১
সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ ইসলাম কিউ. এ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
কখন একজন ব্যক্তি সাওম পালনের নিয়্যাত করবে আর দিনের বেলায় রমযান শুরু হয়ে গেছে জানলে সে কী করবে?
ফাতওয়া নং ২৬৮৬৩
প্রশ্ন: রমযানে সাওম রাখার নিয়্যাত কী রাতে করা ওয়াজিব নাকি দিনে? আর কেউ যদি পূর্বাহ্নে এসে বলে যে আজকে রমযান, তাহলে তাকে তার কাযা করতে হবে কি না?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
রমযান মাসের সাওমের নিয়্যাত রাতে ফজরের আগে করাটা ওয়াজিব। আর ঐদিন নিয়্যাত ছাড়া দিনের বেলা সাওম রাখাটা শুদ্ধ হবে না। কেউ যদি পূর্বাহ্নে এসে জানতে পারে যে আজকে রমযান তাহলে সে রোযার নিয়্যাত করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকবে এবং পরবর্তীতে তাকে কাযা করতে হবে। কারণ, ইবন উমার, হাফসাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«من لم يجمع الصيام قبل الفجر فلا صيام له»
“যে ফজরের আগে সিয়ামের নিয়্যাত বাঁধে না, তার কোনো সিয়াম নেই।” [ইমাম আহমাদ, আস-সুনানের সংকলকগণ, ইবন খুযাইমাহ এবং ইবন হিব্বান বর্ণনা করেছেন এবং শেষের দু’জন এই হাদীসটিকে সহীহ এবং মারফূ‘ বলে সাব্যস্ত করেছেন।]
এটি ফরয সাওমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। নাফল সাওমের ক্ষেত্রে দিনের বেলায় নিয়্যাত করার অনুমতি আছে। যদি আপনি ফজরের পরে খাওয়া বা পান করা বা যৌন মিলন থেকে বিরত থাকেন। কারণ, ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর নিকট পূর্বাহ্নে এসে বললেন, «هل عندكم شيء؟» “তোমাদের কাছে কিছু (খাবার) আছে কি?” ‘আয়েশা বললেন, “না।” তিনি বললেন, «إني إذاً صائم» “তাহলে আমি সাওম পালন করলাম।” [এটি ইমাম মুসলিম তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।]
আর আল্লাহই তাওফীক দাতা। আর আল্লাহর নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
গবেষণা ও ফাতওয়া ইস্যুকারী আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ (১০/২৪৪)
ইসলাম কিউ.এ
প্রশ্ন: রমযানে সাওম রাখার নিয়্যাত কী রাতে করা ওয়াজিব নাকি দিনে? আর কেউ যদি পূর্বাহ্নে এসে বলে যে আজকে রমযান, তাহলে তাকে তার কাযা করতে হবে কি না?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
রমযান মাসের সাওমের নিয়্যাত রাতে ফজরের আগে করাটা ওয়াজিব। আর ঐদিন নিয়্যাত ছাড়া দিনের বেলা সাওম রাখাটা শুদ্ধ হবে না। কেউ যদি পূর্বাহ্নে এসে জানতে পারে যে আজকে রমযান তাহলে সে রোযার নিয়্যাত করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকবে এবং পরবর্তীতে তাকে কাযা করতে হবে। কারণ, ইবন উমার, হাফসাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«من لم يجمع الصيام قبل الفجر فلا صيام له»
“যে ফজরের আগে সিয়ামের নিয়্যাত বাঁধে না, তার কোনো সিয়াম নেই।” [ইমাম আহমাদ, আস-সুনানের সংকলকগণ, ইবন খুযাইমাহ এবং ইবন হিব্বান বর্ণনা করেছেন এবং শেষের দু’জন এই হাদীসটিকে সহীহ এবং মারফূ‘ বলে সাব্যস্ত করেছেন।]
এটি ফরয সাওমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। নাফল সাওমের ক্ষেত্রে দিনের বেলায় নিয়্যাত করার অনুমতি আছে। যদি আপনি ফজরের পরে খাওয়া বা পান করা বা যৌন মিলন থেকে বিরত থাকেন। কারণ, ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর নিকট পূর্বাহ্নে এসে বললেন, «هل عندكم شيء؟» “তোমাদের কাছে কিছু (খাবার) আছে কি?” ‘আয়েশা বললেন, “না।” তিনি বললেন, «إني إذاً صائم» “তাহলে আমি সাওম পালন করলাম।” [এটি ইমাম মুসলিম তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।]
আর আল্লাহই তাওফীক দাতা। আর আল্লাহর নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
গবেষণা ও ফাতওয়া ইস্যুকারী আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ (১০/২৪৪)
ইসলাম কিউ.এ