১
সহীহ হাদীসে কুদসী
লেখকঃ আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
জান্নাতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী
৫৩. মুগিরা ইবন শু‘বা রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মরফূ [কেউ এ হাদিসকে মাওকুফ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।] হিসেবে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
53 - «سَأَلَ مُوسَى رَبَّهُ مَا أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ مَنْزِلَةً؟ قَالَ : هُوَ رَجُلٌ يَجِيءُ بَعْدَ مَا أُدْخِلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ فَيُقَالُ لَهُ : ادْخُلْ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ : أَيْ رَبِّ كَيْفَ وَقَدْ نَزَلَ النَّاسُ مَنَازِلَهُمْ وَأَخَذُوا أَخَذَاتِهِمْ؟ فَيُقَالُ لَهُ : أَتَرْضَى أَنْ يَكُونَ لَكَ مِثْلُ مُلْكِ مَلِكٍ مِنْ مُلُوكِ الدُّنْيَا؟ فَيَقُولُ : رَضِيتُ رَبِّ، فَيَقُولُ لَكَ ذَلِكَ وَمِثْلُهُ وَمِثْلُهُ وَمِثْلُهُ فَقَالَ فِي الْخَامِسَة : ِ رَضِيتُ رَبِّ، قَالَ : رَبِّ فَأَعْلَاهُمْ مَنْزِلَةً؟ قَالَ : أُولَئِكَ الَّذِينَ أَرَدْتُ غَرَسْتُ كَرَامَتَهُمْ بِيَدِي وَخَتَمْتُ عَلَيْهَا فَلَمْ تَرَ عَيْنٌ وَلَمْ تَسْمَعْ أُذُنٌ وَلَمْ يَخْطُرْ عَلَى قَلْبِ بَشَر» قَالَ : وَمِصْدَاقُهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ : ﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ ١٧﴾ .
“মূসা আলাইহিস সালাম তার রবকে জিজ্ঞাসা করেন জান্নাতীদের নিম্ন স্তর কি? তিনি বলেন: সে ব্যক্তি যে জান্নাতীদের জান্নাতে প্রবেশ করানোর পর আসবে, তাকে বলা হবে: জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলবে: হে আমার রব কিভাবে, অথচ লোকেরা তাদের স্থানে পৌঁছে গেছে, তাদের হক তারা গ্রহণ করেছে? তাকে বলা হবে: তুমি কি সন্তুষ্ট যে তোমার জন্য দুনিয়ার বাদশাহদের রাজত্বের ন্যায় রাজত্ব হোক? সে বলবে: হে আমার রব, আমি সন্তুষ্ট। তিনি বলবেন: তোমার জন্য তা, এবং তার সমান, তার সমান ও তার সমান, পঞ্চম বারে বলল: হে আমার রব আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। মূসা আলাইহিস সালাম জিজ্ঞাসা করেন: হে আমার রব, তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী? তিনি বললেন: তাদেরকে আমি চেয়েছি, আমি নিজ হাতে তাদের সম্মান রোপণ করেছি ও তার ওপর মোহর এঁটে দিয়েছি, যা কোনো চোখ দেখে নি, কোনো কান শুনে নি এবং মানুষের অন্তরে কল্পনা হয় নি। তিনি বলেন: কুরআনে তার নমুনা হচ্ছে:
﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ ١٧﴾ [ السجدة : ١٧ ]
“অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৭] (সহীহ মুসলিম) হাদীসটি সহীহ।
53 - «سَأَلَ مُوسَى رَبَّهُ مَا أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ مَنْزِلَةً؟ قَالَ : هُوَ رَجُلٌ يَجِيءُ بَعْدَ مَا أُدْخِلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ فَيُقَالُ لَهُ : ادْخُلْ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ : أَيْ رَبِّ كَيْفَ وَقَدْ نَزَلَ النَّاسُ مَنَازِلَهُمْ وَأَخَذُوا أَخَذَاتِهِمْ؟ فَيُقَالُ لَهُ : أَتَرْضَى أَنْ يَكُونَ لَكَ مِثْلُ مُلْكِ مَلِكٍ مِنْ مُلُوكِ الدُّنْيَا؟ فَيَقُولُ : رَضِيتُ رَبِّ، فَيَقُولُ لَكَ ذَلِكَ وَمِثْلُهُ وَمِثْلُهُ وَمِثْلُهُ فَقَالَ فِي الْخَامِسَة : ِ رَضِيتُ رَبِّ، قَالَ : رَبِّ فَأَعْلَاهُمْ مَنْزِلَةً؟ قَالَ : أُولَئِكَ الَّذِينَ أَرَدْتُ غَرَسْتُ كَرَامَتَهُمْ بِيَدِي وَخَتَمْتُ عَلَيْهَا فَلَمْ تَرَ عَيْنٌ وَلَمْ تَسْمَعْ أُذُنٌ وَلَمْ يَخْطُرْ عَلَى قَلْبِ بَشَر» قَالَ : وَمِصْدَاقُهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ : ﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ ١٧﴾ .
“মূসা আলাইহিস সালাম তার রবকে জিজ্ঞাসা করেন জান্নাতীদের নিম্ন স্তর কি? তিনি বলেন: সে ব্যক্তি যে জান্নাতীদের জান্নাতে প্রবেশ করানোর পর আসবে, তাকে বলা হবে: জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলবে: হে আমার রব কিভাবে, অথচ লোকেরা তাদের স্থানে পৌঁছে গেছে, তাদের হক তারা গ্রহণ করেছে? তাকে বলা হবে: তুমি কি সন্তুষ্ট যে তোমার জন্য দুনিয়ার বাদশাহদের রাজত্বের ন্যায় রাজত্ব হোক? সে বলবে: হে আমার রব, আমি সন্তুষ্ট। তিনি বলবেন: তোমার জন্য তা, এবং তার সমান, তার সমান ও তার সমান, পঞ্চম বারে বলল: হে আমার রব আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। মূসা আলাইহিস সালাম জিজ্ঞাসা করেন: হে আমার রব, তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী? তিনি বললেন: তাদেরকে আমি চেয়েছি, আমি নিজ হাতে তাদের সম্মান রোপণ করেছি ও তার ওপর মোহর এঁটে দিয়েছি, যা কোনো চোখ দেখে নি, কোনো কান শুনে নি এবং মানুষের অন্তরে কল্পনা হয় নি। তিনি বলেন: কুরআনে তার নমুনা হচ্ছে:
﴿فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ ١٧﴾ [ السجدة : ١٧ ]
“অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৭] (সহীহ মুসলিম) হাদীসটি সহীহ।