১
সহীহ হাদীসে কুদসী
লেখকঃ আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৭
সন্তান মারা যাওয়ার পর সাওয়াবের আশায় ধৈর্যধারণ করার ফযীলত
১০৪. আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
104 - «يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى : مَا لِعَبْدِي الْمُؤْمِنِ عِنْدِي جَزَاءٌ إِذَا قَبَضْتُ صَفِيَّهُ مِنْ أَهْلِ الدُّنْيَا ثُمَّ احْتَسَبَهُ إِلَّا الْجَنَّةُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার মুমিন বান্দার জন্য আমার নিকট জান্নাত ব্যতীত কোনো প্রতিদান নেই যখন আমি দুনিয়া থেকে তার কলিজার টুকরা [কলিজার টুকরোর মত সন্তানকে মৃত্যু দিয়ে গ্রহণ করি। [সম্পাদক]] গ্রহণ করি, আর সে তার জন্য সাওয়াবের আশা করে ধৈর্য ধারণ করে”। (সহীহ বুখারী) হাদীসটি সহীহ।
১০৫. শুরাহবিল ইবন শুফ‘আহ থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক সাহাবী সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
105 - «يُقَالُ لِلْوِلْدَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ : ادْخُلُوا الْجَنَّةَ» قَالَ : «فَيَقُولُونَ : يَا رَبِّ حَتَّى يَدْخُلَ آبَاؤُنَا وَأُمَّهَاتُنَا» قَالَ : «فَيَأْتُونَ» قَالَ : فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : «مَا لِي أَرَاهُمْ مُحْبَنْطِئِينَ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ» قَالَ : «فَيَقُولُونَ : يَا رَبِّ آبَاؤُنَا وَأُمَّهَاتُنَا» قَالَ : «فَيَقُولُ : ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ» .
“কিয়ামতের দিন বাচ্চাদের বলা হবে জান্নাতে প্রবেশ কর”। তিনি বলেন: “তারা বলবে: যতক্ষণ না আমাদের পিতা-মাতা প্রবেশ না করেন”। তিনি বলেন: “অতঃপর তারা আসবে”। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: “কি ব্যাপার তাদেরকে কেন নারাজ দেখছি, জান্নাতে প্রবেশ কর”। তিনি বলেন: “অতঃপর তারা বলবে: হে আমার রব, আমাদের পিতা-মাতা”! তিনি বলেন: “অতঃপর তিনি বলবেন: “তোমরা ও তোমাদের পিতা-মাতা জান্নাতে প্রবেশ কর”। (আহমদ) হাদীসটি হাসান।
১০৬. আবু উমামা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
106 - «يَقُولُ اللَّهُ سُبْحَانَه وتعالى : ابْنَ آدَمَ إِنْ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الْأُولَى لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ» .
“আল্লাহ তা‘আলা বলবেন: হে বনী আদম, যদি তুমি ধৈর্যধারণ কর ও প্রথম দুঃখের সময় অধৈর্য না হয়ে তাতে সাওয়াবের আশা কর, তাহলে আমি তোমার জন্য জান্নাত ব্যতীত কোনো প্রতিদানে সন্তুষ্ট হব না”। (ইবন মাজাহ) হাদীসটি হাসান।
১০৭. আবু মূসা আশ‘আরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
107 - «إِذَا مَاتَ وَلَدُ الْعَبْدِ قَالَ اللَّهُ لِمَلَائِكَتِهِ : قَبَضْتُمْ وَلَدَ عَبْدِي؟ فَيَقُولُونَ : نَعَمْ , فَيَقُولُ : قَبَضْتُمْ ثَمَرَةَ فُؤَادِهِ؟ فَيَقُولُون : َ نَعَمْ , فَيَقُولُ : مَاذَا قَالَ عَبْدِي؟ فَيَقُولُونَ : حَمِدَكَ وَاسْتَرْجَعَ، فَيَقُولُ اللَّهُ : ابْنُوا لِعَبْدِي بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ وَسَمُّوهُ بَيْتَ الْحَمْدِ» .
“বান্দার যখন সন্তান মারা যায় আল্লাহ তার ফিরিশতাদের বলেন: তোমরা আমার বান্দার সন্তান কব্জা করেছ? তারা বলে: হ্যাঁ। তিনি বলেন, তোমরা আমার বান্দার অন্তরের নির্যাস গ্রহণ করেছ? তারা বলে: হ্যাঁ। তিনি বলেন: আমার বান্দা কি বলেছে? তারা বলে: আপনার প্রশংসা করেছে ও ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজেউন পড়েছে। (অর্থাৎ আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফেরৎ যাব এটা বলেছে।) অতঃপর আল্লাহ বলেন: তোমরা আমার বান্দার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ কর, তার নাম রাখ বায়তুল হামদ”। (তিরমিযী ও ইবন হিব্বান) হাদীসটি শাইখ আলবানি হাসান বলেছেন।
104 - «يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى : مَا لِعَبْدِي الْمُؤْمِنِ عِنْدِي جَزَاءٌ إِذَا قَبَضْتُ صَفِيَّهُ مِنْ أَهْلِ الدُّنْيَا ثُمَّ احْتَسَبَهُ إِلَّا الْجَنَّةُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার মুমিন বান্দার জন্য আমার নিকট জান্নাত ব্যতীত কোনো প্রতিদান নেই যখন আমি দুনিয়া থেকে তার কলিজার টুকরা [কলিজার টুকরোর মত সন্তানকে মৃত্যু দিয়ে গ্রহণ করি। [সম্পাদক]] গ্রহণ করি, আর সে তার জন্য সাওয়াবের আশা করে ধৈর্য ধারণ করে”। (সহীহ বুখারী) হাদীসটি সহীহ।
১০৫. শুরাহবিল ইবন শুফ‘আহ থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক সাহাবী সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
105 - «يُقَالُ لِلْوِلْدَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ : ادْخُلُوا الْجَنَّةَ» قَالَ : «فَيَقُولُونَ : يَا رَبِّ حَتَّى يَدْخُلَ آبَاؤُنَا وَأُمَّهَاتُنَا» قَالَ : «فَيَأْتُونَ» قَالَ : فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : «مَا لِي أَرَاهُمْ مُحْبَنْطِئِينَ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ» قَالَ : «فَيَقُولُونَ : يَا رَبِّ آبَاؤُنَا وَأُمَّهَاتُنَا» قَالَ : «فَيَقُولُ : ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ» .
“কিয়ামতের দিন বাচ্চাদের বলা হবে জান্নাতে প্রবেশ কর”। তিনি বলেন: “তারা বলবে: যতক্ষণ না আমাদের পিতা-মাতা প্রবেশ না করেন”। তিনি বলেন: “অতঃপর তারা আসবে”। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: “কি ব্যাপার তাদেরকে কেন নারাজ দেখছি, জান্নাতে প্রবেশ কর”। তিনি বলেন: “অতঃপর তারা বলবে: হে আমার রব, আমাদের পিতা-মাতা”! তিনি বলেন: “অতঃপর তিনি বলবেন: “তোমরা ও তোমাদের পিতা-মাতা জান্নাতে প্রবেশ কর”। (আহমদ) হাদীসটি হাসান।
১০৬. আবু উমামা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
106 - «يَقُولُ اللَّهُ سُبْحَانَه وتعالى : ابْنَ آدَمَ إِنْ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الْأُولَى لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ» .
“আল্লাহ তা‘আলা বলবেন: হে বনী আদম, যদি তুমি ধৈর্যধারণ কর ও প্রথম দুঃখের সময় অধৈর্য না হয়ে তাতে সাওয়াবের আশা কর, তাহলে আমি তোমার জন্য জান্নাত ব্যতীত কোনো প্রতিদানে সন্তুষ্ট হব না”। (ইবন মাজাহ) হাদীসটি হাসান।
১০৭. আবু মূসা আশ‘আরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
107 - «إِذَا مَاتَ وَلَدُ الْعَبْدِ قَالَ اللَّهُ لِمَلَائِكَتِهِ : قَبَضْتُمْ وَلَدَ عَبْدِي؟ فَيَقُولُونَ : نَعَمْ , فَيَقُولُ : قَبَضْتُمْ ثَمَرَةَ فُؤَادِهِ؟ فَيَقُولُون : َ نَعَمْ , فَيَقُولُ : مَاذَا قَالَ عَبْدِي؟ فَيَقُولُونَ : حَمِدَكَ وَاسْتَرْجَعَ، فَيَقُولُ اللَّهُ : ابْنُوا لِعَبْدِي بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ وَسَمُّوهُ بَيْتَ الْحَمْدِ» .
“বান্দার যখন সন্তান মারা যায় আল্লাহ তার ফিরিশতাদের বলেন: তোমরা আমার বান্দার সন্তান কব্জা করেছ? তারা বলে: হ্যাঁ। তিনি বলেন, তোমরা আমার বান্দার অন্তরের নির্যাস গ্রহণ করেছ? তারা বলে: হ্যাঁ। তিনি বলেন: আমার বান্দা কি বলেছে? তারা বলে: আপনার প্রশংসা করেছে ও ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজেউন পড়েছে। (অর্থাৎ আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফেরৎ যাব এটা বলেছে।) অতঃপর আল্লাহ বলেন: তোমরা আমার বান্দার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ কর, তার নাম রাখ বায়তুল হামদ”। (তিরমিযী ও ইবন হিব্বান) হাদীসটি শাইখ আলবানি হাসান বলেছেন।