১
মাবরুর হজ
লেখকঃ মুহাম্মদ ইবন জামীল যাইনু • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
ওমরার আমলসমূহ
১- ইহরাম
২. তাওয়াফ
৩. সাঈ
৪. চুল মুণ্ডানো বা ছোট করা
প্রথমত: ইহরাম
১. ভালোভাবে গোসল করে নিন এবং সম্ভব হলে সুগন্ধি মাখুন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক ছেড়ে ইহরামের নির্ধারিত দু’টুকরো কাপড় পরে নিন। পুরুষদেরকে মাথা উন্মুক্ত রাখতে হবে। আর নারী হজযাত্রীগণ নিজ স্বাভাবিক পোশাক পরেই ইহরাম বাঁধুন। হাত মোজা পরিধান করে হাত ঢেকে রাখবেন না। অন্য পুরুষ দেখতে পায় এমন অবস্থায় উপনীত হলে মাথায় রাখা ওড়না দিয়ে চেহারা আড়াল করুন।
২. মীকাতে পৌঁছে কিবলা মুখী হয়ে দাঁড়িয়ে বলুন। ( لبيك اللهم بعمرة ) (তবে মীকাতের আগেও এর মাধ্যমে নিয়ত করা যায়) কোনোরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা করলে শর্ত আরোপ করে বলতে পারেন, ( اللهم محلي حيث حبستني ) অর্থাৎ হে আল্লাহ তুমি যেখানে আমাকে আটকে দেবে সেটিই আমার হালাল হবার স্থান। যদি বাস্তবিকই কোনো প্রতিবন্ধকতা এসে পড়ে তাহলে ওমরা পালন না করেই সেস্থানে ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যেতে পারবেন। তার জন্য দম, ফিদিয়া কিছুই আদায় করতে হবে না।
৩. উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করুন, বলুন-
«لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالمُلْكَ، لاَ شَرِيكَ لَكَ»
“আমি হাজীর, হে আল্লাহ আমি হাজীর, আমি হাজীর তোমার কোনো শরীক নেই আমি হাযির, নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও যাবতীয় নি‘আমত তোমার এবং রাজত্বও, তোমার কোনো শরীক নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫৪৯, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৮৪।]
২. তাওয়াফ
৩. সাঈ
৪. চুল মুণ্ডানো বা ছোট করা
প্রথমত: ইহরাম
১. ভালোভাবে গোসল করে নিন এবং সম্ভব হলে সুগন্ধি মাখুন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক ছেড়ে ইহরামের নির্ধারিত দু’টুকরো কাপড় পরে নিন। পুরুষদেরকে মাথা উন্মুক্ত রাখতে হবে। আর নারী হজযাত্রীগণ নিজ স্বাভাবিক পোশাক পরেই ইহরাম বাঁধুন। হাত মোজা পরিধান করে হাত ঢেকে রাখবেন না। অন্য পুরুষ দেখতে পায় এমন অবস্থায় উপনীত হলে মাথায় রাখা ওড়না দিয়ে চেহারা আড়াল করুন।
২. মীকাতে পৌঁছে কিবলা মুখী হয়ে দাঁড়িয়ে বলুন। ( لبيك اللهم بعمرة ) (তবে মীকাতের আগেও এর মাধ্যমে নিয়ত করা যায়) কোনোরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা করলে শর্ত আরোপ করে বলতে পারেন, ( اللهم محلي حيث حبستني ) অর্থাৎ হে আল্লাহ তুমি যেখানে আমাকে আটকে দেবে সেটিই আমার হালাল হবার স্থান। যদি বাস্তবিকই কোনো প্রতিবন্ধকতা এসে পড়ে তাহলে ওমরা পালন না করেই সেস্থানে ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যেতে পারবেন। তার জন্য দম, ফিদিয়া কিছুই আদায় করতে হবে না।
৩. উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করুন, বলুন-
«لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالمُلْكَ، لاَ شَرِيكَ لَكَ»
“আমি হাজীর, হে আল্লাহ আমি হাজীর, আমি হাজীর তোমার কোনো শরীক নেই আমি হাযির, নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও যাবতীয় নি‘আমত তোমার এবং রাজত্বও, তোমার কোনো শরীক নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫৪৯, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৮৪।]