায্যকারী নেই।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৭২] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ لَقِيَ اللَّهَ لاَ يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا دَخَلَ الجَنَّةَ»
“যে শির্কমুক্ত অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলার সাথে সাক্ষাত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি শির্কে জড়িত হয়ে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৩।]