hadith book logo

মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত

লেখকঃ আখতারুজ্জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪

মসজিদে প্রবেশের নীতিমালা :

সুন্নাত হল ডান পা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করবে এবং বলবে যেমন অন্যান্য মসজিদে প্রবেশের সময় বলা হয়ত

«بسم الله والصلاة والسلام على رسول الله، اللهم اغفرلي ذنوبي وافتح لي ابواب رحمتك» [ইবনে মাযাহ : ৭৭১]

আরো বলবে :

«أعوذبالله العظيم وبوجهه الكريم وسلطانه القديم من الشيطان الرجيم» [আবু দাউদ : ৪৬৬]

অতঃপর তাহিয়্যাতুল মসজিদ হিসাবে দুই রাকাত সালাত পড়বে। আবু কাতাদাহ আসসুলামী হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন :

«إذا دخل أحدكم المسجد فلا يجلس حتى يصلى ركعتين»

“যখন কেউ মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন দুই রাকাত সালাত আদায়ের পর বসবে।” [বুখারী ৪৪৪, মুসলিম ১৬৫৪]

সহীহ মুসলিমে আছে, কা‘ব ইবন মালেক (রাঃ) বলেন, “রাসূল (ﷺ) সকল সফর থেকে পূর্বাহ্নে ফিরতেন এবং সর্বপ্রথম মসজিদে প্রবেশ করে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন অতঃপর বসতেন। [মুসলিম: ১৬৫৯]

আর সম্ভব হলে রওযাহ ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সালাত আদায়ের চেষ্টা করবে। যেহেতু তার বিশেষ ফযিলত রয়েছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন :

«مابين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضى»

“আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের একটি অংশ, আর আমার মিম্বর হাউজের উপর স্থাপিত। [বুখারী-১১৯৫]”

আর সম্ভব না হলে যে কোনো স্থানে সালাত আদায় করে নিবে। আর এটা হলে জামাতবিহীন সালাতের ক্ষেত্রে, জামাতের সাথে সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে ইমামের কাছাকাছি প্রথম কাতারের প্রতি সচেষ্ট হবে। কারণ এটিই উত্তম। রাসূল (ﷺ) বলেন :

«لو يعلم الناس ما في النداء والصف الأول ثم لم يجدوا إلا أن يستهموا عليه لاستهموا»

“আযান ও প্রথম কাতারে কত মর্যাদা মানুষ যদি জানত, তাহলে লটারী করার দরকার হলেও লটারী করে তাতে অংশ গ্রহণ করত।” [বুখারী : ৬১৫, মুসলিম : ৯৮১]