১
হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
প্রাককথন :
বাংলাদেশে অদূর ভবিষ্যতে ফতোয়া নিয়ে ফতোয়াবাজী বন্ধ হবার কোনো লক্ষণ দেখি না। উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়াবার পর নানা ঘটনা পরম্পরায় শেষ পর্যন্ত ফতোয়া বহালই রইল। তদ্যপি ইসলাম বিষয়ে অজ্ঞতা কিংবা বিদ্বেষবশত বেশ কিছু ইসলামী পরিভাষার মতো ফতোয়া শব্দকেও কলঙ্কিত করার ধারা বজায় রেখেছে কতিপয় মিডিয়া। ক’দিন পরপরই দেখা যায় গ্রাম্য শালিসকে ফতোয়াবাজী হিসেবে চালিয়ে ইসলামের এই পরিভাষাটির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হয়।
৩১/০১/২০১৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকের নারী পাতায় রহিমা আক্তার নামে এক লেখিকা ‘ফতোয়ার কালো অধ্যায় হিল্লা বিয়ে’ শীর্ষক একটি ফিচার লিখেন। লেখাটি শুধু আমাকে নয়, আমার মতো লাখ লাখ ইসলামপ্রেমী পাঠককে তীব্র ব্যথিত এবং প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। বলাবাহুল্য একটি দায়িত্বশীল জাতীয় দৈনিকের কাছে এমন হঠকারী ও অবিবেচনাপ্রসূত লেখা একেবারেই অনভিপ্রেত।
লেখিকা রহিমা আক্তার ধর্ম সম্পর্কে শুধু অজ্ঞই নন, একজন ধর্মবিদ্বেষীও বটে। ফতোয়া কী, ফতোয়া কেন এবং কারা ফতোয়া দিতে পারবেন- এ সম্পর্কে ইসলামের বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি না জেনে ফতোয়া শব্দ নিয়ে বিষোদ্গার অনভিপ্রেত। ফতোয়া বন্ধের দাবীও চরম হঠকারী বৈ কী। সমাজে যেসব লোক অনধিকার চর্চা করে ফতোয়া দেন তার জন্য তাদের নিন্দা হতে পারে না। ফতোয়া বন্ধের দাবী তোলা তো আরও হাস্যকর। হাতুড়ে ডাক্তারের অপরাধে সব ডাক্তারের চিকিৎসাসেবা বন্ধের দাবী চূড়ান্ত মূঢ়তা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতা বটে।
৩১/০১/২০১৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকের নারী পাতায় রহিমা আক্তার নামে এক লেখিকা ‘ফতোয়ার কালো অধ্যায় হিল্লা বিয়ে’ শীর্ষক একটি ফিচার লিখেন। লেখাটি শুধু আমাকে নয়, আমার মতো লাখ লাখ ইসলামপ্রেমী পাঠককে তীব্র ব্যথিত এবং প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। বলাবাহুল্য একটি দায়িত্বশীল জাতীয় দৈনিকের কাছে এমন হঠকারী ও অবিবেচনাপ্রসূত লেখা একেবারেই অনভিপ্রেত।
লেখিকা রহিমা আক্তার ধর্ম সম্পর্কে শুধু অজ্ঞই নন, একজন ধর্মবিদ্বেষীও বটে। ফতোয়া কী, ফতোয়া কেন এবং কারা ফতোয়া দিতে পারবেন- এ সম্পর্কে ইসলামের বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি না জেনে ফতোয়া শব্দ নিয়ে বিষোদ্গার অনভিপ্রেত। ফতোয়া বন্ধের দাবীও চরম হঠকারী বৈ কী। সমাজে যেসব লোক অনধিকার চর্চা করে ফতোয়া দেন তার জন্য তাদের নিন্দা হতে পারে না। ফতোয়া বন্ধের দাবী তোলা তো আরও হাস্যকর। হাতুড়ে ডাক্তারের অপরাধে সব ডাক্তারের চিকিৎসাসেবা বন্ধের দাবী চূড়ান্ত মূঢ়তা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতা বটে।