hadith book logo

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদ, লড়াই ও সংগ্রাম করার ফজিলত প্রমাণিত হল এ হাদীসে।

২- জিহাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পূণ্যময় কাজ। এর মর্যাদা এত বেশী যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিহাদকে ইসলামের শীর্ষ চূড়া বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাইতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত সাহাবীকে জিহাদে ঝাপিয়ে পড়ার জন্য উৎসাহ দিয়ে বলেছেন, তুমি নিহত হলে জান্নাতই হবে তোমার চিরন্তন ঠিকানা।

৩- সাহাবী জিহাদের এই পূণ্যময় কাজটি সম্পাদন করার জন্য এত উদগ্রীব হয়ে পড়েছিলেন যে, হাতে রেখে খেতে থাকা খেজুরগুলো শেষ করলেন না, ফেলে দিলেন। জিহাদে অংশ নিতে দেরী হয়ে যাবে এই সামান্য দেরীটুকু বরদাশত করতে রাজী ছিলেন না। এমনিভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সাহাবায়ে কেরাম ভাল কাজ করতে সামান্য দেরীও করতেন না। সংশয়-সন্দেহে পতিত হতেন না।

৪- আল্লাহর দীন ইসলাম-কে সর্বোচ্চ শিখরে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই সংগ্রাম করার নাম জিহাদ। জিহাদের নিয়ত হতে হবে আল্লাহর দীনকে বুলন্দ করা। তেমনি শহীদ হয়ে জান্নাত লাভ করার নিয়তও করতে হবে। যেমনটি করেছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই সাহাবী।

৫- ইলম বা জ্ঞান অর্জনের জন্য সাহাবায়ে কেরাম সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন। সুযোগ পেলেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে প্রশ্ন করে অজানা বিষয়টি জেনে নিতেন।

৬- ইলম অনুযায়ী আমল করার বিষয়টি খুবই প্রত্যক্ষভাবে ফুটে উঠেছে এ হাদীসে। আলোচিত সাহাবী যখনই ইলম অর্জন করলেন যে, জিহাদে নিহত হলে আমার স্থান হবে জান্নাতে, তখনই তিনি তা সম্পন্ন করে নিলেন। অর্জিত ইলম-কে নিজ জীবনে বাস্তবায়িত করলেন।