১
রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী
লেখকঃ নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
বাড়াবাড়ি বা অতিরঞ্জন থেকে মুক্ত থাকার জন্য আহলে কিতাবের ব্যাপারে দু’টি পদ্ধতি অবলম্বন করা যায় :
প্রথম বিষয়, পাশ্চাত্যের দেশসমূহে বিদ্যমান আহলে কিতাব তথা ইহুদ-নাসারাদের পাঁচটি গ্রুপ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা।
প্রথম গ্রুপ : যারা অহংকারবশত সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে-ইসলামকে অস্বীকার করে। এ গ্রুপে আরো আছে, মূর্খ ও ধোঁকায় পতিত একদল অনুসারী, একমত পোষণকারী আরেক শ্রেণি।
দ্বিতীয় গ্রুপ : যারা ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানে না। তবে প্রথম গ্রুপে উল্লেখিত লোকদের প্রচার মোতাবেক ইসলাম সম্পর্কে ধারণা রাখে। তারা জ্ঞানের দিক দিয়ে অসহায়। মুসলমানদের উচিত তাদেরকে এ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করা। তাদের সামনে দু’জাহানের নবী ও সত্য ধর্মের সঠিক পরিচয়-বিস্তারিত সংজ্ঞা তুলে ধরা। মার্জিতভাবে ইসলামের সৌন্দর্য তাদের সামনে তুলে ধরা। এ ব্যাপারে মুসলমানদের যে কোন ত্রুটি তাদের উপর জুলুম হিসেবে বিবেচিত হবে।
তৃতীয় গ্রুপ : এরা প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রুপের মাঝামাঝি অবস্থানকারী। এরা সত্যের জন্য আগ্রহ দেখায় না এবং সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্যও করতে চায় না। এরা চোখ-কান বন্ধ করে এড়িয়ে চলতে চায়, গাঁ ঢাকা দিয়ে থাকতে পছন্দ করে, যার অন্তরালে প্রবৃত্ত, কান্ডজ্ঞান হীনতা আর মূর্খতা। তাদের ব্যাপারে কর্তব্য হচ্ছে, তাদেরকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করা, ইসলাম নিয়ে চিন্তা করার আহবান জানানো। তবুও তাদের সাড়া না মিললে প্রথম গ্রুপেই তাদের জ্ঞান করতে হবে।
চতুর্থ গ্রুপ : এরা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায় নীতি বান পাশ্চাত্য সমাজ। এরা ইসলাম সম্পর্কে জানে, ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ এদের নিকট অনেকটা স্পষ্ট। আমাদের নবী সম্পর্কে তারা জ্ঞাত এবং তাকে সম্মানের চোখেই দেখে। তারা নবী মুহাম্মদের ব্যাপারে আবু তালেবের ভূমিকা পালনকারী এবং সেসব লোকের অবস্থান গ্রহণকারী যারা রাসূল সা.-কে নিরাপত্তা দিয়েছে এবং তার উপর থেকে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে।
উদাহরণ স্বরূপ : ফ্রান্সের গবেষিকা জুসলিন সিজারি, ব্রিটেনের সাংবাদিক রুপাট ফাঁসাক, আমেরিকার উরীগুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মারকুস ভূর্জ, ফ্রান্সের প্রখ্যাত গবেষক ফ্রান্সু বুর্জা তদ্রুপ সাবেক ক্যাথলিক ধর্মযাজক, ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদীবাদের উপর অনেক গ্রন্থ-প্রণেতা, লেখক, ব্রিটেনের কারিণী আর্মাষ্টরঞ্জ।
তদ্রুপ ইংরেজদের লিডার তিশারলার্জ। তিনি ইসলামের ব্যাপারে ইনসাফপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে কট্টর নীতির অপবাদ খন্ডন করেছেন। যে অপবাদ পাশ্চাত্য-জগৎ জোরপূর্বক ইসলামের উপর চাপাতে চায়। বিশেষ করে তিনি ইউরোপ মহাদেশের ভেতর ইসলামী সভ্যতা ও আদর্শের সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন এবং সাধারণভাবে সমগ্র পাশ্চাত্য জগতের উপর ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন।
এ ধরনের লোকদের সম্মান করা এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। তাদের ইসলামের প্রতি আহবান জানানো এবং আমাদের সে ব্যাপারে আগ্রহ রাখা। তারা তাদের অন্যান্য স্বজাতিদের মত নয়।
পঞ্চম গ্রুপ : পাশ্চাত্যের মুসলিম সম্প্রদায়। আমাদের উচিত তাদের ছায়া প্রদান করা, তাদের দুশমনদের সমুচিত জওয়াব দেয়া এবং তাদেরকে সঠিক ও সুন্দর দিক নির্দেশনা প্রদান করা।
দ্বিতীয় বিষয়, যা আমাদের অনুসরণ করা একান্ত প্রয়োজন :
সে সকল বিষয়গুলো চিহ্নিত করা, যে কারণে পাশ্চাত্যের ইতর শ্রেণি ও মূর্খ গোষ্ঠী আমাদের নবীর উপর ধৃষ্টতার সাহস করেছে। অথচ বর্তমান যুগের যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিকস ব্যবস্থার উন্নতির ফলে ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা একেবারেই সহজ।
প্রথম গ্রুপ : যারা অহংকারবশত সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে-ইসলামকে অস্বীকার করে। এ গ্রুপে আরো আছে, মূর্খ ও ধোঁকায় পতিত একদল অনুসারী, একমত পোষণকারী আরেক শ্রেণি।
দ্বিতীয় গ্রুপ : যারা ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানে না। তবে প্রথম গ্রুপে উল্লেখিত লোকদের প্রচার মোতাবেক ইসলাম সম্পর্কে ধারণা রাখে। তারা জ্ঞানের দিক দিয়ে অসহায়। মুসলমানদের উচিত তাদেরকে এ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করা। তাদের সামনে দু’জাহানের নবী ও সত্য ধর্মের সঠিক পরিচয়-বিস্তারিত সংজ্ঞা তুলে ধরা। মার্জিতভাবে ইসলামের সৌন্দর্য তাদের সামনে তুলে ধরা। এ ব্যাপারে মুসলমানদের যে কোন ত্রুটি তাদের উপর জুলুম হিসেবে বিবেচিত হবে।
তৃতীয় গ্রুপ : এরা প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রুপের মাঝামাঝি অবস্থানকারী। এরা সত্যের জন্য আগ্রহ দেখায় না এবং সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্যও করতে চায় না। এরা চোখ-কান বন্ধ করে এড়িয়ে চলতে চায়, গাঁ ঢাকা দিয়ে থাকতে পছন্দ করে, যার অন্তরালে প্রবৃত্ত, কান্ডজ্ঞান হীনতা আর মূর্খতা। তাদের ব্যাপারে কর্তব্য হচ্ছে, তাদেরকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করা, ইসলাম নিয়ে চিন্তা করার আহবান জানানো। তবুও তাদের সাড়া না মিললে প্রথম গ্রুপেই তাদের জ্ঞান করতে হবে।
চতুর্থ গ্রুপ : এরা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায় নীতি বান পাশ্চাত্য সমাজ। এরা ইসলাম সম্পর্কে জানে, ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ এদের নিকট অনেকটা স্পষ্ট। আমাদের নবী সম্পর্কে তারা জ্ঞাত এবং তাকে সম্মানের চোখেই দেখে। তারা নবী মুহাম্মদের ব্যাপারে আবু তালেবের ভূমিকা পালনকারী এবং সেসব লোকের অবস্থান গ্রহণকারী যারা রাসূল সা.-কে নিরাপত্তা দিয়েছে এবং তার উপর থেকে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে।
উদাহরণ স্বরূপ : ফ্রান্সের গবেষিকা জুসলিন সিজারি, ব্রিটেনের সাংবাদিক রুপাট ফাঁসাক, আমেরিকার উরীগুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মারকুস ভূর্জ, ফ্রান্সের প্রখ্যাত গবেষক ফ্রান্সু বুর্জা তদ্রুপ সাবেক ক্যাথলিক ধর্মযাজক, ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদীবাদের উপর অনেক গ্রন্থ-প্রণেতা, লেখক, ব্রিটেনের কারিণী আর্মাষ্টরঞ্জ।
তদ্রুপ ইংরেজদের লিডার তিশারলার্জ। তিনি ইসলামের ব্যাপারে ইনসাফপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে কট্টর নীতির অপবাদ খন্ডন করেছেন। যে অপবাদ পাশ্চাত্য-জগৎ জোরপূর্বক ইসলামের উপর চাপাতে চায়। বিশেষ করে তিনি ইউরোপ মহাদেশের ভেতর ইসলামী সভ্যতা ও আদর্শের সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন এবং সাধারণভাবে সমগ্র পাশ্চাত্য জগতের উপর ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন।
এ ধরনের লোকদের সম্মান করা এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। তাদের ইসলামের প্রতি আহবান জানানো এবং আমাদের সে ব্যাপারে আগ্রহ রাখা। তারা তাদের অন্যান্য স্বজাতিদের মত নয়।
পঞ্চম গ্রুপ : পাশ্চাত্যের মুসলিম সম্প্রদায়। আমাদের উচিত তাদের ছায়া প্রদান করা, তাদের দুশমনদের সমুচিত জওয়াব দেয়া এবং তাদেরকে সঠিক ও সুন্দর দিক নির্দেশনা প্রদান করা।
দ্বিতীয় বিষয়, যা আমাদের অনুসরণ করা একান্ত প্রয়োজন :
সে সকল বিষয়গুলো চিহ্নিত করা, যে কারণে পাশ্চাত্যের ইতর শ্রেণি ও মূর্খ গোষ্ঠী আমাদের নবীর উপর ধৃষ্টতার সাহস করেছে। অথচ বর্তমান যুগের যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিকস ব্যবস্থার উন্নতির ফলে ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা একেবারেই সহজ।