১
সহীহ হাদীসে কুদসী
লেখকঃ আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৫
মূসা ও খিদির আলাইহিমাস সালামের ঘটনা
১২৮. সাঈদ ইবন জুবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম:
128 - «إِنَّ نَوْفًا الْبَكَالِيَّ يَزْعُمُ أَنَّ مُوسَى صَاحِبَ الْخَضِرِ لَيْسَ هُوَ مُوسَى بَنِي إِسْرَائِيلَ إِنَّمَا هُوَ مُوسَى آخَرُ، فَقَالَ : كَذَبَ عَدُوُّ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : «أَنَّ مُوسَى قَامَ خَطِيبًا فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ فَسُئِلَ أَيُّ النَّاسِ أَعْلَمُ؟ فَقَالَ : أَنَا» , فَعَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهِ إِذْ لَمْ يَرُدَّ الْعِلْمَ إِلَيْهِ فَقَالَ لَهُ : «بَلَى لِي عَبْدٌ بِمَجْمَعِ الْبَحْرَيْنِ هُوَ أَعْلَمُ مِنْك , َ قَالَ : " أَيْ رَبِّ وَمَنْ لِي بِهِ؟ -وَرُبَّمَا قَالَ سُفْيَانُ : أَيْ رَبِّ وَكَيْفَ لِي بِه؟ِ- قَالَ : تَأْخُذُ حُوتًا فَتَجْعَلُهُ فِي مِكْتَلٍ حَيْثُمَا فَقَدْتَ الْحُوتَ فَهُوَ ثَمَّ» .
‘নাউফ আল-বাকালি’র ধারণা ‘খিদির’ এর সাথী ‘মূসা’ বনী ইসরাইলের ‘মুসা’ নয়, তিনি অন্য ‘মুসা’। তিনি বললেন: আল্লাহর শত্রু মিথ্যা বলেছে। উবাই ইবন কা‘ব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদেরকে বর্ণনা করেন: “একদা মূসা আলাইহিস সালাম বনি ইসরাইলে খুতবা দেওয়ার জন্য দাঁড়ালে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কে সবচেয়ে বেশি জানে? তিনি বললেন: আমি”। এ জন্য আল্লাহ তাকে তিরস্কার করলেন, কারণ তিনি বেশি জানার জ্ঞান আল্লাহর নিকট সোপর্দ করেন নি। তাকে তিনি বললেন: “দুই সমুদ্রের মিলনস্থলে আমার এক বান্দা রয়েছে, সে তোমার চেয়ে অধিক জানে। তিনি বললেন: হে আমার রব, তার নিকট পৌঁছার জন্য আমার কে আছে? অথবা সুফিয়ান বলেছেন: হে আমার রব, আমি কীভাবে তার কাছে পৌঁছব? তিনি বললেন: একটি মাছ নাও, অতঃপর তা পাত্রে রাখ, যেখানে মাছটি হারাবে সেখানেই সে...” অতঃপর পূর্ণ হাদীস উল্লেখ করেন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম) হাদীসটি সহীহ।
128 - «إِنَّ نَوْفًا الْبَكَالِيَّ يَزْعُمُ أَنَّ مُوسَى صَاحِبَ الْخَضِرِ لَيْسَ هُوَ مُوسَى بَنِي إِسْرَائِيلَ إِنَّمَا هُوَ مُوسَى آخَرُ، فَقَالَ : كَذَبَ عَدُوُّ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : «أَنَّ مُوسَى قَامَ خَطِيبًا فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ فَسُئِلَ أَيُّ النَّاسِ أَعْلَمُ؟ فَقَالَ : أَنَا» , فَعَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهِ إِذْ لَمْ يَرُدَّ الْعِلْمَ إِلَيْهِ فَقَالَ لَهُ : «بَلَى لِي عَبْدٌ بِمَجْمَعِ الْبَحْرَيْنِ هُوَ أَعْلَمُ مِنْك , َ قَالَ : " أَيْ رَبِّ وَمَنْ لِي بِهِ؟ -وَرُبَّمَا قَالَ سُفْيَانُ : أَيْ رَبِّ وَكَيْفَ لِي بِه؟ِ- قَالَ : تَأْخُذُ حُوتًا فَتَجْعَلُهُ فِي مِكْتَلٍ حَيْثُمَا فَقَدْتَ الْحُوتَ فَهُوَ ثَمَّ» .
‘নাউফ আল-বাকালি’র ধারণা ‘খিদির’ এর সাথী ‘মূসা’ বনী ইসরাইলের ‘মুসা’ নয়, তিনি অন্য ‘মুসা’। তিনি বললেন: আল্লাহর শত্রু মিথ্যা বলেছে। উবাই ইবন কা‘ব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদেরকে বর্ণনা করেন: “একদা মূসা আলাইহিস সালাম বনি ইসরাইলে খুতবা দেওয়ার জন্য দাঁড়ালে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কে সবচেয়ে বেশি জানে? তিনি বললেন: আমি”। এ জন্য আল্লাহ তাকে তিরস্কার করলেন, কারণ তিনি বেশি জানার জ্ঞান আল্লাহর নিকট সোপর্দ করেন নি। তাকে তিনি বললেন: “দুই সমুদ্রের মিলনস্থলে আমার এক বান্দা রয়েছে, সে তোমার চেয়ে অধিক জানে। তিনি বললেন: হে আমার রব, তার নিকট পৌঁছার জন্য আমার কে আছে? অথবা সুফিয়ান বলেছেন: হে আমার রব, আমি কীভাবে তার কাছে পৌঁছব? তিনি বললেন: একটি মাছ নাও, অতঃপর তা পাত্রে রাখ, যেখানে মাছটি হারাবে সেখানেই সে...” অতঃপর পূর্ণ হাদীস উল্লেখ করেন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম) হাদীসটি সহীহ।