১
নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি
লেখকঃ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
তিন বা চার রাকা‘আত বিশিষ্ট সালাতের তাশাহহুদের জন্য বসা ও তার পদ্ধতি
১৪. সালাত যদি তিন রাকাতবিশিষ্ট হয়, যেমন মাগরিবের সালাত অথবা চার রাকাতবিশিষ্ট হয় যেমন জোহর, আসর ও এশার সালাত, তাহলে পূর্বোল্লিখিত “তাশাহহুদ” পড়বে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুরূদও পাঠ করবে।
অতঃপর আল্লাহু আকবার বলে হাটুতে ভর করে (সোজা হয়ে) দাঁড়িয়ে উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে পূর্বের ন্যায় বুকের উপর রাখবে এবং শুধু সূরা ফাতিহা পড়বে। যদি কেউ জোহরের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকআতে কখনও সূরা ফাতিহার অতিরিক্ত অন্য কোনো সূরা পড়ে তবে কোনো বাধা নেই। কেননা এবিষয়ে আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস প্রমাণ বহন করছে। [প্রথম তাশাহহুদে যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুরূদ পাঠ করা ছেড়ে দেয় এতেও কোনো ক্ষতি নেই। কারণ, প্রথম বৈঠকে দুরূদ পাঠ করা ওয়াজিব নয় বরং মুস্তাহাব।]
অতঃপর মাগরিবের সালাতের তৃতীয় রাকাত এবং জোহর, আসর ও এশার সালাতের চতুর্থ রাকআতের পর দু’ রাকা‘আত বিশিষ্ট সালাতের ন্যায় তাশাহহুদ পড়বে।
তারপর মুসল্লি তার ডানদিকে ও বামদিকে সালাম ফিরাবে।
অতঃপর আল্লাহু আকবার বলে হাটুতে ভর করে (সোজা হয়ে) দাঁড়িয়ে উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে পূর্বের ন্যায় বুকের উপর রাখবে এবং শুধু সূরা ফাতিহা পড়বে। যদি কেউ জোহরের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকআতে কখনও সূরা ফাতিহার অতিরিক্ত অন্য কোনো সূরা পড়ে তবে কোনো বাধা নেই। কেননা এবিষয়ে আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস প্রমাণ বহন করছে। [প্রথম তাশাহহুদে যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুরূদ পাঠ করা ছেড়ে দেয় এতেও কোনো ক্ষতি নেই। কারণ, প্রথম বৈঠকে দুরূদ পাঠ করা ওয়াজিব নয় বরং মুস্তাহাব।]
অতঃপর মাগরিবের সালাতের তৃতীয় রাকাত এবং জোহর, আসর ও এশার সালাতের চতুর্থ রাকআতের পর দু’ রাকা‘আত বিশিষ্ট সালাতের ন্যায় তাশাহহুদ পড়বে।
তারপর মুসল্লি তার ডানদিকে ও বামদিকে সালাম ফিরাবে।