১
দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে
লেখকঃ শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
৯- বেশি বেশি করে ও বার বার দো‘আ প্রার্থনা করা:
যেমন হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«إِذَا سَأَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيُكْثِرْ، فَإِنَّهُ يَسْأَلُ رَبَّهُ»
“তোমাদের কেউ যখন দো‘আ করে সে যেন বেশি করে দো‘আ করে কেননা সে তার প্রভুর কাছে প্রার্থনা কছে”। [সহীহ ইবন হিব্বান, হাদীস ৮৮৯]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«لَا يَزَالُ يُسْتَجَابُ لِلْعَبْدِ، مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ، مَا لَمْ يَسْتَعْجِلْ» قِيلَ : يَا رَسُولَ اللهِ مَا الِاسْتِعْجَالُ؟ قَالَ : يَقُولُ : «قَدْ دَعَوْتُ وَقَدْ دَعَوْتُ، فَلَمْ أَرَ يَسْتَجِيبُ لِي، فَيَسْتَحْسِرُ عِنْدَ ذَلِكَ وَيَدَعُ الدُّعَاءَ»
“বান্দার দো‘আ কবুল করা হয় যদি সে দো‘আতে পাপ অথবা আত্মীয়তার সম্পর্কের ছিন্ন করার কথা না বলে এবং তাড়াহুড়ো না করে। জিজ্ঞেস করা হলো হে আল্লাহর রাসূল! তাড়াহুড়ো বলতে কি বুঝায়, তিনি বললেন, দো‘আতে তাড়াহুড়া হলো, প্রার্থনাকারী বলে আমিতো দো‘আ করলাম কিন্তু কবুল হতে দেখলাম না। ফলে সে নিরাশ হয় ও দো‘আ করা ছেড়ে দেয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৩৫]
দো‘আ কবুল হতে না দেখলে নিরাশ হওয়া উচিৎ নয়। কারণ, মুমিন ব্যক্তির দো‘আ কখনো বৃথা যায় না। হাদীসে এসেছে:
«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ، إِلَّا أَعْطَاهُ اللَّهُ بِهَا إِحْدَى ثَلَاثٍ : إِمَّا أَنْ تُعَجَّلَ لَهُ دَعْوَتُهُ، وَإِمَّا أَنْ يَدَّخِرَهَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ، وَإِمَّا أَنْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا " قَالُوا : إِذًا نُكْثِرُ، قَالَ : «اللَّهُ أَكْثَرُ»
“যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দো‘আ করে, যে দো‘আতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে না তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দো‘আ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দো‘আ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দো‘আর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দো‘আর মাধ্যমে তার দিকে আগুয়ান কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, আমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দো‘আ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন”। [আহমদ, হাদীস নং ১১১৩৩]
এ হাদীসে যেমন দো‘আ কখনো বৃথা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে তেমনি বেশি করে দো‘আ করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
«إِذَا سَأَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيُكْثِرْ، فَإِنَّهُ يَسْأَلُ رَبَّهُ»
“তোমাদের কেউ যখন দো‘আ করে সে যেন বেশি করে দো‘আ করে কেননা সে তার প্রভুর কাছে প্রার্থনা কছে”। [সহীহ ইবন হিব্বান, হাদীস ৮৮৯]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«لَا يَزَالُ يُسْتَجَابُ لِلْعَبْدِ، مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ، مَا لَمْ يَسْتَعْجِلْ» قِيلَ : يَا رَسُولَ اللهِ مَا الِاسْتِعْجَالُ؟ قَالَ : يَقُولُ : «قَدْ دَعَوْتُ وَقَدْ دَعَوْتُ، فَلَمْ أَرَ يَسْتَجِيبُ لِي، فَيَسْتَحْسِرُ عِنْدَ ذَلِكَ وَيَدَعُ الدُّعَاءَ»
“বান্দার দো‘আ কবুল করা হয় যদি সে দো‘আতে পাপ অথবা আত্মীয়তার সম্পর্কের ছিন্ন করার কথা না বলে এবং তাড়াহুড়ো না করে। জিজ্ঞেস করা হলো হে আল্লাহর রাসূল! তাড়াহুড়ো বলতে কি বুঝায়, তিনি বললেন, দো‘আতে তাড়াহুড়া হলো, প্রার্থনাকারী বলে আমিতো দো‘আ করলাম কিন্তু কবুল হতে দেখলাম না। ফলে সে নিরাশ হয় ও দো‘আ করা ছেড়ে দেয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৩৫]
দো‘আ কবুল হতে না দেখলে নিরাশ হওয়া উচিৎ নয়। কারণ, মুমিন ব্যক্তির দো‘আ কখনো বৃথা যায় না। হাদীসে এসেছে:
«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ، إِلَّا أَعْطَاهُ اللَّهُ بِهَا إِحْدَى ثَلَاثٍ : إِمَّا أَنْ تُعَجَّلَ لَهُ دَعْوَتُهُ، وَإِمَّا أَنْ يَدَّخِرَهَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ، وَإِمَّا أَنْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا " قَالُوا : إِذًا نُكْثِرُ، قَالَ : «اللَّهُ أَكْثَرُ»
“যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দো‘আ করে, যে দো‘আতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে না তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দো‘আ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দো‘আ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দো‘আর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দো‘আর মাধ্যমে তার দিকে আগুয়ান কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, আমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দো‘আ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন”। [আহমদ, হাদীস নং ১১১৩৩]
এ হাদীসে যেমন দো‘আ কখনো বৃথা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে তেমনি বেশি করে দো‘আ করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।