১
রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী
লেখকঃ নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
সমসাময়িক ধৃষ্টতা :
সমসাময়িক যুগেও অভিশপ্ত কাফেরদের দোসররা তাদের নিন্দিত পূর্ব পুরুষদের অনুসরণ করে চলছে। ‘‘এর জন্য একে অপরের সাথে প্রতিজ্ঞা, প্রতিশ্রুতির আদান-প্রদান করছে। তারা সীমালঙ্গনকারী জাতি।’’ [আজ-জারিয়াত : ৫৩]
পার্থক্য এখানে, তাদের সামনে ব্যক্তি রাসূল সা. ও তার সত্তা বিদ্যমান নেই। তাতে কি? তাদের কুপ্রবৃত্তি প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিকস মিডিয়া সব কিছুই রাসূলের শানে ধৃষ্টতায় ব্যাপৃত রয়েছে। তারা রাসূলের গায়ে কলঙ্ক লেপনের জন্য এমন কিছু পদ্ধতি ও পন্থার আবিষ্কার করেছে, এর আগে ইবলিস শয়তানেরও যে সম্পর্কে কোন জ্ঞান ছিল না। তাদের পূর্বপুরুষ থেকেও যার প্রমাণ পাওয়া যায় না। কথা-কাজ ও ধৃষ্টতার সকল আকার-আকৃতি ও প্রকৃতি নিয়ে তারা আজ জমায়েত হয়েছে। যেমন জমায়েত হয়েছিল তাদের পথিকৃৎ লিডাররা।
কথার দ্বারা ধৃষ্টতার ধরন মূলত এক-ই। তবে, যুগে যুগে বাক্যের ব্যঞ্জনা ও ভাষার পরিবর্তন ঘটেছে বিষয় যদিও অভিন্ন।
কাজ ও কর্মের দ্বারা ধৃষ্টতার নমুনা অনেক। তাদের পূর্ব পুরুষরা কখনো রাসূল সা.-কে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে, উটের ভূরি তার শরীরে নিক্ষেপ করেছে। তার পথে কাঁটা, আবর্জনা রেখে দিয়েছে। আরো কষ্ট দিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে, আহত করে, দান্দান শহীদ করে, বিষ প্রয়োগ... ইত্যাদির মাধ্যমে। যা সরাসরি রাসূল সা. ভোগ করেছেন।
তবে মৃত্যু বরণ ও আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার কারণে রাসূল সা. আজ তাদের হাত ছাড়া। শয়তানের দোসরদের নাগালের বাইরে তার পবিত্র শরীর ও সত্তা। তাই, তাদের বিষাক্ত তীর নিক্ষিপ্ত হচ্ছে তার শ্রীযুক্ত কাজে, কর্মে ও আদর্শে। তাদের লিখলি অপবাদ রটনায় মুক্ত হস্ত। ধৃষ্টতার জন্য কার্টুন ইত্যাদি চিত্র অঙ্কনের ন্যায় সদা অসৎ ব্রতে লিপ্ত। যার অভিজ্ঞতা ছিল না তাদের গুরুদেরও।
পার্থক্য এখানে, তাদের সামনে ব্যক্তি রাসূল সা. ও তার সত্তা বিদ্যমান নেই। তাতে কি? তাদের কুপ্রবৃত্তি প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিকস মিডিয়া সব কিছুই রাসূলের শানে ধৃষ্টতায় ব্যাপৃত রয়েছে। তারা রাসূলের গায়ে কলঙ্ক লেপনের জন্য এমন কিছু পদ্ধতি ও পন্থার আবিষ্কার করেছে, এর আগে ইবলিস শয়তানেরও যে সম্পর্কে কোন জ্ঞান ছিল না। তাদের পূর্বপুরুষ থেকেও যার প্রমাণ পাওয়া যায় না। কথা-কাজ ও ধৃষ্টতার সকল আকার-আকৃতি ও প্রকৃতি নিয়ে তারা আজ জমায়েত হয়েছে। যেমন জমায়েত হয়েছিল তাদের পথিকৃৎ লিডাররা।
কথার দ্বারা ধৃষ্টতার ধরন মূলত এক-ই। তবে, যুগে যুগে বাক্যের ব্যঞ্জনা ও ভাষার পরিবর্তন ঘটেছে বিষয় যদিও অভিন্ন।
কাজ ও কর্মের দ্বারা ধৃষ্টতার নমুনা অনেক। তাদের পূর্ব পুরুষরা কখনো রাসূল সা.-কে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে, উটের ভূরি তার শরীরে নিক্ষেপ করেছে। তার পথে কাঁটা, আবর্জনা রেখে দিয়েছে। আরো কষ্ট দিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে, আহত করে, দান্দান শহীদ করে, বিষ প্রয়োগ... ইত্যাদির মাধ্যমে। যা সরাসরি রাসূল সা. ভোগ করেছেন।
তবে মৃত্যু বরণ ও আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার কারণে রাসূল সা. আজ তাদের হাত ছাড়া। শয়তানের দোসরদের নাগালের বাইরে তার পবিত্র শরীর ও সত্তা। তাই, তাদের বিষাক্ত তীর নিক্ষিপ্ত হচ্ছে তার শ্রীযুক্ত কাজে, কর্মে ও আদর্শে। তাদের লিখলি অপবাদ রটনায় মুক্ত হস্ত। ধৃষ্টতার জন্য কার্টুন ইত্যাদি চিত্র অঙ্কনের ন্যায় সদা অসৎ ব্রতে লিপ্ত। যার অভিজ্ঞতা ছিল না তাদের গুরুদেরও।