১
বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বনবীর শাশ্বত অবদান
লেখকঃ সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
৭। নতুন মানুষ-নবতর জগত সৃষ্টির আহ্বান
বিশ্বনবীর এসব বিপ্লবাত্মক পয়গাম বিশ্বমানবতাকে নতুন বিপ্লবী ভাবধারায় গড়ে উঠে নবতর জগত সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছিল। এর ফলেই গড়ে উঠেছিল নতুন মানুষ, এক নতুন সমাজ। সে সমাজ সর্বপ্রকার কুসংস্কার, ভিত্তিহীন ধারণা-বিশ্বাস ও যুক্তিহীন দাসত্ব আনুগত্য থেকে মুক্তি পেয়েছিল। তাই সমাজের মানুষ এক আল্লাহ ছাড়া আর কারোর আনুগত্য করতে এবং বিশ্বনবীর একক নেতৃত্ব ছাড়া আর কারোর নেতৃত্ব মেনে নিতে বাধ্য ছিল না। তিনি তদানীন্তন দুনিয়ার পারসিক ও রোমান -এ দুই পরাশক্তির মোকাবেলায় এক নতুন শক্তির অভ্যূদয় এবং প্রতিষ্ঠিত দুই সভ্যতার ধ্বংসাবশের ওপর এক নতুন সভ্যতার উত্থান ঘটানোর সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ করে দিয়েছিলেন। এভাবে তিনি এক অভিনব শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তথায় প্রতিটি মানুষ পেয়েছিল তার শাশ্বত মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা। আল্লাহর দেওয়া মৌলিক বিধান ও বিশ্বনবীর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও প্রয়োগের ভিত্তিতে মানুষের যাবতীয় সমস্যার যথার্থ সমাধান সম্ভবপর হয়েছিল। তা থেকে এ কথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, মানুষের সার্বিক মুক্তি একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব ও বিশ্বনবীর নেতৃত্ব গ্রহণেই সম্ভব। অন্য কোনোভাবে মানব জীবনের কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। শুধু তাই নয়, অন্য কারো আনুগত্য ও নেতৃত্বের ভিত্তিতে মানব সমস্যার সমাধান করতে চেষ্টা করা হলে সে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়বে। মানুষ বঞ্চিত হবে তার আসল মর্যাদা ও অধিকার থেকে, হারিয়ে ফেলবে জীবনে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তাটুকুও। বর্তমান বিশ্বমানবের বাস্তব অবস্থাই তার অকাট্য প্রমাণ।
তা সত্বেও বিশ্বনবীর এ অবদান যেহেতু শাশ্বত, তাই আজকের দিনেও তা বাস্তবায়িত হলে সুফল পাওয়া সম্ভব। এ অবদানের বাস্তবায়নে আজও সম্ভব এক নবতর বিশ্বজয়ী সভ্যতার জন্মদান এবং আজকের ক্ষমতাদাবীদের দাপট খর্ব করে তাদের ধ্বংসাবষেশের ওপর এক নতুন মহাশক্তির প্রতিষ্ঠা। অবশ্য সে জন্য প্রয়োজন এক সর্বাত্মক জিহাদের। এ সত্য অনুধাবনে যত বিলম্ব হবে ততই প্রলম্বিত হবে বিশ্ব শান্তি। অনিশ্চিত হয়ে পড়বে পরকালীন মুক্তি। আল্লাহ আমাদেরকে সে সত্য বুঝার তাওফীক দিন। আমীন।
সমাপ্ত
তা সত্বেও বিশ্বনবীর এ অবদান যেহেতু শাশ্বত, তাই আজকের দিনেও তা বাস্তবায়িত হলে সুফল পাওয়া সম্ভব। এ অবদানের বাস্তবায়নে আজও সম্ভব এক নবতর বিশ্বজয়ী সভ্যতার জন্মদান এবং আজকের ক্ষমতাদাবীদের দাপট খর্ব করে তাদের ধ্বংসাবষেশের ওপর এক নতুন মহাশক্তির প্রতিষ্ঠা। অবশ্য সে জন্য প্রয়োজন এক সর্বাত্মক জিহাদের। এ সত্য অনুধাবনে যত বিলম্ব হবে ততই প্রলম্বিত হবে বিশ্ব শান্তি। অনিশ্চিত হয়ে পড়বে পরকালীন মুক্তি। আল্লাহ আমাদেরকে সে সত্য বুঝার তাওফীক দিন। আমীন।
সমাপ্ত