১
শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
সুন্নাত তরীকায় কীভাবে জুমার সালাত আদায় করব?
১. জুমার দিন সকাল বেলা গোসল করবে। হাত পায়ের আঙ্গুল কাটবে এবং ওজু করার পর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করব ও সুগন্ধি ব্যবহার করব।
২. আমরা কাঁচা পেয়াজ ও রসূন খাবো না, ধূমপান করব না এবং আমাদের মুখ ধোবো এবং মিসওয়াক বা ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করব।
৩. মসজিদের প্রবেশের সময় দুই রাকাত সালাত আদায় করব, যদিও খতীব মিম্বারে খুতবার জন্য দাড়িয়ে যায়। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাত সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন,
« إذا جاء أحدكم الجمعة والإمام يخطب ، فليركع ركعتين وليتجوز فيهما »
অর্থ, তোমাদের কেউ যখন ইমাম সাহেব খুতবা দেয়ার সময় জুমার সালাতে উপস্থিত হয়, তখন সে সংক্ষেপে দু রাকাত সালাত আদায় করে নিবে।
৪. আমরা ইমাম বা খতীবের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনবো, কোন কথা বলব না।
৫. ইমামের সাথে মুক্তাদি হয়ে, জুমার দুই রাকাত ফরয সালাত আদায় করব।
৬. জুমার সালাতের পর চার রাকাত সুন্নত সালাত আদায় করব। অথবা বাসায় গিয়ে দু-রাকাত সালাত আদায় করব। এটি হল, উত্তম।
৭. জুমার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর বেশি বেশি করে দরুদ পড়বে।
৮. জুমার দিন যে মুহূর্তটি মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়, তা পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« إن في الجمعة لساعة لا يوافقها مسلم يسأل الله فيها خيراً إلا أعطاه إياه» .
অর্থ, নিশ্চয় জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, ঐ মুহূর্তটি মধ্যে কোন মুসলিম বান্দা মহান আল্লাহর নিকট কোন কল্যাণ কামনা করে, মহান আল্লাহ তা‘আলা সে কল্যাণ তাকে অবশ্যই দান করবে।
২. আমরা কাঁচা পেয়াজ ও রসূন খাবো না, ধূমপান করব না এবং আমাদের মুখ ধোবো এবং মিসওয়াক বা ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করব।
৩. মসজিদের প্রবেশের সময় দুই রাকাত সালাত আদায় করব, যদিও খতীব মিম্বারে খুতবার জন্য দাড়িয়ে যায়। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাত সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন,
« إذا جاء أحدكم الجمعة والإمام يخطب ، فليركع ركعتين وليتجوز فيهما »
অর্থ, তোমাদের কেউ যখন ইমাম সাহেব খুতবা দেয়ার সময় জুমার সালাতে উপস্থিত হয়, তখন সে সংক্ষেপে দু রাকাত সালাত আদায় করে নিবে।
৪. আমরা ইমাম বা খতীবের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনবো, কোন কথা বলব না।
৫. ইমামের সাথে মুক্তাদি হয়ে, জুমার দুই রাকাত ফরয সালাত আদায় করব।
৬. জুমার সালাতের পর চার রাকাত সুন্নত সালাত আদায় করব। অথবা বাসায় গিয়ে দু-রাকাত সালাত আদায় করব। এটি হল, উত্তম।
৭. জুমার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর বেশি বেশি করে দরুদ পড়বে।
৮. জুমার দিন যে মুহূর্তটি মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়, তা পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« إن في الجمعة لساعة لا يوافقها مسلم يسأل الله فيها خيراً إلا أعطاه إياه» .
অর্থ, নিশ্চয় জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, ঐ মুহূর্তটি মধ্যে কোন মুসলিম বান্দা মহান আল্লাহর নিকট কোন কল্যাণ কামনা করে, মহান আল্লাহ তা‘আলা সে কল্যাণ তাকে অবশ্যই দান করবে।