১
মৃত ব্যক্তির জন্য ইছালে ছাওয়াব শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
১৪-মৃত ব্যক্তির জায়নামাজ ও পোশাক দান করা
মৃত ব্যক্তির কল্যাণ, তার জন্য সওয়াব পাঠানোর উদ্দেশ্যে যে সকল কাজ করা হয়, তার একটি হল মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া পোশাক, জায়নামাজ—ইত্যাদি ব্যবহৃত জিনিস-পত্র কোন ইমাম বা পীর সাহেব, অথবা
আলেমকে দান করা হয়। নিয়ত করা হয় যে, যাকে দান করা হয়েছে সে যতদিন ব্যবহার করবে ততদিন মৃত ব্যক্তি এর সওয়াব পাবে। উদ্দেশ্যটা ভাল, কিন্তু সমস্যা ভিন্ন জায়গায় ; তাহল, লোকটি যখন ইন্তেকাল করল তখন থেকে তার ছোট বড় সকল সম্পদের মালিক তার উত্তরাধিকারীগণ। সম্পদ তাদের মধ্যে বণ্টন করার পূর্ব-পর্যন্ত এগুলো কাউকে দান করা যাবে না—তবে কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া। এগুলো হল : এক. মৃত ব্যক্তি যদি জীবদ্দশায় অসীয়ত করে যান যে, আমার অমুক বস্ত্তটি অমুককে দান করে দেবে, তবে অসীয়তের যাবতীয় নিয়ম মান্য করে দান করা যেতে পারে। দুই. ইন্তেকালের পর তার সকল ওয়ারিশগণ যদি সন্তুষ্টচিত্তে কোন বস্ত্ত কাউকে দান করার সিদ্ধান্তে একমত হন, তবে তাতে দোষ নেই। কিন্তু আমাদের সমাজে যা দেখা যায়, তাহল : মৃত ব্যক্তির আপনজনের মধ্যে কোন ব্যক্তি—যেমন তার স্ত্রী অথবা বড় ছেলে মৃত ব্যক্তির জিনিসপত্র দান করেন। যদি বলা হয়, এতে সকলের সম্মতির থাকা দরকার, তখন বলা হয়, সে কি অসম্মত হবে? সে সম্মতি দেবে, অমত করবে না। এ ধরনের কাজ ইসলামী শরীয়ত অনুমোদন করে না।
আলেমকে দান করা হয়। নিয়ত করা হয় যে, যাকে দান করা হয়েছে সে যতদিন ব্যবহার করবে ততদিন মৃত ব্যক্তি এর সওয়াব পাবে। উদ্দেশ্যটা ভাল, কিন্তু সমস্যা ভিন্ন জায়গায় ; তাহল, লোকটি যখন ইন্তেকাল করল তখন থেকে তার ছোট বড় সকল সম্পদের মালিক তার উত্তরাধিকারীগণ। সম্পদ তাদের মধ্যে বণ্টন করার পূর্ব-পর্যন্ত এগুলো কাউকে দান করা যাবে না—তবে কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া। এগুলো হল : এক. মৃত ব্যক্তি যদি জীবদ্দশায় অসীয়ত করে যান যে, আমার অমুক বস্ত্তটি অমুককে দান করে দেবে, তবে অসীয়তের যাবতীয় নিয়ম মান্য করে দান করা যেতে পারে। দুই. ইন্তেকালের পর তার সকল ওয়ারিশগণ যদি সন্তুষ্টচিত্তে কোন বস্ত্ত কাউকে দান করার সিদ্ধান্তে একমত হন, তবে তাতে দোষ নেই। কিন্তু আমাদের সমাজে যা দেখা যায়, তাহল : মৃত ব্যক্তির আপনজনের মধ্যে কোন ব্যক্তি—যেমন তার স্ত্রী অথবা বড় ছেলে মৃত ব্যক্তির জিনিসপত্র দান করেন। যদি বলা হয়, এতে সকলের সম্মতির থাকা দরকার, তখন বলা হয়, সে কি অসম্মত হবে? সে সম্মতি দেবে, অমত করবে না। এ ধরনের কাজ ইসলামী শরীয়ত অনুমোদন করে না।