১
যা না জানলেই নয়
লেখকঃ নোমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
শিরকের প্রকারভেদ:
শিরক দুই প্রকার।
শিরকে আকবর বা বড় শিরক।
শিরকে আসগর বা ছোট শিরক।
শিরকে আকবর: যে সকল ‘ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য করা হয়, সেগুলোর কোন একটি গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে সম্পাদন করাকে শিরকে আকবর বলে। যেমন, গাইরুল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা, তার নামে জবেহ করা, জিন ও শয়তান ইত্যাদির নামে মানত করা। মৃত ব্যক্তি, জিন, শয়তান ইত্যাদিকে ক্ষতি করার বা সুস্থ অসুস্থ করার মালিক মনে করা। আর যে সকল কার্যাদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সমাধান করতে পারে না তা অন্যের কাছে আশা করা।
শিরকে আসগর : যে সব কথা ও কাজের মাধ্যমে মানুষ শিরকের দিকে ধাবিত হয়, সেসব কথা ও কাজই শিরকে আসগর বা ছোট শিরক। এ প্রকারের শিরক মুসলমানকে ঈমান হতে বের করে না বটে; তবে তাওহীদকে দুর্বল করে দেয় এবং শিরকে আকবরের পথকে সুগম করে। এর উদাহরণ গাইরুল্লাহর নামে কসম করা, রিয়া বা লোক দেখানো কাজ করা ইত্যাদি।
শিরকে আকবর বা বড় শিরক।
শিরকে আসগর বা ছোট শিরক।
শিরকে আকবর: যে সকল ‘ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য করা হয়, সেগুলোর কোন একটি গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে সম্পাদন করাকে শিরকে আকবর বলে। যেমন, গাইরুল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা, তার নামে জবেহ করা, জিন ও শয়তান ইত্যাদির নামে মানত করা। মৃত ব্যক্তি, জিন, শয়তান ইত্যাদিকে ক্ষতি করার বা সুস্থ অসুস্থ করার মালিক মনে করা। আর যে সকল কার্যাদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সমাধান করতে পারে না তা অন্যের কাছে আশা করা।
শিরকে আসগর : যে সব কথা ও কাজের মাধ্যমে মানুষ শিরকের দিকে ধাবিত হয়, সেসব কথা ও কাজই শিরকে আসগর বা ছোট শিরক। এ প্রকারের শিরক মুসলমানকে ঈমান হতে বের করে না বটে; তবে তাওহীদকে দুর্বল করে দেয় এবং শিরকে আকবরের পথকে সুগম করে। এর উদাহরণ গাইরুল্লাহর নামে কসম করা, রিয়া বা লোক দেখানো কাজ করা ইত্যাদি।