১
যা না জানলেই নয়
লেখকঃ নোমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
ইত্তেবায়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
নবী আকরাম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইত্তেবা তথা অনুসরণ ইসলামের অন্যতম মূল ভিত্তি। এ প্রসঙ্গে কুরআন ও হাদিসে প্রচুর উদ্ধৃতি বিদ্যমান। যেমন: আল্লাহ বলেন:
﴿وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ﴾ [ الحشر : 7]
‘‘রাসূল তোমাদের যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।’’ (সুরা হাশর: ০৭)
আল্লাহ তা’আলা আরো বলেন:
﴿مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا﴾ [ النساء : 80]
‘‘যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে প্রকারান্তরে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে বিমুখ হল, আমি আপনাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রেরণ করিনি।’’ (সূরা নিসা: ৮০)
ইত্তেবার অর্থ: আভিধানিক অর্থে ইত্তেবা অর্থ হল; কারো পদচিহ্ন দেখে দেখে চলা।। এ শব্দটি অনুসরণ, অনুকরণ, মান্যকরণ, আদর্শজ্ঞান করণ ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
শরিয়তের পরিভাষায় ইত্তেবা:
দ্বীনের সকল বিষয় তথা ‘আক্বিদা-বিশ্বাস, কথা, কাজ, গ্রহণ- বর্জন সহ সর্বক্ষেত্রে রাসূলের পরিপূর্ণ অনুসরণ করাকে ইত্তেবা বলে।
রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজটি যেভাবে করেছেন সেটি ঠিক সেভাবে করা। যেমন, রাসূল যে বিষয়কে ওয়াজিব হিসেবে বিশ্বাস করেছেন, আমাদেরকেও তা ওয়াজিব হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে। সুন্নত, মুসতাহাব ও মাকরূহের ব্যাপারেও ঠিক তা-ই।
ইত্তেবার বিপরীত হল মুখালাফা:
ইত্তেবার বিপরীত হল মুখালাফা বা বিরোধিতা। এটিও বিশ্বাস, কথা- কর্ম ও গ্রহণ- বর্জন সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ই‘তেক্বাদ বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে বিরোধিতা হল, কোন একটি বিষয়ে রাসূল যেরূপ বিশ্বাস পোষণ করতেন, কেউ উক্ত বিষয়ে তাঁর বিপরীত বিশ্বাস করা। যেমন, শরিয়তের কোন হালাল বিষয়কে হারাম বলে বিশ্বাস করল অথবা স্বীকৃত কোন বিদ‘আতকে ওয়াজিব বলে বিশ্বাস করল।
﴿وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ﴾ [ الحشر : 7]
‘‘রাসূল তোমাদের যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।’’ (সুরা হাশর: ০৭)
আল্লাহ তা’আলা আরো বলেন:
﴿مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا﴾ [ النساء : 80]
‘‘যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে প্রকারান্তরে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে বিমুখ হল, আমি আপনাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রেরণ করিনি।’’ (সূরা নিসা: ৮০)
ইত্তেবার অর্থ: আভিধানিক অর্থে ইত্তেবা অর্থ হল; কারো পদচিহ্ন দেখে দেখে চলা।। এ শব্দটি অনুসরণ, অনুকরণ, মান্যকরণ, আদর্শজ্ঞান করণ ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
শরিয়তের পরিভাষায় ইত্তেবা:
দ্বীনের সকল বিষয় তথা ‘আক্বিদা-বিশ্বাস, কথা, কাজ, গ্রহণ- বর্জন সহ সর্বক্ষেত্রে রাসূলের পরিপূর্ণ অনুসরণ করাকে ইত্তেবা বলে।
রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজটি যেভাবে করেছেন সেটি ঠিক সেভাবে করা। যেমন, রাসূল যে বিষয়কে ওয়াজিব হিসেবে বিশ্বাস করেছেন, আমাদেরকেও তা ওয়াজিব হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে। সুন্নত, মুসতাহাব ও মাকরূহের ব্যাপারেও ঠিক তা-ই।
ইত্তেবার বিপরীত হল মুখালাফা:
ইত্তেবার বিপরীত হল মুখালাফা বা বিরোধিতা। এটিও বিশ্বাস, কথা- কর্ম ও গ্রহণ- বর্জন সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ই‘তেক্বাদ বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে বিরোধিতা হল, কোন একটি বিষয়ে রাসূল যেরূপ বিশ্বাস পোষণ করতেন, কেউ উক্ত বিষয়ে তাঁর বিপরীত বিশ্বাস করা। যেমন, শরিয়তের কোন হালাল বিষয়কে হারাম বলে বিশ্বাস করল অথবা স্বীকৃত কোন বিদ‘আতকে ওয়াজিব বলে বিশ্বাস করল।