১
ঈমানের মূলনীতিসমূহের ব্যাখ্যা
লেখকঃ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি এবং তাঁরই নিকট সাহায্য চাই। তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট তাওবা করি। সমস্ত বিপর্যয় ও কুকীর্তি হতে রক্ষার জন্য আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন, তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথ প্রদর্শনকারী নেই। অতঃপর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত সত্যিকার কোনো মা‘বুদ নেই, তিনি এক এবং অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো শরীক নেই। আরো সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর, তাঁর বংশধর ও সাহাবায়ে কেরামের ওপর এবং যারা তাঁদের প্রদর্শিত পথের সঠিক অনুসারী হবে তাদের ওপর।
জেনে রাখুন, ইলমে তাওহীদ, তথা আল্লাহর তা‘আলার একত্ব সংক্রান্ত জ্ঞান সর্বাপেক্ষা মহৎ ও পবিত্র। কেননা, ইলমে তাওহীদ হলো আল্লাহ তা‘আলার নাম ও গুণাবলী সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করা এবং বান্দার ওপর তাঁর অধিকারসমূহ সম্পর্কে অবহিত হওয়া। আর এটাই আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি লাভের একমাত্র পথ এবং ইসলামী শরী‘আতের মূল ভিত্তি। এজন্যই নবী-রাসূলগণের দাওয়াত ও আহ্বান ছিল এরই প্রতি কেন্দ্রীভূত।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِيٓ إِلَيۡهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعۡبُدُونِ ٢٥﴾ [ الانبياء : ٢٥ ]
‘‘আপনার পূর্বে আমরা যে রাসূলই প্রেরণ করেছি তার প্রতি এ প্রত্যাদেশ পাঠিয়েছি যে, আমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মা‘বুদ বা উপাস্য নেই। সুতরাং তোমরা একমাত্র আমারই ইবাদাত কর।” [সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ২৫]
এটা সেই তাওহীদ যার সাক্ষ্য আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং নিজের জন্য দিয়েছেন এবং সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁর ফিরিশতাগণ ও বিদ্বান ব্যক্তিগণ আর এটাই আসমানী কিতাবসমূহের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কিত সর্ববৃহৎ সাক্ষ্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَأُوْلُواْ ٱلۡعِلۡمِ قَآئِمَۢا بِٱلۡقِسۡطِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ ١٨﴾ [ ال عمران : ١٨ ]
‘‘আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য মা‘বুদ নেই এবং ফিরিশতাগণ ও ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগন ও সাক্ষ্য দিয়েছেন, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্যিকার ইলাহ (উপাস্য) নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।’’ [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮]
তাওহীদের তাৎপর্য ও মর্যাদা যেহেতু অপরিসীম, তাই প্রত্যেক মুসলিমের অপরিহার্য দায়িত্ব হলো, আল্লাহর তাওহীদ বা আল্লাহর একত্বের জ্ঞান শিক্ষা করা, অন্যকে তা শিক্ষা প্রদান করা এবং তাওহীদ নিয়ে গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনা করা। যাতে করে, সে প্রশান্ত মন নিয়ে স্বীয় দীনকে এমন দৃঢ় ভিত্তির ওপর স্থাপন করে, যার সফলতা ও পরিণাম নিয়ে সে সুখী হতে পারে।
জেনে রাখুন, ইলমে তাওহীদ, তথা আল্লাহর তা‘আলার একত্ব সংক্রান্ত জ্ঞান সর্বাপেক্ষা মহৎ ও পবিত্র। কেননা, ইলমে তাওহীদ হলো আল্লাহ তা‘আলার নাম ও গুণাবলী সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করা এবং বান্দার ওপর তাঁর অধিকারসমূহ সম্পর্কে অবহিত হওয়া। আর এটাই আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি লাভের একমাত্র পথ এবং ইসলামী শরী‘আতের মূল ভিত্তি। এজন্যই নবী-রাসূলগণের দাওয়াত ও আহ্বান ছিল এরই প্রতি কেন্দ্রীভূত।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِيٓ إِلَيۡهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعۡبُدُونِ ٢٥﴾ [ الانبياء : ٢٥ ]
‘‘আপনার পূর্বে আমরা যে রাসূলই প্রেরণ করেছি তার প্রতি এ প্রত্যাদেশ পাঠিয়েছি যে, আমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মা‘বুদ বা উপাস্য নেই। সুতরাং তোমরা একমাত্র আমারই ইবাদাত কর।” [সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ২৫]
এটা সেই তাওহীদ যার সাক্ষ্য আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং নিজের জন্য দিয়েছেন এবং সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁর ফিরিশতাগণ ও বিদ্বান ব্যক্তিগণ আর এটাই আসমানী কিতাবসমূহের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কিত সর্ববৃহৎ সাক্ষ্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَأُوْلُواْ ٱلۡعِلۡمِ قَآئِمَۢا بِٱلۡقِسۡطِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ ١٨﴾ [ ال عمران : ١٨ ]
‘‘আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য মা‘বুদ নেই এবং ফিরিশতাগণ ও ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগন ও সাক্ষ্য দিয়েছেন, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্যিকার ইলাহ (উপাস্য) নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।’’ [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮]
তাওহীদের তাৎপর্য ও মর্যাদা যেহেতু অপরিসীম, তাই প্রত্যেক মুসলিমের অপরিহার্য দায়িত্ব হলো, আল্লাহর তাওহীদ বা আল্লাহর একত্বের জ্ঞান শিক্ষা করা, অন্যকে তা শিক্ষা প্রদান করা এবং তাওহীদ নিয়ে গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনা করা। যাতে করে, সে প্রশান্ত মন নিয়ে স্বীয় দীনকে এমন দৃঢ় ভিত্তির ওপর স্থাপন করে, যার সফলতা ও পরিণাম নিয়ে সে সুখী হতে পারে।