১
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামাজিক বিপ্লবের স্বরূপ
লেখকঃ সিরজুল ইসলাম আলী আকবর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্ট সামাজিক বিপ্লবের বিশেষত্ব
আরব উপদ্বিপে রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্ট সমাজ বিপ্লব শুধু আরব দেশীয় বিপ্লব ছিলনা, তা ছিল বিশ্ব বিপ্লবেরই সূচনা ও প্রথম পর্যায় মাত্র। হযরত মুহাম্মদ কেবল মাত্র আরব দেশের জন্যই প্রেরিত হননি, কেবল আরবদেরই নবী ছিলেন না তিনি। তিনি ছিলেন বিশ্বনবী। সমগ্র বিশ্বে তাওহীদী বিপ্লব সৃষ্টিই ছিল তাঁর সম্মুখবর্তী কাজ। তিনি নিজে দৈহিক ভাবে জীবিত থেকে সমগ্র বিশ্বে কার্যত বিপ্লব সৃষ্টি করে যাননি একথা সত্য, কিন্তু আরব দেশের সীমিত পরিসরে যে আদর্শিক ও ঈমানী বিপ্লব তিনি সৃষ্টি করে গেছেন তা বিশ্ব বিপ্লবেরই পূর্বাভাস এবং তারই সূচনা। তাওহীদী আকীদার ভিত্তিতে যে সমাজ বিপ্লবের পথ তিনি দেখিয়ে গেছেন তা-ই বিশ্ব সমাজে আদর্শিক বিপ্লব সৃষ্টির দিগদর্শন। সে বিপ্লবের তরঙ্গাভিঘাত দুনিয়ার দেশে দেশে দেশ ভিত্তিক বিপ্লব সৃষ্টি করতে থাকবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সমগ্র বিশ্বে সেই তাওহীদী বিপ্লব সংগঠিত হয়ে বিশ্ব বিপ্লবের কাজ সম্পূর্ণতা লাভ করে। এটা শুধু অন্ধ আকীদার ব্যাপার নয়। এর বাস্তব লক্ষণ দুনিয়ার দিকে দিকে এখনই সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরব উপদ্বীপ কেন্দ্রিক যে বিপ্লবটা করে গেছেন দুনিয়ার সমাজ ও রাষ্ট্র বিপ্লবের ইতিহাসে তা এক দৃষ্টান্তহীন ঘটনা।
সাধারণত ফরাসী বিপ্লবকে দুনিয়ার সর্বপ্রথম সুসংগঠিত ও পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব মনে করা হয়। কিন্তু আমি বলব ফরাসী বিপ্লব কোন সুসংগঠিত বিপ্লব ছিলনা, ছিলনা কোন পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব। তা সুচিন্তিত ও সুপরিকল্পিত ও ছিল না, পূর্বে সেজন্য কোন কর্মসূচী রচিত ও গৃহীত হয়নি। সে বিপ্লবের কোন নেতাও নির্বাচিত ছিলনা। ফলে ফরাসী বিপ্লব শুধু রাজতন্ত্র উৎখাতকারী একটি ঘটনারূপে চিহ্নিত হয়েছে, সামাষ্টিক জীবনে কোন স্থায়ী কল্যাণ সৃষ্টি করা সেই বিপ্লবের পক্ষে সম্ভব হয়নি। পক্ষান্তরে ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লব ছিল ব্যাপক জনগণের সমর্থনহীন মুষ্টিমেয় রাজনৈতিক কর্মী ও সেনা বাহিনীর বিপ্লব, জোরপূর্বক কমিউনিজম চাপিয়ে দেয়ার বিপ্লব। সে বিপ্লবের ফলে পুরনো জার এর পরিবর্তে নতুন এক জারের দুঃশাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করে, মানবতা সে নিপীড়নে জর্জরিত ছিল জার শাসনে, নতুন কমিউনিষ্ট শাসনে তার চাইতে ও অধিক নিষ্পেষন ও নির্যাতনের শৃংখলে আবদ্ধ হয় সে দেশের মানুষ। যে কমিউনিজমের কথা বলা হয়েছিল। বিপ্লবের সময় তা সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত মুহূর্তের তরেও কার্যকর বা বাস্তবায়িত হয়নি পৃথিবীর কোথাও। কিন্তু আরব উপদ্বীপে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে যে বিপ্লব সংঘটিত হয় হয় তা ছিল তাওহীদী আকীদা ভিত্তিক এক পূর্ণাঙ্গ আদর্শবাদী বিপ্লব এবং সে বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। সেই বিপ্লব ক্রমিক পদ্ধতিতে সূচিত ও বাস্তবায়িত হয়। তা ছিল শিক্ষামূলক, জ্ঞান সমৃদ্ধ এবং গঠনমূলক (Constructive) প্রভাত সমীরণের ন্যায় তা সূচিত হয়ে ক্রমশ প্রবল ও প্রচন্ড রূপধারণ করে। নতুন চাঁদ আকাশের ভালে হাঁসুলির মত উদিত হয়ে আবর্তনের ধারায় যেমন পূর্ণশশীতে পরিণত হয় ঠিক তেমনি এই বিপ্লবে মৌল চিন্তা, পূর্ণ আদর্শ ও কর্মনীতি ও পদ্ধতি কোন এক ব্যক্তির চিন্তার ফসল ছিল না, তা ছিল সম্পূর্ণ আল্লাহর দেয়া। তাই চিরন্তনতা তার বিশেষত্ব। এ বিপ্লবের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ। বিপ্লবের প্রথম দিন থেকে জ্ঞান চর্চার যে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল তা শেষ দিন পর্যন্ত চলেছে, এখনও তা সেই জ্ঞান চর্চার কারণে শাশ্বত হয়ে আছে। এই বিপ্লব চলাকালে মাঝে মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহও দেখা দিয়েছে। বিপ্লবকে পূর্ণতা দানের জন্য প্রতিরোধক শক্তিসমূহের বিষদাঁত চূর্ণ করাই তার তাৎক্ষণিক প্রয়োজন, সে প্রয়োজন চিরদিনই থাকবে। কিন্তু মূলত ধ্বংসাত্মক (Destructive) নয়, গঠনমূলকতাই তার মৌল ভাবধারা।
এই বিশেষত্বের কারণে বিপ্লবের পূর্ণত্ব প্রাপ্তির সাথে সাথে সমগ্র আরব উপদ্বীপ একটি আদর্শের ধারক ও বাহকে পরিণত হয়। বিপ্লবের বাণী অতি অল্প সময়ের মধ্যে তদানীন্তন পৃথিবীর দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে ও বিশ্ব বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়। পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ানো শক্তিগুলোকে পেঁজাতুলার মত উড়িয়ে দেয়া হয়। পূর্ণত্বের সামনে অপূর্ণত্ব এসে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নেতৃত্বে সংঘটিত এ বিপ্লব ছিল রব্বানী বিপ্লব, আল্লাহ একমাত্র রব-মালিক, আইনদাতা, বিধান দাতা ও লালন-পালনকারী হওয়ার আকীদা ভিত্তিক বিপ্লব, মানুষকে মানুষের মালিকত্ব, আইন বিধানের কতৃত্ব ও লালন পালনকারীত্ব থেকে মুক্তিদানের বিপ্লব। তাই ইসলামী বিপ্লবের মৌলধারায় এই বিশ্বাস চির জাগরুক যে, সবকিছুর মালিক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ, সার্বভৌমত্ব নিরংকুশভাবে একমাত্র তাঁরই আইন ও বিধান মানুষের উপর চলবে, একমাত্র তাঁরই বিধান চলবে যা রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে নাযিল ও বাস্তবায়িত হয়েছে, এবং দুনিয়ার যাবতীয় ধন-সম্পদে সকল মানুষের সমান অধিকার। প্রয়োজনীয় অংশ প্রাপ্তি থেকে কোন একটি মানুষও বঞ্চিত থাকবে না। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নেতৃত্বে সংঘটিত বিপ্লবে মানুষ নির্বিশেষে মর্যাদা ও অধিকার পেয়েছে, পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে তাওহীদী আদর্শ।
এ বিপ্লবেরই প্রয়োজন দুনিয়ার মানুষের জন্য। সেই প্রয়োজন যেমন তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছিল আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশ বছর পূর্বে তেমনি আজকের দিনেও সেই প্রয়োজন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে সর্ব প্রকারের আদর্শের, ইজমের ও বিপ্লবের চরম ব্যর্থতার পর এই বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা আরও অধিক তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছে বর্তমানে।
তাই আমরা চাই আজও বাস্তবায়িত হোক রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ, অনুসৃত হোক তাঁর পথ ও অভিমত, আর মানুষ দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি ভোগ করুক। আমীন।
সমাপ্ত
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরব উপদ্বীপ কেন্দ্রিক যে বিপ্লবটা করে গেছেন দুনিয়ার সমাজ ও রাষ্ট্র বিপ্লবের ইতিহাসে তা এক দৃষ্টান্তহীন ঘটনা।
সাধারণত ফরাসী বিপ্লবকে দুনিয়ার সর্বপ্রথম সুসংগঠিত ও পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব মনে করা হয়। কিন্তু আমি বলব ফরাসী বিপ্লব কোন সুসংগঠিত বিপ্লব ছিলনা, ছিলনা কোন পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব। তা সুচিন্তিত ও সুপরিকল্পিত ও ছিল না, পূর্বে সেজন্য কোন কর্মসূচী রচিত ও গৃহীত হয়নি। সে বিপ্লবের কোন নেতাও নির্বাচিত ছিলনা। ফলে ফরাসী বিপ্লব শুধু রাজতন্ত্র উৎখাতকারী একটি ঘটনারূপে চিহ্নিত হয়েছে, সামাষ্টিক জীবনে কোন স্থায়ী কল্যাণ সৃষ্টি করা সেই বিপ্লবের পক্ষে সম্ভব হয়নি। পক্ষান্তরে ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লব ছিল ব্যাপক জনগণের সমর্থনহীন মুষ্টিমেয় রাজনৈতিক কর্মী ও সেনা বাহিনীর বিপ্লব, জোরপূর্বক কমিউনিজম চাপিয়ে দেয়ার বিপ্লব। সে বিপ্লবের ফলে পুরনো জার এর পরিবর্তে নতুন এক জারের দুঃশাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করে, মানবতা সে নিপীড়নে জর্জরিত ছিল জার শাসনে, নতুন কমিউনিষ্ট শাসনে তার চাইতে ও অধিক নিষ্পেষন ও নির্যাতনের শৃংখলে আবদ্ধ হয় সে দেশের মানুষ। যে কমিউনিজমের কথা বলা হয়েছিল। বিপ্লবের সময় তা সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত মুহূর্তের তরেও কার্যকর বা বাস্তবায়িত হয়নি পৃথিবীর কোথাও। কিন্তু আরব উপদ্বীপে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে যে বিপ্লব সংঘটিত হয় হয় তা ছিল তাওহীদী আকীদা ভিত্তিক এক পূর্ণাঙ্গ আদর্শবাদী বিপ্লব এবং সে বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। সেই বিপ্লব ক্রমিক পদ্ধতিতে সূচিত ও বাস্তবায়িত হয়। তা ছিল শিক্ষামূলক, জ্ঞান সমৃদ্ধ এবং গঠনমূলক (Constructive) প্রভাত সমীরণের ন্যায় তা সূচিত হয়ে ক্রমশ প্রবল ও প্রচন্ড রূপধারণ করে। নতুন চাঁদ আকাশের ভালে হাঁসুলির মত উদিত হয়ে আবর্তনের ধারায় যেমন পূর্ণশশীতে পরিণত হয় ঠিক তেমনি এই বিপ্লবে মৌল চিন্তা, পূর্ণ আদর্শ ও কর্মনীতি ও পদ্ধতি কোন এক ব্যক্তির চিন্তার ফসল ছিল না, তা ছিল সম্পূর্ণ আল্লাহর দেয়া। তাই চিরন্তনতা তার বিশেষত্ব। এ বিপ্লবের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ। বিপ্লবের প্রথম দিন থেকে জ্ঞান চর্চার যে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল তা শেষ দিন পর্যন্ত চলেছে, এখনও তা সেই জ্ঞান চর্চার কারণে শাশ্বত হয়ে আছে। এই বিপ্লব চলাকালে মাঝে মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহও দেখা দিয়েছে। বিপ্লবকে পূর্ণতা দানের জন্য প্রতিরোধক শক্তিসমূহের বিষদাঁত চূর্ণ করাই তার তাৎক্ষণিক প্রয়োজন, সে প্রয়োজন চিরদিনই থাকবে। কিন্তু মূলত ধ্বংসাত্মক (Destructive) নয়, গঠনমূলকতাই তার মৌল ভাবধারা।
এই বিশেষত্বের কারণে বিপ্লবের পূর্ণত্ব প্রাপ্তির সাথে সাথে সমগ্র আরব উপদ্বীপ একটি আদর্শের ধারক ও বাহকে পরিণত হয়। বিপ্লবের বাণী অতি অল্প সময়ের মধ্যে তদানীন্তন পৃথিবীর দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে ও বিশ্ব বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়। পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ানো শক্তিগুলোকে পেঁজাতুলার মত উড়িয়ে দেয়া হয়। পূর্ণত্বের সামনে অপূর্ণত্ব এসে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নেতৃত্বে সংঘটিত এ বিপ্লব ছিল রব্বানী বিপ্লব, আল্লাহ একমাত্র রব-মালিক, আইনদাতা, বিধান দাতা ও লালন-পালনকারী হওয়ার আকীদা ভিত্তিক বিপ্লব, মানুষকে মানুষের মালিকত্ব, আইন বিধানের কতৃত্ব ও লালন পালনকারীত্ব থেকে মুক্তিদানের বিপ্লব। তাই ইসলামী বিপ্লবের মৌলধারায় এই বিশ্বাস চির জাগরুক যে, সবকিছুর মালিক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ, সার্বভৌমত্ব নিরংকুশভাবে একমাত্র তাঁরই আইন ও বিধান মানুষের উপর চলবে, একমাত্র তাঁরই বিধান চলবে যা রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে নাযিল ও বাস্তবায়িত হয়েছে, এবং দুনিয়ার যাবতীয় ধন-সম্পদে সকল মানুষের সমান অধিকার। প্রয়োজনীয় অংশ প্রাপ্তি থেকে কোন একটি মানুষও বঞ্চিত থাকবে না। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নেতৃত্বে সংঘটিত বিপ্লবে মানুষ নির্বিশেষে মর্যাদা ও অধিকার পেয়েছে, পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে তাওহীদী আদর্শ।
এ বিপ্লবেরই প্রয়োজন দুনিয়ার মানুষের জন্য। সেই প্রয়োজন যেমন তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছিল আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশ বছর পূর্বে তেমনি আজকের দিনেও সেই প্রয়োজন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে সর্ব প্রকারের আদর্শের, ইজমের ও বিপ্লবের চরম ব্যর্থতার পর এই বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা আরও অধিক তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছে বর্তমানে।
তাই আমরা চাই আজও বাস্তবায়িত হোক রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ, অনুসৃত হোক তাঁর পথ ও অভিমত, আর মানুষ দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি ভোগ করুক। আমীন।
সমাপ্ত