hadith book logo

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১১

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- কোন অবস্থায় সদকা করলে বেশী সওয়াব, হাদীসে সে প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। সদকাকারী যখন সুস্থ থাকবে, সম্পদের প্রতি চাহিদাও রয়েছে, সদকা করলে দরিদ্রতার ভয়ও আছে, এমন অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দান-সদকা হল উত্তম দান-সদকা। অতএব যে ব্যক্তি খুব ধনী, যার দরিদ্রতার ভয় নেই কিংবা মৃত্যমুখে পতিত সে ব্যক্তির সদকা এমন মর্যাদার অধিকারী নয়।

২- সময় ও হায়াত থাকতে সদকা করা উচিত। এমনিভাবে সকল প্রকার সৎকাজ তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করা উচিত। মৃত্যুর আগে আগে সব ভাল কাজ করে, তওবা করে পাক-পবিত্র হয়ে যাবো এমন আশা করে থাকা ঠিক নয়। আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন,

(আরবি)

‘আর আমি তোমাদেরকে যে রিযক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় কর, তোমাদের কারো মৃত্যু আসার পূর্বে। কেননা তখন সে বলবে, হে আমার রব, যদি আপনি আমাকে আরো কিছু কাল পর্যন্ত অবকাশ দিতেন, তাহলে আমি দান-সদকা করতাম। আর সৎ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’

(সূরা মুনাফিকুন: ১০)

৩- মৃত্যুকালে দান করলে সেটা দান হয় না। সেটা হয় অসিয়ত। যা পুরো সম্পদে কার্যকর হয় না কার্যকর হয় কেবলমাত্র তিন ভাগের একভাগ সম্পদে তাও আবার শর্ত স্বাপেক্ষে। এর প্রতি ইঙ্গিত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ সে বলে এটা অমুককে দান করলাম ওটা অমুকের জন্য দান করলাম অথচ তা অমুকের জন্য নির্ধারিত হয়েই আছে।’

৩- দান-সদকাসহ যে কোনো নেক কাজ ও সৎকর্মে অলসতা পরিহার করতে হবে।