১
মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত
লেখকঃ আখতারুজ্জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
মদীনা যিয়ারতের ক্ষেত্রে অন্যান্য স্থানসমূহ : ১। বাকী‘ গোরস্থান দর্শন
‘বাকী‘য়ে গারকাদ’ মদীনার অভ্যন্তরীণ কবরস্থান। যেখানে ইমাম মালিক র. এর বর্ণনা অনুযায়ী প্রায় দশ হাজার ছাহাবাকে দাফন করা হয়েছে। অনুরূপ রাসূল (ﷺ) পরিবারের বিশেষ বিশেষ বক্তিকে সেখানে দাফন করা হয়েছে। সেখানে শায়িত আছেন আব্বাস ইবন আ. মুত্তালিব (রাঃ) উসমান (রাঃ) আকীল ইবন আবিতালিব (রাঃ) রাসূল (ﷺ) এর অধিকাংশ স্ত্রীগণ, আব্দুর রহমান ইবন আউফ রা., সা‘আদ ইবন আবী ওয়াক্কাস রা. সহ প্রমূখ সাহাবীগণ। অতএব বাকী‘ গোরস্থানে সমাধিত ব্যক্তিগণকে সালাম প্রদান, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দো‘আ করার উদ্দেশ্যে যিয়ারত বৈধ আছে। রাসূল স. এর অনুসরণে বাকী গোরস্থান যিয়ারত করা উত্তম। তিনি যিয়ারতের সময় বলতেন :
«السلام عليكم دارقوم مؤمنين، وإنا إن شاء الله بكم لاحقون، اللهم غفرلأهل بقيع الغرقد»
“হে মুমিন জনবসতি তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হবো। হে, আল্লাহ বাকী‘র অধিবাসীকে ক্ষমা কর।”
বুরাইদা (রাঃ) বলেন : (ﷺ) আমাদেরকে কবর যিয়ারত শিক্ষা দেওয়ার সময় এই দো‘আ শিখিয়েছেন :
«السلام عليكم أهل الديار من المؤمنين والمسلمين وإنا إن شاء الله للاحقون، أسأل الله لنا ولكم العافية» .
“হে মুমিন ও মুসলিম অধিবাসীগণ তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো ইনশাআল্লাহ, আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট মঙ্গল কামনা করি। [মুসলিম : ৯৭৫]
আয়েশা (রাঃ) বলেন : আমার অংশের প্রতি রাত্রের শেষভাগে রাসূল (ﷺ) জান্নাতুল বাকীতে গমন করতেন, বলতেন,
«السلام عليكم دار قوم مؤمنين واتاكم ما توعدون غدا مؤجلون وإنا إن شاء الله بكم لا حقون اللهم إغفر لأهل بقيع الغرقد»
“হে মুমিন অধিবাসীগণ! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, তোমাদের সাথে কৃত ওয়াদা বাস্তবায়িত হয়েছে। আগামীটা বাকী রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো। হে আল্লাহ তুমি বাকী বাসীদেরকে ক্ষমা করে দাও।” [মুসলিম : ৯৭৪]
অতএব, কারো জন্য এর অতিরিক্ত করা বৈধ নয়, যে সেখানে নিজের জন্য দো‘আ করবে। কারণ পূর্বসূরীগণ মৃত ব্যক্তি থেকে বরকত হাসিলের উদ্দেশ্য বা তাদের কবরের নিকট নিজেদের জন্য দো‘আর উদ্দেশ্য বা তাদের দ্বারা দো‘আ করানোর জন্য কবর যিয়ারত করতেন না বরং তারা মৃত ব্যক্তিদের জন্য দো‘আ বা ইস্তিগফারের উদ্দেশ্যে কবর যিয়ারত করতেন। এতটুকুই শরীয়তসম্মত। অতএব, কোনো যিয়ারতকারী সীমা অতিক্রম করে যদি নিজের জন্য বা মৃত ব্যক্তি দ্বারা দো‘আ করায় তাহলে সে সর্ব সম্মতি ক্রমে নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হলো। [ফতওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়া : ২৯/১৪৩]
«السلام عليكم دارقوم مؤمنين، وإنا إن شاء الله بكم لاحقون، اللهم غفرلأهل بقيع الغرقد»
“হে মুমিন জনবসতি তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হবো। হে, আল্লাহ বাকী‘র অধিবাসীকে ক্ষমা কর।”
বুরাইদা (রাঃ) বলেন : (ﷺ) আমাদেরকে কবর যিয়ারত শিক্ষা দেওয়ার সময় এই দো‘আ শিখিয়েছেন :
«السلام عليكم أهل الديار من المؤمنين والمسلمين وإنا إن شاء الله للاحقون، أسأل الله لنا ولكم العافية» .
“হে মুমিন ও মুসলিম অধিবাসীগণ তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো ইনশাআল্লাহ, আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট মঙ্গল কামনা করি। [মুসলিম : ৯৭৫]
আয়েশা (রাঃ) বলেন : আমার অংশের প্রতি রাত্রের শেষভাগে রাসূল (ﷺ) জান্নাতুল বাকীতে গমন করতেন, বলতেন,
«السلام عليكم دار قوم مؤمنين واتاكم ما توعدون غدا مؤجلون وإنا إن شاء الله بكم لا حقون اللهم إغفر لأهل بقيع الغرقد»
“হে মুমিন অধিবাসীগণ! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, তোমাদের সাথে কৃত ওয়াদা বাস্তবায়িত হয়েছে। আগামীটা বাকী রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো। হে আল্লাহ তুমি বাকী বাসীদেরকে ক্ষমা করে দাও।” [মুসলিম : ৯৭৪]
অতএব, কারো জন্য এর অতিরিক্ত করা বৈধ নয়, যে সেখানে নিজের জন্য দো‘আ করবে। কারণ পূর্বসূরীগণ মৃত ব্যক্তি থেকে বরকত হাসিলের উদ্দেশ্য বা তাদের কবরের নিকট নিজেদের জন্য দো‘আর উদ্দেশ্য বা তাদের দ্বারা দো‘আ করানোর জন্য কবর যিয়ারত করতেন না বরং তারা মৃত ব্যক্তিদের জন্য দো‘আ বা ইস্তিগফারের উদ্দেশ্যে কবর যিয়ারত করতেন। এতটুকুই শরীয়তসম্মত। অতএব, কোনো যিয়ারতকারী সীমা অতিক্রম করে যদি নিজের জন্য বা মৃত ব্যক্তি দ্বারা দো‘আ করায় তাহলে সে সর্ব সম্মতি ক্রমে নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হলো। [ফতওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়া : ২৯/১৪৩]