১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকালীন আরবের অবস্থা ও তাঁর মক্কী জীবন
লেখকঃ মো. আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
আবিসিনিয়ায় হিজরত:
কুরাইশদের অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশ বেড়ে গেল। নতুন মুসলিমদের কাবায় কুরআন পাঠ এমনকি গৃহেও উচ্চ স্বরে কুরআন পাঠ করা ছিল অসম্ভব। এমনকি নামাজের মধ্যেও মুসলিম বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হতেন। দৈহিক অত্যাচার হতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও বাদ পড়েন নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশদের ক্রমবর্ধমান অত্যাচারে বাধ্য হয়ে সাহাবীগণকে আবিসিনিয়ায় হিজরত করার অনুমতি প্রদান করলেন। [সাইয়েদুল মুরসালীন, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৯৮।]
নবুয়তের পঞ্চম বর্ষের রজব মাসে সাহাবীগণের প্রথম দলটি মক্কা থেকে আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন। উক্ত দলে ১২ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলা ছিলেন। ওসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদের দলপতি। তাঁর সাথে ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা রুকাইয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদের সম্পর্কে বলেন, ইবরাহীম ও লুত ‘আলাইহিস সালাম-এর পর এরাই হচ্ছেন প্রথম পরিবার, যাঁরা আল্লাহর রাহে হিজরত করেন। [নূরুল ইয়াকীন, পৃ. ৫৬।]
মুসলিমগণ আবিসিনিয়ায় পৌঁছালে বাদশাহ নাজ্জাশী তাদেরকে নিজ রাজ্যে শান্তিতে বসবাস করে ধর্মকর্ম পালনের সুবন্দোবস্ত করে দিলেন। মুহাজিরগণ প্রায় তিন মাস কাল শান্তি ও নিরাপদে বাস করে মক্কায় ফিরে আসলেন।
মুসলিমগণ ক্রমবৃদ্ধিতে কুরাইশরা তাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিল।এ অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় আবিসিনিয়ায় হিজরতের নির্দেশ দিলেন। এবার জা‘ফর ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নেতৃত্বে ৮৩ জন পুরুষ এবং ১২ জন মহিলার এক বিরাট দল হিজরতে অংশগ্রহণ করলেন। তাঁদের সাথে আবু মূসা আশআরীও তাঁর গোষ্ঠীর লোকজনসহ ইয়েমেনের মুসলিমগণও যোগ দিয়েছিলেন। একেই আবিসিনিয়ার দ্বিতীয় হিজরত বলা হয়। এবারেও নাজ্জাশী মুসলিমদেরকে শান্তিতে বাস করার সুবন্দোবস্ত করে দেন। মুহাজিরগণ সেখানে শান্তি ও নিরাপদে তাদের ধর্মকর্ম পালন করতে লাগলেন। [আর রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ৯৪-৯৫; নুরুল ইয়াকীন, পৃ. ৬১।]
নবুয়তের পঞ্চম বর্ষের রজব মাসে সাহাবীগণের প্রথম দলটি মক্কা থেকে আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন। উক্ত দলে ১২ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলা ছিলেন। ওসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদের দলপতি। তাঁর সাথে ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা রুকাইয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদের সম্পর্কে বলেন, ইবরাহীম ও লুত ‘আলাইহিস সালাম-এর পর এরাই হচ্ছেন প্রথম পরিবার, যাঁরা আল্লাহর রাহে হিজরত করেন। [নূরুল ইয়াকীন, পৃ. ৫৬।]
মুসলিমগণ আবিসিনিয়ায় পৌঁছালে বাদশাহ নাজ্জাশী তাদেরকে নিজ রাজ্যে শান্তিতে বসবাস করে ধর্মকর্ম পালনের সুবন্দোবস্ত করে দিলেন। মুহাজিরগণ প্রায় তিন মাস কাল শান্তি ও নিরাপদে বাস করে মক্কায় ফিরে আসলেন।
মুসলিমগণ ক্রমবৃদ্ধিতে কুরাইশরা তাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিল।এ অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় আবিসিনিয়ায় হিজরতের নির্দেশ দিলেন। এবার জা‘ফর ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নেতৃত্বে ৮৩ জন পুরুষ এবং ১২ জন মহিলার এক বিরাট দল হিজরতে অংশগ্রহণ করলেন। তাঁদের সাথে আবু মূসা আশআরীও তাঁর গোষ্ঠীর লোকজনসহ ইয়েমেনের মুসলিমগণও যোগ দিয়েছিলেন। একেই আবিসিনিয়ার দ্বিতীয় হিজরত বলা হয়। এবারেও নাজ্জাশী মুসলিমদেরকে শান্তিতে বাস করার সুবন্দোবস্ত করে দেন। মুহাজিরগণ সেখানে শান্তি ও নিরাপদে তাদের ধর্মকর্ম পালন করতে লাগলেন। [আর রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ৯৪-৯৫; নুরুল ইয়াকীন, পৃ. ৬১।]