hadith book logo

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩

ভূমিকা

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا ، من يهده الله فلا مضل له ، ومن يضلل فلا هادي له . أما بعد ؛؛

শিশুদের লালন-পালন বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ের উপর জানা বা জ্ঞান থাকার সাথে মাতা-পিতা ও সন্তান উভয়ের কল্যাণ জড়িত। শুধু তাই নয়, একটি সমাজের উন্নতি ও জাতির ভবিষ্যৎ শিশুদের শিক্ষা ও লালন পালনের উপর নির্ভর করে। শিশুরাই হল, জাতির কর্ণধার ও ভবিষ্যৎ। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এ কারণেই ইসলাম ও মনীষীগণ বিশেষ করে সমস্ত-মনীষীদের-সরদার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যাকে মহান আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতা ও সন্তান উভয়ের জন্য শিক্ষক ও পথপ্রদর্শক হিসেবে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন, তিনি শিশুদের শিক্ষা-দীক্ষা ও সঠিকভাবে লালন-পালন করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

এ কারণেই আমরা কুরআনে করীমে দেখতে পাই যে, মহান আল্লাহ তা‘আলা শিক্ষণীয় ও উপদেশমূলক অনেক ঘটনা বর্ণনা করেছেন, যাতে সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যেমন, লোকমান হাকিমের ঘটনা; এ ঘটনাতে তিনি তার ছেলেকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দেন, যা কুরআন সবিস্তারে আলোচনা করেছে। অনুরূপভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাল্যকাল থেকেই তার চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের অন্তরে তাওহীদের বীজ বপন করে জাতিকে জানিয়ে দেন যে, বাল্যকাল থেকেই একজন সন্তানকে তাওহীদের শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের এ বইয়ে একজন পাঠক অবশ্যই জানতে পারবে, সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার কর্তব্য কি আবার মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়-দায়িত্ব কি? মহান আল্লাহর নিকট আকুল আবেদন, তিনি যেন এ বইটি দ্বারা পাঠকদের উপকৃত করেন এবং বইটিকে যেন একমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কারণ বানিয়ে দেন।

মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ