১
হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
ফতোয়া দেয়া আমাদের সাংবিধানিক অধিকার
আমরা মুসলিম। মুসলিম হিসেবে ইসলামী বিধান যথা সম্ভব পালন করব এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার, যা সংবিধানের বিভিন্ন ধারায় স্বীকৃত। এখানে আমরা একটি ধারা উল্লেখ করছি - ৪১ (১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্মাবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে। (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে’। [গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান]
আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হল- কোনো ধর্ম প্রচার কী সম্ভব তার বিধান বর্ণনা করা ছাড়া? বিধান সম্পর্কে না জেনে তা কি পালন করা যায়? সুতরাং সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ মুসলমান একজন প্রাজ্ঞ মুফতীর কাছে ধর্মীয় বিষয়ে সমাধান জানার অধিকার রাখেন। আর প্রাজ্ঞ মুফতী তার ধর্মীয় সমাধান জানানোর অধিকার রাখেন। অন্যথায় ধর্ম প্রচারই সম্ভব নয়। যেদিন থেকে ইসলাম সেদিন থেকেই ফতোয়া। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যেসব দায়িত্ব দিয়েছেন তার মধ্যে একটি হলো ফতোয়া তথা ইসলামী সমাধান জানানো। আল্লাহ পৃথিবীতে সকল নবীকে প্রেরণ করেছেন মানুষকে আল্লাহর বিধান সম্পর্কে অবগত করে তাদেরকে তাওহীদের পথে আনতে। এ জন্য সাধারণ মানুষকেও বলা হয়েছে না জানা বিষয়ে প্রশ্ন করে জেনে নিতে। আর সেটাই তো ফতোয়া। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا قَبۡلَكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسَۡٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٧ ﴾ [ الانبياء : ٧ ]
‘আর তোমার পূর্বে আমি পুরুষই পাঠিয়েছিলাম, যাদের প্রতি আমি ওহী পাঠাতাম। সুতরাং তোমরা জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর যদি তোমরা না জান।’ {সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত : ৭}
মানুষকে দীন শেখানো, তাদের মাঝে দীনের জ্ঞান বিতরণ করা এবং তাদের ধর্মীয় পিপাসা নিবারণ করা ছিল নবী ‘আলাইহিমুস সালামগণের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব। আল-কুরআনুল কারীমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের দায়িত্ব ও কর্মসূচি সম্পর্কে আল্লাহ পরিষ্কার বলেছেন,
﴿كَمَآ أَرۡسَلۡنَا فِيكُمۡ رَسُولٗا مِّنكُمۡ يَتۡلُواْ عَلَيۡكُمۡ ءَايَٰتِنَا وَيُزَكِّيكُمۡ وَيُعَلِّمُكُمُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَيُعَلِّمُكُم مَّا لَمۡ تَكُونُواْ تَعۡلَمُونَ ١٥١ ﴾ [ البقرة : ١٥١ ]
‘যেভাবে আমি তোমাদের মধ্যে একজন রাসূল প্রেরণ করেছি তোমাদের মধ্য থেকে, যে তোমাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তোমাদেরকে পবিত্র করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়। আর তোমাদেরকে শিক্ষা দেয় এমন কিছু যা তোমরা জানতে না।’ {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৫১}
আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হল- কোনো ধর্ম প্রচার কী সম্ভব তার বিধান বর্ণনা করা ছাড়া? বিধান সম্পর্কে না জেনে তা কি পালন করা যায়? সুতরাং সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ মুসলমান একজন প্রাজ্ঞ মুফতীর কাছে ধর্মীয় বিষয়ে সমাধান জানার অধিকার রাখেন। আর প্রাজ্ঞ মুফতী তার ধর্মীয় সমাধান জানানোর অধিকার রাখেন। অন্যথায় ধর্ম প্রচারই সম্ভব নয়। যেদিন থেকে ইসলাম সেদিন থেকেই ফতোয়া। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যেসব দায়িত্ব দিয়েছেন তার মধ্যে একটি হলো ফতোয়া তথা ইসলামী সমাধান জানানো। আল্লাহ পৃথিবীতে সকল নবীকে প্রেরণ করেছেন মানুষকে আল্লাহর বিধান সম্পর্কে অবগত করে তাদেরকে তাওহীদের পথে আনতে। এ জন্য সাধারণ মানুষকেও বলা হয়েছে না জানা বিষয়ে প্রশ্ন করে জেনে নিতে। আর সেটাই তো ফতোয়া। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا قَبۡلَكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسَۡٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٧ ﴾ [ الانبياء : ٧ ]
‘আর তোমার পূর্বে আমি পুরুষই পাঠিয়েছিলাম, যাদের প্রতি আমি ওহী পাঠাতাম। সুতরাং তোমরা জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর যদি তোমরা না জান।’ {সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত : ৭}
মানুষকে দীন শেখানো, তাদের মাঝে দীনের জ্ঞান বিতরণ করা এবং তাদের ধর্মীয় পিপাসা নিবারণ করা ছিল নবী ‘আলাইহিমুস সালামগণের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব। আল-কুরআনুল কারীমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের দায়িত্ব ও কর্মসূচি সম্পর্কে আল্লাহ পরিষ্কার বলেছেন,
﴿كَمَآ أَرۡسَلۡنَا فِيكُمۡ رَسُولٗا مِّنكُمۡ يَتۡلُواْ عَلَيۡكُمۡ ءَايَٰتِنَا وَيُزَكِّيكُمۡ وَيُعَلِّمُكُمُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَيُعَلِّمُكُم مَّا لَمۡ تَكُونُواْ تَعۡلَمُونَ ١٥١ ﴾ [ البقرة : ١٥١ ]
‘যেভাবে আমি তোমাদের মধ্যে একজন রাসূল প্রেরণ করেছি তোমাদের মধ্য থেকে, যে তোমাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তোমাদেরকে পবিত্র করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়। আর তোমাদেরকে শিক্ষা দেয় এমন কিছু যা তোমরা জানতে না।’ {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৫১}