১
দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে
লেখকঃ শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
৭- প্রার্থনাকারী নিজের কল্যাণের দো‘আ করবে নিজের বা কোনো মুসলিমের অনিষ্টের দো‘আ করবে না:
নিজের কল্যাণের জন্য দো‘আ করলে তা কবুল হওয়ার ওয়াদা আছে আর অকল্যাণ বা পাপ নিয়ে আসতে পারে এমন দো‘আ করলে তা কবুল হবে না বলে হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ، إِلَّا أَعْطَاهُ اللَّهُ بِهَا إِحْدَى ثَلَاثٍ : إِمَّا أَنْ تُعَجَّلَ لَهُ دَعْوَتُهُ، وَإِمَّا أَنْ يَدَّخِرَهَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ، وَإِمَّا أَنْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا " قَالُوا : إِذًا نُكْثِرُ، قَالَ : «اللَّهُ أَكْثَرُ»
“যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দো‘আ করে, যে দো‘আতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে না তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দো‘আ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দো‘আ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দো‘আর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দো‘আর মাধ্যমে তার দিকে আগুয়ান কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, আমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দো‘আ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন”। [আহমদ, হাদীস নং ১১১৩৩]
তিনি আরো বলেন,
«لَا يَزَالُ يُسْتَجَابُ لِلْعَبْدِ، مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ »
“বান্দার দো‘আ কবুল হয় যদি তাতে পাপ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা না থাকে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৩৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরেঅ বলেন,
«لَا تَدْعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ، وَلَا تَدْعُوا عَلَى أَوْلَادِكُمْ، وَلَا تَدْعُوا عَلَى أَمْوَالِكُمْ»
“তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না, নিজেদের সন্তানদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না এবং নিজেদের সম্পদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০০৯]
«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ، إِلَّا أَعْطَاهُ اللَّهُ بِهَا إِحْدَى ثَلَاثٍ : إِمَّا أَنْ تُعَجَّلَ لَهُ دَعْوَتُهُ، وَإِمَّا أَنْ يَدَّخِرَهَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ، وَإِمَّا أَنْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا " قَالُوا : إِذًا نُكْثِرُ، قَالَ : «اللَّهُ أَكْثَرُ»
“যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দো‘আ করে, যে দো‘আতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে না তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দো‘আ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দো‘আ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দো‘আর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দো‘আর মাধ্যমে তার দিকে আগুয়ান কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, আমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দো‘আ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন”। [আহমদ, হাদীস নং ১১১৩৩]
তিনি আরো বলেন,
«لَا يَزَالُ يُسْتَجَابُ لِلْعَبْدِ، مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ »
“বান্দার দো‘আ কবুল হয় যদি তাতে পাপ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা না থাকে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৩৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরেঅ বলেন,
«لَا تَدْعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ، وَلَا تَدْعُوا عَلَى أَوْلَادِكُمْ، وَلَا تَدْعُوا عَلَى أَمْوَالِكُمْ»
“তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না, নিজেদের সন্তানদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না এবং নিজেদের সম্পদের বিরুদ্ধে দো‘আ করবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০০৯]