১
নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি
লেখকঃ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
সাজদাহ, তা থেকে মাথা উঠানো ও তাতে আরও যা রয়েছে
৯. আল্লাহু আকবার বলে, যদি কোনো প্রকার কষ্ট না হয় তা হলে উভয় হাতের আগে দুই হাটু (মাটিতে রেখে) সাজদায় যাবে। আর যদি কষ্ট হয় তাহলে উভয় হাত হাটুর পূর্বে (মাটিতে) রাখবে। আর তখন হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলো কিবলামুখী থাকবে এবং হাতের আঙ্গুলগুলো মিলিত ও প্রসারিত হয়ে থাকবে।
আর সাজদাহ হবে সাতটি অঙ্গের উপর। অঙ্গগুলো হলো: নাকসহ কপাল, উভয় হাতুলী, উভয় হাটু এবং উভয় পায়ের আঙ্গুলের ভিতরের অংশ।
সাজদায় গিয়ে বলবে: “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা” “আমার সর্বোচ্চ রব্ব (আল্লাহ) অতি পবিত্র-মহান।” সুন্নাত হচ্ছে তিন বা তার অধিকবার তা পুনরাবৃত্তি করা। আর এর সাথে নিম্নের দো‘আটি পড়া মুস্তাহাব:
» سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّناَ وَبِحَمْدِكَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ «
উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলি।
“হে আল্লাহ! আমাদের রব, তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি তোমার প্রশংসা সহকারে। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর।”
আর সাজদায় বেশি বেশি দো‘আ করবেন। কারণ; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
» فأما الركوع فعظموا فيه الرب وأما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن أن يستجاب «
“তোমরা রুকু অবস্থায় মহান রবের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব বর্ণনা কর আর সাজদারত অবস্থায় অধিক দো‘আ করার চেষ্টা কর, কেননা তা তোমাদের দো‘আ কবুল হওয়ার অধিক উপযোগী অবস্থা।” [সহীহ মুসলিম।]
ফরয অথবা নফল উভয় সালাতে মুসলিম (সালাত আদায়কারী) সাজদার মধ্যে তার নিজের এবং মুসলিমদের জন্য আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য দো‘আ করবে।
আর সাজদার সময় উভয় বাহুকে পার্শ্বদেশ থেকে, পেটকে উভয় উরু এবং উভয় উরু পিণ্ডলী থেকে আলাদা রাখবে এবং উভয় বাহু মাটি থেকে উপরে রাখবে; কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«اِعْتَدِلُوْا فِي السُّجُوْدِ وَلاَيبسِطُ أَحْدُكُمْ ذِرَاعَيْهِ إِنْبِسَاطَ الْكَلْبِ»
“তোমরা সাজদায় বরাবর সোজা থাকবে। তোমাদের কেউ যেন তোমাদের উভয় হাতকে কুকুরের ন্যায় বিছিয়ে প্রসারিত না রাখে।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
আর সাজদাহ হবে সাতটি অঙ্গের উপর। অঙ্গগুলো হলো: নাকসহ কপাল, উভয় হাতুলী, উভয় হাটু এবং উভয় পায়ের আঙ্গুলের ভিতরের অংশ।
সাজদায় গিয়ে বলবে: “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা” “আমার সর্বোচ্চ রব্ব (আল্লাহ) অতি পবিত্র-মহান।” সুন্নাত হচ্ছে তিন বা তার অধিকবার তা পুনরাবৃত্তি করা। আর এর সাথে নিম্নের দো‘আটি পড়া মুস্তাহাব:
» سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّناَ وَبِحَمْدِكَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ «
উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলি।
“হে আল্লাহ! আমাদের রব, তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি তোমার প্রশংসা সহকারে। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর।”
আর সাজদায় বেশি বেশি দো‘আ করবেন। কারণ; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
» فأما الركوع فعظموا فيه الرب وأما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن أن يستجاب «
“তোমরা রুকু অবস্থায় মহান রবের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব বর্ণনা কর আর সাজদারত অবস্থায় অধিক দো‘আ করার চেষ্টা কর, কেননা তা তোমাদের দো‘আ কবুল হওয়ার অধিক উপযোগী অবস্থা।” [সহীহ মুসলিম।]
ফরয অথবা নফল উভয় সালাতে মুসলিম (সালাত আদায়কারী) সাজদার মধ্যে তার নিজের এবং মুসলিমদের জন্য আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য দো‘আ করবে।
আর সাজদার সময় উভয় বাহুকে পার্শ্বদেশ থেকে, পেটকে উভয় উরু এবং উভয় উরু পিণ্ডলী থেকে আলাদা রাখবে এবং উভয় বাহু মাটি থেকে উপরে রাখবে; কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«اِعْتَدِلُوْا فِي السُّجُوْدِ وَلاَيبسِطُ أَحْدُكُمْ ذِرَاعَيْهِ إِنْبِسَاطَ الْكَلْبِ»
“তোমরা সাজদায় বরাবর সোজা থাকবে। তোমাদের কেউ যেন তোমাদের উভয় হাতকে কুকুরের ন্যায় বিছিয়ে প্রসারিত না রাখে।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]